১২০ দিন : এটা কোন দিনের হিসাব নয়! দেশমাতার প্রতিটা কষ্টের এক নির্মম হিসাব!

0

১২০ দিন।এটা কোন দিনের হিসাব নয়।অন্যায়ভাবে একটা মা কে দেয়া প্রতিটা রাতের কষ্টের হিসাব।প্রতিটা দিনের প্রতিটা তৃণমূল কর্মীর কান্নার ফোটার হিসাব।যে মা দেশের কথা চিন্তা করে পুত্র,নাতি,নাতনী,আত্মীয় স্বজন থেকে বহুদুরে থেকে প্রায় ১০ টি বছর কাটিয়েছে।যে মা এদেশের প্রতিটা মানুষের কথা চিন্তা করে সারাটা জীবন কাটিয়েছে।পুত্র হারানোর ব্যথা বুকে নিয়ে যে মা নিজেকে শক্ত করেছে এই বলে যে এদেশের প্রতিটা মানুষ আমার সন্তানসেই মা আজ ১২০ দিন অতিবাহিত করছে ওই অন্ধকার কারাগারে।

আমি বলছি সেই মায়ের কথা।দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী,তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী,আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা বলছি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভুত্থ্যানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মিদের আহ্ববানে তিনি ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান লেফটেনেন্ট জেনারেল এরশাদ বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। বেগম জিয়া এর বিরোধিতা করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে পার্টির চেয়ারপার্সন নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বেই মূলতঃ বিএনপির পূর্ণ বিকাশ হয়। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে দলে যোগ দেবার পর থেকে মোট চার বার তিনি গ্রেফতার হন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর গ্রেফতার হন। সর্বশেষ তিনি ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর ৩ তারিখে দূর্নীতির অভিযোগে পুত্রসহ গ্রেফতার হন।২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তিনি হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তিলাভ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক গ্রেপ্তার হবার পর দীর্ঘ এক বছর সাত দিন কারাগারে অবস্থানকালে তাঁর বিরুদ্ধে চলতে থাকা কোন মামলারই উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়নি এবং চলতে থাকা তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই প্রমাণিত হয়নি।

১৯৮৩ সালের বেগম জিয়ার নেতৃত্বে সাত দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়। একই সময় এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। বেগম জিয়া প্রথমে বিএনপিকে নিয়ে ১৯৮৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে ৭ দলীয় ঐক্যজোটের মাধ্যমে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। একই সময় তার নেতৃত্বে সাত দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন পনের দলের সাথে যৌথভাবে আন্দোলনের কর্মসূচী শুরু করে।

11895946_1490351891277725_829617053348140986_n

১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ দফা আন্দোলন চলতে থাকে। কিন্তু ১৯৮৬ সালের ২১ মার্চ রাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এরশাদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিধান্ত নিলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বাঁধার সৃষ্টি হয়। ১৫ দল ভেঙ্গে ৮ দল ও ৫ দল হয়। ৮ দল নির্বাচনে যায়। এরপর বেগম জিয়ার নেতৃত্বে ৭ দল, পাঁচ দলীয় ঐক্যজোট আন্দোলন চালায় এবং নির্বাচন প্রত্যাখান করে। ১৯৮৭ সাল থেকে খালেদা জিয়া “এরশাদ হটাও” এক দফার আন্দোলন শুরু করেন। এর ফলে এরশাদ সংসদ ভেঙ্গে দেন। পুনরায় শুরু হয় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। অবশেষে দীর্ঘ আট বছর একটানা নিরলস ও আপোসহীন সংগ্রামের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সেই নির্বাচনে খালেদা জিয়া মোট পাঁচটি আসনে অংশ নিয়ে পাঁচটিতেই জয়লাভ করেন।এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে দেশের মানুষের ভালবাসায় পেয়েছেন ‘আপোষহীন নেত্রী” উপাধি।

11217543_1490351837944397_5272649226763441440_n
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের মিছিলে বেগম জিয়া
11898842_1490351847944396_228080497174302242_n
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সময়কালীন রাজপথে নেতাকমীদের সাথে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন বেগম জিয়া

11935073_1490351561277758_1334546173478852352_n

বাংলাদেশের এক নতুন ইতিহাস ও ১ম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াঃ
***************************************************

১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ বেগম খালেদা জিয়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তার সরকার দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার কায়েম করে। ২ এপ্রিল তিনি সংসদে সরকারের পক্ষে এই বিল উত্থাপন করেন। একই দিন তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ কে স্বপদে ফিরে যাবার ব্যবস্থা করে একাদশ সংশোধনী বিল আনেনে। ৬ আগস্ট ১৯৯১ সালের সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে দুটি বিল পাশ হয়।

বাংলাদেশে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নিবাচিত হওয়ার পরের বেগম জিয়া।
বাংলাদেশে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নিবাচিত হওয়ার পর বেগম জিয়া।
1426604902
জাতির উদ্দেশ্য ভাষন দিচ্ছে বেগম জিয়া

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। যা পরবর্তীতে ৯৬ এর একদলীয় নির্বাচন হিসেবে গণ্য হয়। সকল বিরোধীদলের আপত্তির পর ও খালেদা জিয়া ও তার দল এই একক নির্বাচন করেন। আওয়ামী লীগ সহ সব বিরোধী দল এই নির্বাচন বয়কট করে। এই সংসদ মাত্র ১৫ দিন স্থায়ী হয়। খালেদা জিয়া এই সংসদের ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রবল গণ আন্দোলন ও বর্হিবিশ্বের চাপে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস হয় এবং খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন।

11953005_1490351494611098_7861796950262639019_n
জাতিসংঘে ভাষন দিচ্ছেন বেগম জিয়া

khaleda-zia-bangladesh-former-prime-minister-hd-photo-wallpaper-4

 

সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংসদে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বি এন পিঃ
****************************************************************

১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মোট ১১৬ আসনে জয় লাভ করে, যা সরকার গঠনে যথেষ্ঠ ছিলনা। আওয়ামী লীগ মোট ১৪৭ আসন লাভ করে, তারা জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে। বিএনপি সপ্তম সংসদে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহত্ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের পাঁচ বছর শাসনকালে সংসদে বিরোধী দলনেত্রী ছিলেন ।

khaleda-zia-in-parliament
জাতীয় সংসদে ভাষন দিচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ
**********************

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি জামাতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট ও জাতীয় পার্টির সাথে চারদলীয় ঐক্যজোট গঠন করে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোট বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। খালেদা জিয়া এই সংসদেও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর এই সংসদের মেয়াদ শেষ হয়।

22_Parliament_Khaleda+Zia+_030613
জাতীয় সংসদে বেগম খালেদা জিয়া

গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম ও বেগম খালেদা জিয়াঃ
************************************************

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন গং এর পাতানো নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চারদলীয় ঐক্যজোট বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করা হয়। অপরাধ, বেগম জিয়া আপোষ করেন নি বেইমান্দের সাথে, দেশ কে বিক্রি করে ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থ কে পদদলিত করে দেশ ছেড়ে চলে যাননি।নাটকিয় এ নির্বাচনে মহাজোটের প্রায় ২৬০ টি আসনের বিপরীতে চার দলীয় ঐক্যজোট মাত্র ৩২টি আসন লাভ করে।

article-65931bb4-5fe2-4a4a-bcdc-f10f7421bfd2-6Vgv8vDxY-HSK1-972_634x422
৫ জানুয়ারী গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহনের উদ্দেশ্য বের হলে বাকশালী পুলিশের বাধার মুখে গুলশান অফিসের ভিতরে আটকাবস্থায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য ভাষন দিচ্ছেন বেগম জিয়া।

১৩ নভেম্বর ২০১০ বেগম জিয়া তার ২৮ বছরের আবাসস্থল ছাড়তে বাধ্য হন এই সরকারের আইনি জটিলতা ও কু চক্রের মাধ্যমে । তিনি অভিযোগ করেন তাকে বলপ্রয়োগে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। তবে সরকারি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তিনি স্বেচ্ছায় বাসা ত্যাগ করেছেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে জিয়াউর রহমানের সাথে শহীদ মইনুল সড়কের ৬ নম্বর বাড়িতে ওঠেন খালেদা জিয়া। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যূত্থানে নিহত হলে ১২ জুন তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার সেনানিবাসের ওই বাড়িটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেন।

_80062335_025282894-1
এভাবে বিএনপির গুলশান কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখে বাকশালী পুলিশ

জনগণের অধিকার আদায়েল লক্ষে বেগম খালেদা জিয়া লড়ে যাচ্ছেন অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে, জার ফলশ্রুতিতে ৫ই জানুয়ারী মানুষ ভোট প্রত্যাখান করে ঘটায় এক নীরব বিপ্লব। অবৈধ সরকার তার অত্যাচারের খড়গ নামিয়ে এনে বেগম জিয়ার গুলসানস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় ও বাসার সামনে ট্রাক ও ব্যারিকেড দিয়ে একপ্রকার গৃহ বন্দী করে রাখে। বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সহ খাবার সরবারহে বাধা দেবার মত ন্যাক্যারজনক ঘটনাও ঘটায়। ছোট ছেলে তারেক রহমানের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকে হতবিহবল হয়ে পড়লেও গনতন্ত্র পুনুরুদ্ধারের আন্দোলন আপোষহীন ভাবে অবিচল থেকে চালিয়ে গিয়েছেন ও যাচ্ছেন ৭০ বছরে পদার্পণ করা এই মহীয়সী নারী।

blockade-0112
৫ জানুয়ারী নিধারিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহনের জন্য বের হওয়ার পূর্ব মূর্হতে এভাবে বাকশালী পুলিশ গুলশান দলীয় অবরুদ্ধ করে রাখে বেগম জিয়াকে
peeper-spray
বেগম জিয়াকে উদ্দেশ্য করে গেটের বাহির থেকে বাকশালী পুলিশের পিপার স্পে নিক্ষেপ
truck-confine-khaleda
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের দুইপাশে এভাবে বালির ট্রাক দিয়ে আটকে রাখে কার্যালয়ের পথ।

10_BNP+Office_Gulshan_050115_0003

1_20150422_Mahmud-Hossain-Opu0163
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় কারওয়ান বাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করে ছাত্রলীগ যুবলীগ
1429544099-bnp-chief-khaleda-zia-attacked-during-city-election-campaign-in-dhaka_7397600
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় কারওয়ান বাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করে ছাত্রলীগ যুবলীগ
01_khaleda+zia+election+camping_22042015_0050
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় কারওয়ান বাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করে ছাত্রলীগ যুবলীগ
11013116_10153896726113975_6021322529053983284_n-572x330
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় কারওয়ান বাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করে ছাত্রলীগ যুবলীগ
01_khaleda+zia+election+camping_22042015_0057
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় কারওয়ান বাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলা করে ছাত্রলীগ যুবলীগ, অল্পের জন্য বেচে যায় বেগম জিয়া।
koko-buried-01
ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকের কাফিনের পাশে মা বেগম জিয়া

কথিত জিয়া অরফানেজ মামলায় আওয়ামী বাকশাল আদালত আমাদের দেশমাতাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয় গত ৮ ফেব্রুয়ারি।সেই ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ৮ই জুন,১২০ দিন হল আমাদের মা সেই অন্ধকারে বাস করছেন।দেশনেত্রীর জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে নির্বাচনে যেন দেশমাতা আসতে না পারে,নির্বাচন যেন করতে না পারে সেই জন্য এই অপচেষ্টা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের।তবে কথায় আছে,এক মাঘে শীত যায় না।দেশমাতার প্রতি করা জুলুমের,কষ্টের,আঘাতের প্রতি মিলি সেকেন্ডের হিসাব নিবে এদেশের জনগণ ইনশাআল্লাহ্ ।