স্টাফ রিপোর্টার-মোঃ রুহুল আমিন (আলামিন)
শরীয়তপুরের জাজিরায় খবির সরদার হত্যা মামলায় করা আসামি আলমাস সরদারের বস্তাবন্দি মরদেহ মাটি চাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বড়কান্দি ইউনিয়নের উমরদি মাদবর কান্দি এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরিবার সূত্রে জানা যায় গত ২৬ তারিখে রাতে খবির সরদার এর সাথে জমির বিরোধ নিয়ে পূর্ব শত্রুতা ছিলো আলমাস সরদার এর পরিবারের সেই রাতে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতিরা একপর্যায়ে সাবধানবশত নিহত হন খবির সরদার ঘটনার পর থেকে নিখোজ ছিলো আলমাস সরদার
তাকে রাতে অনেক খোজা খুজি করা হয় তারপর দিন
২৭ আগষ্ট সকালে আলামত হিসেবে পার্শ্ববতী এক পুকুরের পাশে একটি জুতা পাওয়া য়ায় আলমাস সরদারের তার পরিবারের দাবি তাকে হত্যা বা গুম করার আসংখ্যা করছেন পরিবার এদিকে ২৭ আগষ্ট দিনের বেলায় নিহত খবির সরদারের পরিবারের সদস্যরা ঘরের আসবা পত্র নিয়ে এলাকা থেকে চলে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়
(শরিয়তপুর টাইমস) একটি গণমাধ্যম পেজে পক্ষ থেকে এই ভিডিও দেখে এলাকায় এক চাঞ্চল্য দেখা দেয় এসময় নিখোজ আলমাস সরদারের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পাশ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে মাটি খুঁড়ে বস্তা বন্দি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করে এবং নিহত আর আলমাস সরদার পরিবারের দাবি মৃত খবির সরদারের ভাই দানিশ সরদার সহ আরো অনেকে আলমাস সরদার কে হত্যার পেছনে জড়িত আছেন ।
এর আগে বুধবার রাতে মসজিদে আজান দেয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খবির সরদার নামে স্থানীয় বাসিন্দা কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ ওঠে আলমাসের বিরুদ্ধে। নিহত খবির সরদার বড়কান্দি ইউনিয়ন বাসিন্দা ছিলেন। পরে তার নিহতের ভাই দানেশ সরদার বাদী হয়ে আলমাস সহ ২০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ ঘটনার পর বস্তা বন্দি অবস্থায় আলমাসের মরদেহ পাওয়া যায়। পরপর দুই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, খবির সরদারকে হত্যার ঘটনার প্রধান আসামি আলমাস সরদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।