সরকার বি এন পি র জনপ্রিয় যে নেতাকে গুম করতে পারছে না তাকে ফাঁসাচ্ছে হত্যা মামলায়- প্রসঙ্গ তাভেল্লা হত্যা ও বি এন পি নেতা কাইউম

0
জঙ্গিবাদ কে উস্কে দেওয়া এবং নিজেরা একেরপর এক খুন গুম করে বিরোধীদল ও রাজনৈতিক নেতাদের দমনের এক জ্বলন্ত উদাহরন স্থাপন করেছে বর্তমান অবৈধ প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। বিদেশী নাগরিকদের হত্যার পর সকল প্রমানাদী থাকা সত্ত্বেও কোন এক অজানা আদেশে  থমকে জায় তদন্ত।সি সি টিভি ক্যামেরা ঠিক ওই সময়ের জন্য হয় অকার্যকর। খুব সহজে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে হত্যা হয় ইতালীয় নাগরিক তাভেল্লা। খুনীরা মটর সাইকেলে করে পালিয়ে যায়।
13480473_10202018083969857_1380659441_n
এই আলোচিত হত্যাকান্ডকে সামাল দিতে সামাল দিতে সরকার একেকদিন উপস্থাপন করে একেক ভিত্তিহীন মন গড়া তথ্য। ফেসবুক আইডি থেকে শুরু করে নানা রকম কাল্পনিক গল্প ফাদে। গ্রেফতার ও করে তথাকথিত কিছু সন্ত্রাসী দের। কিন্তু এসব দিয়ে আড়াল করে ফেলে মুল ঘটনা।কান্ডজ্ঞান হীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও তার নেত্রী একেরপর এক মিথ্যাচারিতা করতে থাকেন বি এন পি র উপরে। কাল্পনিক এইসকল কাহিনীকে দাড় করাতে পাচাটা হলুদ মিডিয়াগুলো উঠে পড়ে লাগে। বি এন পি র জনপ্রিয় নেতা কাইয়ম কমিশনার যেহেতু বাড্ডা গুলশান এলাকার একজন স্বজ্জন নেতা ও কর্মী বান্ধব জনপ্রতিনিধি তাই তাকে সরানোর মাস্টারপ্ল্যান করা হয়। নামাজের থেকে ফেরার পথে আটক করা হয় কাইউম সাহেবের নির্দোষ ভাইকে এবং এখন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক তিনি। কাইউম সাহেব ঘটনার সময় দেশে না থাকলেও কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সকল আইন কে ব্রিদ্ধাংগুলী প্রদর্শন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পুলিশ কে নির্দেশ দেন কাইউম সাহেব কে গ্রেফতারের। কথিত আসামী আটক হলেও প্রকৃত নিয়মে নেওয়া হয়না কোন জবানবন্ধী। চলতে থাকে নাটক।
13487706_10202018084009858_703382149_n
আগামী ৩০ জুন ২০১৬ ইং তারিখে ইতালীয় নাগরিক তাবেল্লা হত্যা মামলার চার্জশীট। হয়ত বা এই বাকশাল সরকার তার ইচ্ছাতেই সব করবে, রিপোর্ট ও দেবে নিজেদের মত বানিয়ে, নিজেদের পোষ্য পুলিশ বাহিনীর কোন এক পোষ্য তদন্ত কর্মকর্তা দিয়ে। কিন্তু কয়েক টি প্রশ্ন থেকে যায়, যে প্রশ্নের উত্তর হয়ত কোনো একদিন উদ্ধার হবে।
১) তাবেল্লা হত্যা পর আসাদুজজামান কামাল কোন তদন্ত ছাড়াই বলে দিলেন কাইয়ুম কমিশনার এই হত্যার সাথে জড়িত। এখানে কোন পুলিশের তদন্ত ছাড়া কোন ভিত্তিতে তিনি এই কথা বলেছেন। 
২) যাদের কে এরেস্ট করা হয়েছিলো তাদের কয়েক জনের এখনো কোন খবর পাওয়া যায় নাই এবং কারো কারো কাছে থেকে নির্যাতন করে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি নিয়েছে।তারা কোথায় এবং এ জবানবন্দীর ভিত্তি কি?
৩) তখন কাইয়ুম ভাই দেশেই ছিলেন না । তার ভাই নির্দোষ তাকে এখনো কেন জেলে ডুকিয়ে রেখেছে?
কাইয়ুম ভাইয়ে জন প্রিয়তাকে সরকার ভয় পায় এই জন্য তাকে ফাঁসানোর পায়তারা করছে । জনপ্রিয়তা কে ভয় পেয়ে ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে, কিন্তু যাকে হাতের নাগালে না পেয়ে গুম করতে পারছে না তাদের কে ফাসানো হচ্ছে মামলায়, যে সকল অপরাধের প্রমান সরকারের গায়ে লেগে আছে রক্ত হিসাবে।