শুভ জন্মদিন হে মহান নেতা জিয়াউর রহমান

0
১৯৭৬ সালের অক্টোবরে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে আসলেন সাংবাদিক কেভিন র‍্যাফার্টি।
কেভিন পুরো বাংলাদেশকে দেখলেন যেই দেশটি মাত্র এক বছর আগে এক দুর্ভিক্ষে পর্যুদুস্ত হয়ে পড়েছিলো। যেই দেশের অর্থনীতি বলতে কিছু ছিল না। সবই চলতো বিদেশী সাহায্যে। যেই দেশে ক্ষমতায় অধিষ্টিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে ডেথ স্কোয়াডের সামনে দাঁড়ানো।
সেই দেশে এসে তিনি জিয়ার সাক্ষাৎকার নিলেন। জানলেন তাঁর কর্ম পরিকল্পনা।
দেশে ফিরে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রতিবেদন করলেন, “Economic Hope for Bangladesh”।
মাত্র এক বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশ্বয়কর অগ্রগতি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশকে “এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন” আখ্যা দিয়ে বলেন মাত্র এক বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিক থেকে দেশটি পেছনে ফেলে দিয়েছে জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াকেও।
সেই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান অন্য গরিব দেশগুলোর মত সাহায্যের আশায় বসে থাকেন না। তিনি বাংলাদেশের মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে চান। আরববিশ্বের দেশগুলোতে মানবসম্পদ রপ্তানি করার ব্যবস্থা করছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সৌদি আরবসহ বহু আরব দেশে মানবসম্পদ রপ্তানি শুরু করতে সফল হন। বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষা করে নয়, বরং কাজের বিনিময়ে অর্থ আদায় শুরু করে। এই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ভর করে উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ।
শুভ জন্মদিন
হে মহান নেতা জিয়াউর রহমান।