সাভারে আবাসিক হোটেল গুলোতে দেহ ও মাদক ব্যবসা চলছেই

0

জিসাফো ডেস্কঃ সাভার, আশুলিয়া, নবীনগর, জামগড়া, জিরাবো, হেমায়েতপুরও গাবতলী এলাকায় অবস্থিত আবাসিক হোটেলগুলোতে দিনে-রাতে অবাদে নারীদেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদকদ্রব্য হিরোইন, ফেন্সিডিলও ইয়াবা ব্যবসা রমরমা ভাবে চললেও দেখার কেউ নেই। অনুসন্ধানে জানাযায়, সাভার বাস ষ্ট্যান্ড (ওভার ব্রীজ) সংলগ্ন নিরালা হোটেল, সাভার-ইন, ইউনাইটেড আবাসিক হোটেল ও আশুলিয়ার হোটেল স্বর্ণালী , জামগড়ার ডিফান্টাসি, হোটেল রিফাজ ও হোটেল গার্ডেন রোজ, মিলন ইন্টারন্যাশনার, হলিডে, প্যালেঞ্জডি, জিরাবো এলাকার জিরাবো ইন্টারন্যাশনার, হেমায়েতপুর বাসষ্ট্যান্ড এলাকার একটি, ও গাবতলীর দেশবন্ধু আবাসিক হোটেলে দিনে রাতে নারীদেহ ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসাও পুরাদমে চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব আবাসিক হোটেলে নাম মাত্র সাইন বোর্ড থাকলেও এর অনত্মরালে চলছে মাদকদ্রব্য হিরোইন, ফেন্সিডিলও ইয়াবা ব্যবসাসহ নারীদেহ ব্যবসার জমজমাট মহড়া। সাভারও আশুলিয়া থানা পুলিশ কে মাসিক মোটা অঙ্কের মাসোয়ারা দিয়ে এসব হোটেল মালিকেরা চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে জিরো থেকে হিরো হচ্ছে। অপরদিকে স্থানীয় প্রশাসনও মোজ ডুবে ভুরভোজ করছে। যার ফলে এসব এলাকায় দিন-দিন অবৈধ কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব হোটেল গুলোতে কোন রেজিষ্ট্রারের নিয়ম মানা হচ্ছে না। নাম মাত্র রেজিষ্ট্রার আছে তারও কোন কার্যকরীতা নেই। প্রতিটি হোটেল মালিকই স্কুল-কলেজের সুন্দরী মেয়েদের কে আড়ি-আড়ি টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের দেহকে পুঁজি করে ব্যাপক বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে নষ্ট হচ্ছে কমলমতি মেয়েদের জীবন। অন্ধকারে ধাপিত হচ্ছে ঐসব কমলমতি মেয়েরা। এব্যাপারে বিথী নামের এক দেহ ব্যবসায়ী মহিলা জানান, একটি পুরুষ কে ব্যবহার করলে বিনিময়ে পায় ১০০ টাকা। আর মালিক পায় ৫০০ টাকা। এতে সারাদিনে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ জন পুরুষ এর সঙ্গে মিলামেশা করতে হয়। তিনি আরো জানান, আবাসিক হোটেলে চলাচলরত কোন নারীই ব্বৈাহিক জীবনে যাবেনা। কেন যাই না এমন প্রশ্ন করলে। উত্তরে জানান, আবাসিক হোটেলে প্রতিদিন যুবক বৃদ্ধ থেকে শুরু করে স্কুল পড়ুয়া ১৪/১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সঙ্গেও মেলামেশা করতে হয়। আর এসব আবাসিকে আসা প্রায় ছেলেরাই যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেবন করে কাম উত্তেজনা বোধ করছে। ফলে আমাদের শারিরিক কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে স্বাভাবিক মেয়েদের চেয়ে তুলনা মূলক বেশি। তাই দিন দিন হারিয়ে ফেলছে আবাসিকে আসা মেয়েরা তাদের যৌন উত্তেজনা বোধ। তাই এপথে আসা কোন মেয়েই বৈবাহিক জীবনে যেতে চায় না। যদিও বা কেউ কেউ যাচ্ছে তবে কিছু দিন যেতে না যেতেই স্বামী সংসার ফাঁটা বেলুনের মত চুপসে যাচ্ছে। যার কারণে আবারো পূবেই পেশায় লিপ্ত হচ্ছে। একটি সুত্র দাবী করছে এসব হোটেলগুলোতে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র- ছাত্রীরা বেশী আসে। আর এসবই চলছে খুদ পুলিশ প্রশাসনের মদদে যার ফলে এলাকার কোন সচেতন ব্যক্তি বর্গ প্রতিবাদ করেও তার সুফল পাচ্ছেনা। ফলে হোটেলগুলোতে উঠতি বয়সী স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা যৌন আচরনে লিপ্ত হওয়ার নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে। তাই এলাকার সচেতন মহল রব তুলেছে বেড়াই যদি বেগুন খায় করার উপাই কি? খোজখবর নিয়ে জানাযায় সেসব হোটেলে ইয়াবা সহ অন্যান্য মাদক সেবন ও বেচাকেনা হচ্ছে দেদারছে। এর মধ্যে জামগড়ার হোটেল রিফাজ, হোটেল গার্ডেন রোজ, সাভারের সাভার-ইন শীর্ষ স্থানে রয়েছে। দাপটের সাথে-হোটেল মালিকেরা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে অর্থশালী হয়ে উঠছে। কেউ কেউ আবার গাড়ী বাড়ীর মালিক ও হয়েছে। আর এসব এর আশ্রয়-প্রশয় দাতা হিসেবে কাজ করছে আশুলিয়াও সাভার থানা পুলিশ । অপরদিকে সাভার চৌরঙ্গী মাকের্টের সামনে ফলের দোকানে, সিটি সেন্টারের সামনে মুরগীর গিলাকলিজা বিক্রির নামে দোকান বসিয়ে খদ্দ সংগ্রহ করে ছায়া বিথীসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যেয়ে তাদের সঙ্গে অবৈধ মিলামেশা করছে। এছাড়াও ওভার ব্রীজ এর উপরে রাত ১০টার পর থেকে ভ্রাম্যমান ৪/৫ জন পতিতা প্রতিনিয়ত ওভার ব্রীজের উপরেই অবৈধ্য কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ ব্রীজের নিচে হাইওয়ে পুলিশ টহলরত থাকছে। তবুও প্রতিকার করছে না বরং গতকাল সাভার থানা পুলিশের ড্রাইভার পাহারত অবস্থায় থেকে পাতিতাদের অবৈধ্য কর্মকান্ড করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে নবীনগর ফিলিং ষ্টেশন সংলগ্ন, বাস ষ্ট্যান্ড, সাভার সেনা অডিটোরিয়াম সিনেমা হলের পার্শ্বে, এবং জাতীয় স্মৃতিসৌদ্ধ’র সামনের গেটে, প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমানও স্থানীয় ৪০/৪৫ জন প্রতিতা তাদের খদ্দের সন্ধানে ঘুরে বেড়াই। এমনকি স্মৃতিসৌদ্ধ’র ভিতরেও তারা আনাগোনা করে। এব্যাপারে জাতীয় স্মৃতিসৌদ্ধ পুলিশ ক্যাম্পের এক সদস্যর সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, স্মৃতিসৌদ্ধ’র বাহিরে কি হচ্ছে তা আমার দেখার নেই। তা দেখবে থানা পুলিশ। তবে স্মৃতিসৌদ্ধ’র ভিতরে কোন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড কেউ যাতে করতে পারেনা সে ব্যাপারে আমাদের পুলিশও আনসার বাহিনীর সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। এছাড়াও ধামরাই থানা রোডে লাইলী নামক এক মহিলার বাসায় ৪/৫ জন পতিতা তার আন্ডারে নিয়মিত দেহ ব্যবসা করছে। যার দরুন যুব সমাজ দিন দিন নষ্ট হচ্ছে। বাড়ছে অপরাধ কর্মকান্ড । ফলে অভিবাবক মহল তাদের সনত্মানদের জন্য তারা ভীষন উদ্বীগ্ন ও বিচলিত হয়ে উঠছে। পথভ্রষ্ট হচ্ছে তাদের সনত্মানেরা ক্ষতিগ্রসত্ম হচ্ছে তাদের মেধা, হারাচ্ছে তাদের নৈতিকতা। বিষয়টি উদ্ধর্তন প্রশাসনের নজরে নেওয়া প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করছে।