হতাশা কাটাতে বিএনপির নতুন কর্মপরিকল্পনা

0

জিসাফো ডেস্কঃ সাংগঠনিকভাবে অনেকটা পিছিয়ে পড়া বিএনপি নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে নেওয়া হয়েছে নতুন পরিকল্পনা। আর শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসন এমন সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে নেতাকর্মীদেরকে নির্দেশ দেবেন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলটির গঠনতন্ত্র অনুসারে প্রতি তিন বছর পর পর কাউন্সিল করার বিধান থাকলে তা মানা সম্ভব হয়নি। কখনো এমনও দেখা গেছে প্রায় ১৬ বছর পরে কাউন্সিল হয়েছে। আর সর্বশেষ ২০০৯ সালে ৫ম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই সর্বশেষ ৭ বছরেও কাউন্সিল হয়নি।

তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মনোবলে তাই চলছে জোয়ার ভাটার খেলা। মনোবল চাঙ্গা অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের গুরুত্ব অপরিসীম হয়ে পড়েছে। চাপ বাড়ছে, সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঝুলন্ত সিদ্ধান্তকে চূড়ান্তরূপ দিতে হবে শিগগিরই। রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কর্মীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে দলের হাইকমান্ড শর্ট টাইমের মধ্যে কাউন্সিল করার পক্ষে। এ কাজটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলতি শাসক দলের কাউন্সিলের আগে-পরেই বিএনপিও কাউন্সিল করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিএনপির কর্মপরিকল্পনার মূল বিষয়গুলো হচ্ছে, ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠন, ইউনিয়ণ পরিষদ নির্বাচন। এছাড়াও রয়েছে নতুন করে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচন ও মহাসচিবকে ভারমুক্ত করার সিদ্ধান্ত।

এদিকে, বিএনপির ৭৫ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে প্রায় অর্ধেক জেলার কমিটি গঠিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি কমিটি হবে বলে তারা আশাবাদী। সব দিক বিবেচনায় রেখে কবে কাউন্সিল করা যায় সে সিদ্ধান্ত আসবে স্থায়ী কমিটির এই বৈঠক থেকে। আলোচনা রয়েছে, হতে পারে তা মার্চেই। কাউন্সিলেই দলের মহাসচিব নির্ধারণ করা হবে। ভারমুক্ত হবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর কাউন্সিলেল দিনক্ষণ নির্ধারিত হলেই হবে চেয়ারপারসন নির্বাচন। ২০০৮ সালের কাউন্সিলের আগে চেয়ারপারসন নির্বাচনে ওই পদে বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য কোন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। দলীয় চেয়ারপারসনকে সাংগঠনিক সর্বময় সিদ্ধান্তকর্তা হিসেবে কাউন্সিলের প্রস্তাব করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।