সাইবার যোদ্ধারা আওয়াজ তুলুন

0

জিসাফো ডেস্কঃ: শুধু মাত্র সাইবার এক্টিভিস্ট বলে ‘নব্য রাজাকার’ সম্বোধন করে নিউজ করার ধৃষ্টতা প্রকাশ করতেও দ্বিধা বোধ করলো না একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদেরকে, বানিয়ে ফেললো জঙ্গী।এস. আলম রাজীব, সাইবারে জাতীয়তাবাদী ঝান্ডা হাতে দলের জন্য কাজ করে যাওয়া সুপরিচিত ও সক্রিয় একটি নাম। সরকারী গেজেট লিস্টের তালিকাভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, যার বাবা আলহাজ্ব মোঃ নূরুল আলম সাবেক কেন্দ্রীয় শ্রমিক দল নেতা এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিআইডব্লিউটিসি ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার, সেই সাথে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল-নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক। জাতির শ্রেষ্ঠ এই সন্তানকে শেষ বয়সে হতে হলো জঙ্গীদের মদদদাতা, তার ছেলে এস. আলম রাজীব নাকি আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের নেতাদের সাথে জড়িত আর সে নাকি প্রবাসে থেকে নারায়ণগঞ্জে জঙ্গী কর্মকান্ডে অর্থের যোগানদাতা, সেই অর্থ নাকি আবার বিতরণের কাজে নিয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম সাহেবের অপর ছেলে, এস. আলম ইসরাৎ, যে কিনা সাইবারের অপর একজন জাতীয়তাবাদী সক্রিয় সৈনিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ইউজার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি। তার বড় ভাই এস. আলম রাজীব নাকি দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাইবার ভিত্তিক সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী সাইবার ইউজার দল (BNCUP)’ প্রতিষ্ঠাই করেছেন আন্তর্জাতিক ভাবে জঙ্গী সহযোগিতা নিতে। আমাদের নেতা সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির পূর্বে ও পরে অনলাইনে সোচ্চার ভূমিকা রাখায় এবং তাকে শহীদ বলে সম্বোধন করায়, তারা পুরো পরিবারই নাকি ‘নব্য রাজাকার’।হ্যাঁ, এমনি এক রূপকথার গল্প প্রকাশিত হলো নারায়ণগঞ্জের শামীম গুম-ম্যানের সহযোগী কর্তৃক প্রকাশিত একটি স্থানীয় পত্রিকায়।

12565613_167397033631557_5008823014887943218_n

যেখানে আমাদের শহীদ জিয়াকে নিয়েও কটুক্তি করা হলো, একজন মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে বানানো হলো নব্য রাজাকার ও জঙ্গী। এই এস. আলম পরিবারকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এই প্রচারনা তাদের, হলুদ মিডিয়ার ভিড়ে যখন শহীদ জিয়ার অনলাইন সৈনিকরা সাইবারে যখন সোচ্চার সত্য প্রকাশ করতে, যখন সারা দেশের সকল মিডিয়াকে হাসিনার তল্পি আদালত কর্তৃকনিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় আমাদের নেতা তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য বা বার্তা প্রকাশের উপর, আর সাইবার সৈনিকরা সেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে সকলের মাঝে, ঠিক তখনই তাদের প্রতি হাসিনা সরকারের চরম এলার্জীর আরো একটি জঘন্য উদাহরণ এমন একটি নগ্ন ঘটনা। এর আগে অনলাইনের জনপ্রিয় নাম ও সক্রিয় সদস্য লায়ন আনোয়ার হোসেনে উজ্জ্বল ভাইয়ের ক্ষেত্রেও ঠিক এই একই নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছিলো, আর এবার লজ্জাহীনভাবে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার সন্তানদের বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার !!!এমতাবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে এই পরিবারের দেশে বসবাসকারী সদস্যরা, তারা সত্য প্রচার ও প্রকাশে তাদের ভূমিকা অব্যাহত রাখতে সকল ক্রোধ ভেদাভেদ ভুলে অনলাইন জাতীয়তাবাদী এক্টিভিস্টদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থণ ও দোয়া কামনা করেছেন।উল্লেখ্য যে, নারায়ণগঞ্জের সাবেক এই ছাত্রদল নেতা, বর্তমানের বহিঃবিশ্ব বিএনপির নেতা ও বিএনসিইউপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস. আলম রাজীব বিগত চার দলীয় জোট সরকারের আমলে অনেক অল্প বয়সেই ওস্মানীদের অন্যায় ও সন্ত্রাসদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং ফলশ্রুতিতে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার ব্যবহৃত প্রাইভেট কারে তাকে মারার উদ্দেশ্যে গুলি করা হয়, তার বাসায় ফোন করে সাত দিনের ভিতর তাকে যেখানে পাবে মেরে লাশ পাঠানোর ও গাড়ি জ্বালিয়ে ফেলার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়, বাধ্য হয়ে অবশেষে পারিবারিক চাপে তাকে প্রবাসে পাড়ি দিতে হয় আর পরিবারকে ছাড়তে হয় নারায়ণগঞ্জ। এস. আলম রাজীব প্রবাসে চলে আসার পর তার পরিবার পুনরায় নারায়ণগঞ্জ ফিরে বসবাস শুরু করে। তার বাবাও নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় একজন সুপরিচিত ও স্বণামধন্য ব্যক্তি। শুধুমাত্র দলের প্রতি ভালবাসা থেকে প্রবাসে থেকেও দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে বনে গেলেন এস. আলম রাজীব ও তার পরিবার ‘নব্য রাজাকার’ ও জঙ্গী অর্থ যোগানদাতা, আজ তার এবং তার পরিবারের সাথে এমন হচ্ছে, কাল আপনার আমাদের সাথে হবে।তাই আসুন, আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুলি, এই হায়েনার কবল থেকে আমাদের শহীদ জিয়ার আদর্শের সাইবার সৈনিক ও তার পরিবারকে রক্ষা করি।