রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীকেই বিভিন্ন দেশে যেতে হবে;বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

0

জিসাফো ডেস্কঃ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সরকারকে দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেই বিভিন্ন দেশে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, আজকে ভারত ও চীনের কথা বলা হচ্ছে বার বার যে তারা মিয়ানমার সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। তাদের কাছেও যেতে হবে তাদেরকে বুঝাতে হবে যে এটা আমাদের জন্য কি ভয়াবহ পরিণতির দিয়ে নিয়ে আসছে। মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ঠিক হবে না। কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সেমিনার হল রুমে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। সংগঠনের ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মহিলাদল।

সংগঠনের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন-বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরে আরা সাফা, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ হেলেন জেরিন খান, ঢাকা জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, সাবেক এমপি রওশন আরা ফরিদ, চট্টগ্রাম জেলা মহিলা দলের সভাপতি জেলী চৌধুরী এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রহিমা শরীফ মায়া প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে তারা ভয় পাচ্ছে। তারা বলে যাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অস্ত্র ও জঙ্গি আসছে। যা আমাদেরকেও উৎকণ্ঠিত এবং আতঙ্কিত করছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মত আর কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। যে সরকার নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনও নিরপেক্ষ হতে হবে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেদিকে যেতে রাজি নন। আমরা নির্বাচন করতে চাই।

নির্বাচনে ভয় পাই না। কিন্তু আওয়ামী লীগ নির্বাচনে ভয় পায় বলেই তারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হয়। আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে না।