লালমোহনে মেম্বার প্রার্থীর হাতের কব্জি কেটে নিয়ে আওয়ামী লীগের উল্লাস

0

ভোলা, ২০ মার্চ : লালমোহনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. জাকির হোসেন ভূইয়ার বাম হাতের কব্জি কেটে নিয়েছে আওয়ামী লীগের অপর মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডারা। এ সময় জাকির ভূইয়ার সমর্থক মঞ্জুসহ ৩ জন আহত হয়। জাকির ভূইয়া ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন (দক্ষিণ) স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেম্বার।

ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ভগ্নিপতি মফিজ মাস্টারের বসত ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

অপরদিকে জাকির ভূইয়ার সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে লালমোহন পৌর শহরের মসজিদ রোডে মহিউদ্দিন ভূইয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং তালা ঝুলিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল ৮ টার দিকে জাকির হোসেন ভূইয়া ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড চর মোল্লাজী গ্রামে নির্বাচনী প্রচার করতে যায়। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষ গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডার রিয়াজের নেতৃত্বে কিছু লোক জাকিরের উপর হামলা চালায়।

এক পর্যায়ে ক্যাডাররা জাকিরের বাম হাতের কব্জি কেটে তাকে পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দিয়ে উল্লাস করতে থাকে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার  অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দুপুর পৌনে ১টায় লালমোহন থেকে হেলিকপ্টারযোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

এঘটনার বিচার দাবি করে তাৎক্ষণিক লালমোহন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘটনার জন্য ধলিগৌরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমকে দায়ী করে অবিলম্বে তাদেরকে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিহাদ বিন-হায়দার ডিকো ও সাধারণ সম্পাদক তানজিম হাওলাদারসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মার্চ দুপুরে মেম্বার প্রার্থী জাকির ভূইয়ার উপর হামলা করে প্রতিপক্ষ মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডাররা। সেদিনও জাকির ভূইয়ার ৪ কর্মী আহত হয়।