শুরুতেই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে যুব মহিলা দল

0
ঢাকা: আত্মপ্রকাশের পরই পাল্টাপাল্টি বিবৃতির মধ্যে পড়েছে জাতীয়তাবাদী যুব মহিলা দল।বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে সানজানা চৈতি পপি ও লায়ন হাসিনা মোর্শেদ কাকলী সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক দাবি করে সংগঠনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।
এর একদিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই কমিটির ঘোষণার প্রতিবাদ  জানিয়ে বিবৃতি পাঠানো হয়। অ্যাডভোকেট শাহজাদী কহিনূর পাপড়ি স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়,“ওই দুইজন বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করে বিএনপির চেয়াপারসনের অনুমতি না নিয়ে নিজেদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ কল্পে সংগঠন বিরোধী,অনৈতিক ও চাঁদাবাজী করে যে প্রচার করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বিবৃতিতে প্রস্তাবিত জাতীয়তাবাদী সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের ১৬২ নেতৃবৃন্দের নাম উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রস্তাবিত এ সংগঠনের পক্ষে এ্যাডভোকেট শাহজাদী কহিনুর পাপড়ী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
এতে বলা হয়,‘বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে  সাংবাদিক সম্মেলনে পরিচয় দিয়ে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে। যা মিডিয়ায় প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে।’
এতে আরও বলা হয়,‘বিগত ২ বছরের অধিক সময়ে আমরা যারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এবং বিএনপির রাজনীতির প্রতি আস্থাশীল,অতীতে ত্যাগ ও সুনামের সাথে ছাত্রদল এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম এবং ১/১১ এর পর দলের দুর্দিনে কাজ করেছি,সকলের সম্মতি নিয়ে এবং দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর যুব মহিলা দলের ৮১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর ৮১ সদস্য বিশিষ্ট (প্রস্তাবিত) কমিটি গঠন করি।
বিএনপি শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নির্দেশ মোতাবেক আমরা রাজনৈতিক নিয়মকানুন মেনে যুব মহিলা দলের সাংগঠনিক কমিটি গঠনে কাজ করেছি। যা বিএনপির এবং চেয়ারপারসনের দপ্তরে জমা আছে। বিএনপি চেয়ারপারসন যখনই আমাদের প্রস্তাবিত কমিটি অনুমোদন করবেন তখন থেকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে যুব মহিলা দলের কার্যক্রম শুরু করব।’
‘যারা নিজেদেরকে স্বঘোষিত যুব মহিলা দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে তাদেরকে দলের সকল পদ হইতে দ্রুত বহিষ্কার করে দলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জোর দাবি জানাচ্ছি। তথাকথিত আত্মপ্রকাশকৃত যুব মহিলা দলের সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।’
এদিকে, প্রস্তাবিত যুব মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী এ্যাডভোকেট শাহজাদী কহিনুর পাপড়ী ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যুব মহিলা দল নামে একটি সংগঠনের প্রস্তাবিত কমিটি অনুমোদনের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে জমা দেয়া আছে। তিনি লন্ডন যাওয়ার আগে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে অনুমোদনের আগে যেন এ সংগঠনের নামে আমরা কোনো কর্মকাণ্ড যেন না করি। ম্যাডামের নির্দেশে আমরা কোনো ঘোষণা বা সংবাদ সম্মেলনও করিনি। হঠাৎ করেই সুবিধাবাদী কিছু মহিলা এ নামে কমিটি করার ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তাদের সঙ্গে যুব মহিলা দলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।”
অন্যদিকে আত্মপ্রকাশ হওয়া সংগঠনের সভাপতি সানজানা চৈতি পপি ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কাজ করছি এবং কমিটি ঘোষণা করেছি।আর যারা প্রতিবাদ দিয়েছে তারা মহিলা দলের নেতা।কিন্তু আমাদের এখানে মহিলা দলের কোনো নেতাকর্মী নেই।এরা ভুয়া।”
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষে: এ্যাডভোকেট শাহজাদী কহিনূর পাপড়ী, তাহমিনা খান আওরঙ্গজেব, হালিমা খান লুসি, নাজমা ইসলাম, জাহানারা বেগম, আনোয়ারা শিখা, মাহমুদা চৌধুরী ঝর্না, নাছিমা আলী, শারমিন সরকার নার্গিস, ইরানী হাওলাদার, শামসাদ বেগম মিতালী, ফাতেমা আক্তার কণা, নিলুফা ইয়াসমীন নিলু, এড. নিপু রায় চৌধুরী, মিরানা ইসলাম, জেসমিন জাহান, মিনা বেগম মিনি, মির্জা রোকসানা, শাহীন আক্তার সেজুতী, ফারজানা জাহান নিপা, মমতাজ হোসেন লিপি, সোহেলী পারভীন শিখা, ফরিদা ইসলাম, ফাতেমাতুজ জোহরা রিপা, ফারজানা ইয়াসমীন ববি, শাহনাজ আক্তার, ফাতেমাতুজ জোহরা মিতু, হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, সীমা চৌধুরী, ফৌজিয়া ইয়াসমীন কণা, জান্নাত আরা ঝিনুক, মুনমুন আক্তার, ফারাহ্ কবির নির্ঝর, তন্নী মল্লিক, সাবাততুম সাজিয়া, বিলকিস আক্তার রিতা, ব্যারিস্টার আঞ্জুম, রাশিদা আলম ঐশী, ব্যারিস্টার মরিয়ম খন্দকার, সালমা সুলতানা মিশু, এ্যাড. সাবিনা ইয়াসমীন লিপি, শামীমা সুলতানা দীপ্তি, শাহানা সুলতানা, এড. ইলোরা নাহিদ, ফিরোজা ইয়াসমীন ডেইজী, নিপা ফেরদৌসী, রাজিয়া সুলতানা পলি, আনোয়ারা বেগম, ফাতেমা ইসলাম, নারগিস আক্তার ইতু, নাসরীন বেগম, এলিজা মুন্নি, রেহেনা মমতাজ, পপি রয় (সনাতন), লাভলী সরকার , অংমা খইসারমা, ফারজানা হাবিব লিনা, পারভীন আক্তার (ভাইস চেয়ারম্যান), ফাহমিদা হাসান রিনা, সানজিদা মিতি, মনোয়ারা হেনা, শামসুন নাহার সামু, মাসরুফা সায়মা, সুলতানা আলম, পান্না চৌধুরী, সাবিহা বেগম বিপ্লবী, সারমিন সুলতানা, ইসমত আরা জেরীন, নাসরিন হেনা, গুলশান আরা কাজল, সুলতানা নাজনীন, হাসিনা আক্তার জাহান বীথি, ফাতেমা আক্তার নিশি, উম্মে লুবাবা, বেবি বেগম, মারুফা আক্তার, সোনিয়া শান্তা, সাথী নূরুজ্জামান, টগর জামান।
মহানগর কমিটির পক্ষে নাজমা ইসলাম, জাকিয়া আনার কলি, পারভীন আরা পপি, শারমীন ইসলাম ডেইজী, শিপু ইসলাম, আলেয়া রহমান, মাহফুজা আক্তার বেলী, সালমা আলী টফি, রাশিদা আক্তার, এলিজা শারমিন, জোবায়দা আক্তার সীমা, কমলা আক্তার মিতু, সোনিয়া আহমেদ, মুন্নি আক্তার, কাজল রেখা, আয়েশা আক্তার ডলি, নাজমা আক্তার, শিমুল আক্তার, লুৎফা আক্তার, সাবিহা বেগম বিপ্লবী, ঝর্ণা আক্তার, জুলিয়া আক্তার, কামরুন নাহার রুমি, সাদিয়া আরেফীন শর্মেলী, খন্দকার জান্নাত আরা, শামসুন নাহার রুমা, আসমা আক্তার, সোহেলী সুলতানা, রিনা বেগম, ইশরাত জাহান, নয়মমণি, সায়েরা তিন্নী, ফাহিমা জান্নাত, সেলিনা আক্তার কেয়া, এ্যাড. শাহীন আরা লাইলী, এ্যাড. রাশিদা আলম ঐশী, এ্যাড. শাহনাজ পারভীন জোৎস্না, সীমা আক্তার, জেসমিন আক্তার, সাহারা বেগম, রেহেনা আক্তার, হালিমা খাতুন, পুষ্পা বেগম, সুমী চৌধুরী, রাফিজা আলম লাকী, কবিতা জাহান, মৌসুমী আক্তার মৌ, মমতাজ খান, তানজিলা মোহর পুতুল, আসমা নাহিদ পলি, জেসমিন জুই, ফারজানা আক্তার ইতি, ববি ইসলাম, নার্গিস পারভীন মুক্তি, রাশিদা বেগম বেবী, দীপা আফ্রিদী, মাহিমা আক্তার মাহি, রাবেয়া আক্তার কলি, পলি খানম, আয়েশা আক্তার, অন্তরা ইসলাম, সোহানা খান, ফারহানা আক্তার লুবনা, সুমাইয়া আজিজ, বেনজীর খান, শাহনাজ বেগম, শামসুন নাহার, দিলারা বেগম, মাহমুদা ফাতেমা, নাজমা আক্তার, নাসরীন খান তিনু, মোসাঃ শিল্পী আক্তার, সাদিয়া আক্তার, কামরুন নাহার, আকলিমা সুলতানা শিউলী, মাসুমা আক্তার, ফরিদা সুলতানা, রত্না আক্তার, সানজানা আক্তার ইতি, নাজনীন আক্তার, নূরজাহান বিউটি, আমেনা খাতুন রত্না, ফেরদৌসী বেগম সীমা।