শেখ হাসিনার বুকিং রাখেনি লন্ডনের কোনো ৫ তারকা হোটেল। ডিম, ঝাটা ও জুতার বাড়ির ভয়ে অবশেষে পেছনের পথ ধরে পালায়ন।

0

একটি পাচ তারকা হোটেল ও বুকিং রাখেনি, জায়গা হয়নি লন্ডনের কোনো অভিজাত হোটেল এ , অবশেষে ফেরারী আসামী বা কলংকিত নারীর মত লুকিয়ে রয়েছে আক্সব্রীজ এলাকায় কোনো একটি ব্যাক্তিগত মালিকানাদীন বাড়ী ভাড়া নিয়ে। নিস্তার মেলেনি তবুও , ইউ কে বি এন পি সভাপতি এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ এর  সুযোগ্য নেতৃত্বে গড়ে তোলা প্রবল প্রতিরোধের মুখে বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ও সর্ব কালের শ্রেষ্ঠ স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে চলাচল করতে হচ্ছে অন্য বাসার বাগান এর ভেতর দিয়ে। তাকে রক্ষা করতে পারেনি ইউ কে আওয়ামীলীগ, তুমুল প্রতিরোধের মুখে খড় কুটোর মত ভেসে গেছে তাদের নগন্য নেতা দের লোক দেখানো উপস্থিতি। পচা ডিম, ঝাটা এবং জুতার বাড়িতে অস্থির হয়ে পালিয়েছেন ছাত্র লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নাজমুল সহ অন্যান্য নেতারা। কার্যত শেখ হাসিনা হয়ে পড়েছেন অসহায় এবং অনেকটা গৃহবন্দী। জিয়া সাইবার ফোর্স – এর লন্ডন ইউনিট এর প্রধান ও যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচার সম্পাদক জুল আফরোজ মজুমদার বিগত ২ দিন ই রয়েছেন এই প্রতিরোধে, পালন করছেন অনস্বীকার্য ভুমিকা। ইউ কে বি এন পি সভাপতি এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ এর নির্দেশনায় পালন করছেন দায়িত্ব। কাজ করছেন মালেক ভাই এর সহযোগী হিসাবে। বরাবরের মতই এই বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদের সচিত্র প্রতিবেদন সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোটি মানুষের কাছে লাইভ তুলে ধরেছেন  জিয়া সাইবার ফোর্স – এর লন্ডন ইউনিট এর  উপ-প্রধান ও ইউ কে বি এন পি র উদীয়মান নেতা মোঃ মাইনুল ইসলাম। এর আগের বার শেখ হাসিনার লন্ডন সফরে তুমুল প্রতিরোধে মোঃ মাইনুল ইসলামের সক্রিয় ভুমিকা  ছিল নজর কাড়া। এবারও মোঃ মাইনুল ইসলাম তার শত প্রতীবন্ধকতা এমন কি চাকুরীর উপর হুমকি থাকা সত্ত্বেও নিজ দায়িত্ত্বে রয়েছেন অবিচল।   জুল আফরোজ মজুমদার ও মোঃ মাইনুল ইসলাম আমাদের কে জানাচ্ছেন প্রতি মুহূর্তের সংবাদ ।

15853

যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ এবার যে মূর্খতার পরিচয় দিয়েছে সেটা শেখ হাসিনা ক্ষোভের সাথেই প্রকাশ করলেন। লন্ডনের মোট শহরে এই সংগঠনটি ভালো একটি হোটেলেও বুকিং দিতে পারেনি। সূত্রমতে ২টি ৫ষ্টার হোটেলে বুকিং দেয়ার পরও বুকিং রাখেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ। কারণ এর আগে হাসিনা যতবারই লন্ডনে এসেছেন ব্যাপক বাধার মুখাপেক্ষী হতে হয়েছে। যুক্তরাজ্য বিএনপি হাসিনার হোটেলের সামনে দিনের পর দিন অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ফলে হাসিনার হোটেলে প্রবেশ কিংবা বের হওয়া রীতিমত বিপদজনক ছিল। এমনকি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাও শেখ হাসিনার সাথে দেখা করতে এসে হেনস্থার শিকার হয়েছেন। শেখ হাসিনার করা নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএনপির মোকাবেলায় মুন্যতম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সমর্থ হয়নি আওয়ামীলীগ। এতে তাদেরকে শেখ হাসিনার ক্ষোভ ও কটুবাক্য শুনতে হয়েছে।

এবার লন্ডনে আসার আগেই কয়েকজনকে দায়িত্বটি দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। বলেছিলেন বিএনপির মোকাবেলা করতে হবে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে একাধিক সভাও হয়েছে। সভা শেষে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। আওয়ামীলীগের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় যুক্তরাজ্যের এ নেতা বেশ কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ সোহো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি কে। বলেছিলেন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এবার মালিক সহ বিএনপির দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। কিন্তু তাঁর ঢাকে সারা দেয়নি যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীগণ।

14355762_10202343829593294_6715234808664470000_n
আজ দ্বিতীয় দিনের মত ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরকে ঘিরে যুক্তরাজ্য বিএনপি ও আজ সকাল থেকে নির্ধারিত হোটেলের সামনে বার্কিংহামশায়ারস্থ স্টোক পার্কে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেনা । ঝাড়ু,কালো পতাকা প্রদর্শন ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ছিল স্টোক পার্ক হোটেলের আশেপাশের অলিগলি। বিপরীতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সংখ্যা খুবই নগন্য। ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী সাথে নিয়ে বিক্ষোভের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন আনোয়ারুজ্জামান। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নেতাকর্মীদের এরকম নগন্য উপস্থিতি দেখে মানসম্মান নিয়ে পালিয়ে যান।

14291670_10202346184212158_7807669759937418765_n                 14371965_1284835254868740_2038005942_n14344874_10202346191732346_3655124267881916243_n

এদিকে তীব্র প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনা বের হতে না পেরে অতিরিক্ত পুলিশের সাহায্য নিয়ে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়ির গার্ডেন দিয়ে পালিয়ে বের হবার সুযোগ করে দেয়া হয়। উল্যেখ্য, লন্ডনে শেখ হাসিনার জন্য হোটেল না পেয়ে লন্ডন থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে বাকিংহামশায়ারে গ্রামের একটি স্পা হোটেলে শেখ হাসিনার জন্য রুম ভাড়া করা হয়। হোটেলের ঠিকানা – Stoke Park, Country Club, Spa & Hotel. Address: Stoke Park, Park Road, Stoke Poges, Buckinghamshire, SL2 4PG. অত্যন্ত সরু রাস্তার পাশে হোটেলটির প্রবেশ এবং বের হবার রাস্তা ছিল মাত্র একটি। এ যেন ইচ্ছে করেই খাঁচায় বন্দি করা হয়েছিল। হাসিনার জন্য বিএনপির বিক্ষোভ অবস্থান ডিঙ্গিয়ে এই রাস্থা দিয়ে হোটেলে প্রবেশ কিংবা বের হওয়া ছিল অনেকটা অসম্ভব। যদি না বাড়ির গার্ডেন ব্যবহার করা যেত তাহলে হয়তো শেখ হাসিনা কে উদ্ধার করতে হেলিকপ্টারের প্রয়োজন পড়তো।Stoke Park, Country Club, Spa & Hotel. Address: Stoke Park, Park Road, Stoke Poges, Buckinghamshire, SL2 4PG.

14384056_1284835298202069_1896048059_n                                                14355550_10202346189172282_1681777619112964294_n        14291680_10202346185212183_2805174124654347678_n

দ্বিতীয় দিনের মত বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য  বি এন পির সুযোগ্য সভাপতি এম এ মালেক, সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ, সহ সভাপতি আখতার হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক তাজ উদ্দিন সাবেক ছাত্রনেতা পারভেজ মল্লিক, কামাল উদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান খছরু।লন্ডন মহানগর বিএনপি আহবায়ক তাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবেদ রাজা, আব্দুল কুদ্দুস কদর উদ্দিন খালেদ চৌধুরী,ফয়ছল আহমদ,তারেক চৌধুরী,এড নুর উদ্দিন আহমদ,সৈয়দ জিয়াঊর রহমান, নজরুল ইসলাম মাসুক,শরিফ ইদিদন বাবু,রোমেল আহমদ, আব্দুস সামাদ আজাদ,তুহিন ইসলাম,রবিউল আলম, হাবিবুল গফফার,এমাদুর রহমান,রাজু চৌধুরী,নাসির আহমদ শাহীন, আবুল হোসেন, অঞ্জনা আলম,  যুক্তরাজ্য জাসাস সভাপতি এম এ সালাম, যুক্তরাজ্য জাসাস সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছা সেবক দলের সহ সভাপতি ডালিয়া বিনতে লাকুরিয়া, জিয়া সাইবার ফোর্স – এর লন্ডন ইউনিট এর প্রধান ও যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচার সম্পাদক জুল আফরোজ মজুমদার,ইমতিয়াজ এনাম, হেভেন খান, দেওয়ান নিয়াজ, রহিম উদ্দিন, সোয়ালিহিন করিম চৌধুরী, আফজল হোসেন, দুলাল উদ্দিন,, নুরুল আলী রিপন, জাহাঙ্গীর আহমদ শিমু, জিয়াউর রহমান, জাহেদ আহমদ তালুকদার, আজিম উদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমানসহ বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, মহিলাদল, জাসাস, আইনজীবি ফোরাম অঙ্গসহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।