বর্তমান সরকার অগণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক,মহাসচিব মির্জা ফখরুল

0

জিসাফো ডেস্কঃ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া দেশে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবেনা বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার স্বৈরাচার এবং তারা একনায়কতন্ত্র চাপিয়ে দিয়েছে। এই সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। তাই আমরা আবারো বলব- লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং নির্বাচনকালিন সহায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবেনা।

শুক্রবার সকালে ঢাকা মহানগরীর উত্তর ও দক্ষিণের নতুন নেতৃত্বকে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন। সকাল সোয়া ১১টার দিকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে মহানগরীর দুই অংশের নেতৃবৃন্দ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় ঢাকা মহানগরীর সদ্য ঘোষিত কমিটি আন্দোলন ও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মির্জা ফখরুল।তিনি বলেন, ‘নতুন কমিটি আজ শপথ নিয়েছে যে, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন তারা আরও বেগবান করবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান সরকার অগণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক। তাই আমাদের দাবি নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ ও সহজ সরকার।’ তিনি বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। তা না হলে তা দেশের জনগণের কাছে তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। কারণ বিগত দিনে বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি।’

মির্জা ফখরুল এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এক বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন- বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনেও ব্যর্থ হবে। আমি বলতে চাই- এটা উনার ব্যক্তিগত মত। উনারা পুলিশ ও সরকার নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন ছাড়া নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করুক। তাহলেই বোঝা যাবে কাদের জনপ্রিয়তা আছে আর নেই।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক, আমানউল্লাহ আমান, অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানসহ ঢাকা মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১৮ এপ্রিল রাতে ঢাকা মহানগরকে দুই ভাগে ভাগ করে (আংশিক) কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। বিদায়ী কমিটির সদস্য সচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে সভাপতি ও কাজী আবুল বাশারকে সাধারণ সম্পাদক করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার ৭০ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়।

একইভাবে এমএ কাইয়ুমকে সভাপতি ও আহসান উল্লাহ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে উত্তর শাখায় ৬৬ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।