শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহারে প্রতিবাদে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ৭০১ জন সদস্যের বিবৃতি

0

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহার করে জাতীয় যাদুঘর থেকে সরিয়ে নেবার সরকারী সিদ্ধান্তে আমরা ও গোটা জাতি বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি সেই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং যুদ্ধ করেছেন। ১৯৭৫ সালে তিনমাসব্যাপী আওয়ামী লীগের নেতাদের নেতৃত্বের রক্তক্ষয়ী লড়াই এবং ক্যু পাল্টা ক্যু এর মধ্যে দেশ যখন দিশেহারা তখন ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেই স্বাধীনতাকে সুসংহত করে এবং জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে একটি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে মুক্ত করে ও তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে বের করে এনে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রবর্তন করে বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন।

বাংলাদেশকে বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের করে এনে ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিতে পরিণত করে উৎপাদন, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের রাজনীতির সুবাতাস বইয়ে দিয়েছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পররাষ্ট্র সকল ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ ও উদ্যম সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বাংলাদেশকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতিই ১৯৭৭ ইং সালে দেশে স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক প্রবর্তন করেন। আওয়ামী লীগ নয়, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারই ২০০৩ সালে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করে। সে বার মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দুজনকেই স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়। এটা ছিল বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরম ঔদার্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্বাচিত একটি সাংবিধানিক সরকারের দেয়া এই সম্মাননা বর্তমান বিতর্কিত আওয়াামী লীগ সরকার প্রত্যাহারের করেছে এবং জাতীয় যাদুঘরে থাকা সেই পদক সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যিনি পদক প্রবর্তন করলেন তার পদকই কেড়ে নেয়া হলো। আমরা সরকারের এই সংকীর্ণতা এবং আত্মঘাতী নোংরা কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদক ফিরিয়ে দিয়ে তা জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষণ করার আহবান জানাচ্ছি।

untitled

                                                                                                                                   president-ziaur-rahman-statement-by-zrf

অধ্যাপক (ডাঃ) ফরহাদ হালিম ডোনার নির্বাহী পরিচালক জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার ছাড়াও বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেন তাঁরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক এ.কে.এম. ওয়াহিদুজ্জামান এ্যাপোলো, ডাঃ আহমেদ শফিকুল হায়দার পারভেজ, অধ্যাপক ডাঃ চৌধুরী মোঃ হায়দার আলী, ডাঃ হারুন-আল-রশিদ, ডাঃ শহিদ হাসান, কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার (বাবলা), অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রকৌশলী আফজাল হোসেন সবুজ, ডাঃ এ.কে.এম. মাসুদ আক্তার জিতু, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আকরাম উল্লাহ শিকদার, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সহিদুর রহমান, ডাঃ সাহাদাত হোসাইন, কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান (তুহিন), কৃষিবিদ ডা. একেএম নাজমুল হক (লিটু), অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মেজবাহ-উল-ইসলাম, জনাব কাদের গণি চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মোঃ মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তফা কামাল আকন্দ, ড. মোহাম্মদ আমির হোসাইন ভূইয়া, ড. আবুল হাসানাত মোঃ শামিম, প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, জনাব মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, জনাব রাশীদ মাহমুদ, ড. শেখ মনির উদ্দিন, প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ ইকবাল, কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামিম প্রমুখ।