রামগঞ্জ উপজেলায় ভীনদেশী মাগুরের হাত থেকে বিএনপি কে বাঁচান

0

জিসাফো ডেস্কঃ পুকুরে যদি আপনি অন্যান্য মাছের সাথে ভীনদেশী মাগুর মাছের চাষ করতে যান তবে দেখবেন মাস দুয়েকের মধ্যে অন্য জাতের মাছ গুলো বিলীন হয়ে আপনার পুকুর কেবল ভীনদেশী মাগুরের অভয়ারণ্য হয়ে যাবে! ঠিক এর কয়েক মাসে যদি আপনি পর্যাপ্ত খাদ্য দিতে অক্ষম হোন তবে তবে লক্ষ্য করে দেখবেন” ভীনদেশী মাগুর দের মধ্যে শক্তিশালী গুলো দুর্বল অসহায় গুলো কে খেয়ে সাবাল করে দিবে” আন্দোলন/সভা সমাবেশ থেকে শুরু করে রাজপথেও দেখা মেলা না এমন নেতাদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় প্রায়শই বিএনপিতে বয়ে যায়… তৃনমূলের বুক ভাঙা আর্তনাদ আর সমালোচক দের শত সমালোচনা র মাঝেও উপরের স্থর থেকে শুরু করে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বেশ কিছু বিতর্কিত নেতার পদে তবিয়ত থাকার বিষয়ে আমরা তৃনমূল সত্যিই বিস্মিত /হতবাক/নির্বিকার ও বটে… স্বৈরাচারী হাছিনা সরকারের(অবৈধ)মুষ্ঠি থেকে গণতন্ত্র পুণঃউদ্ধারের যে সংগ্রাম দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবিরাম চলমান রেখেছেন সেই সংগ্রামে ২০ দলীয় জোটের সকল দলের ব্যক্তিদের শামিল থাকা ও সহযোগীতায় আমরা অবশ্যই একটি আশানুরূপ সফলতার স্বপ্ন দেখি!

লক্ষীপুর জেলার অন্তর্গত রামগঞ্জ উপজেলা নিয়ে বেশ কিছু দিন আগেও দু লাইন লেখার চেষ্টা করেছিলাম”কিন্তু ওই যে ভীনদেশীয় মাগুরের মুখে সাধারণ মাছের প্রাণ ধরে রেখে জীবন ধারণ করাটা মুশকিল! নিজ দলীয় সমর্থক/কর্মী দের মাঝে হতাশায় রেখে যে নেতা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তার পদে তবিয়ত থাকার বিষয়টি আসলেই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার! নাজিম ঊদ্দিন আহম্মেদ”সাবেক সংসদ সদস্য ও সভাপতি রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপি(রামগঞ্জ) উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন/সংগ্রামে উপস্থিত না থাকার অভিযোগ সহ তৃনমূল কর্মী সমর্থক দের পাশে না দাঁড়ানো অসহায় বিএনপি কর্মীদের পরিবার গুলো কে অসহযোগী তা করার বহু প্রমাণ পাওয়া যায়! এইবার তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ টা পাওয়া যায় সেটি হলো..উক্ত উপজেলার সন্তান ২০ দলীয় জোটের শরিক দল এলডিবির যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিমের গ্রামের বাড়ি করপাড়ায় হামলা চালানো! গত ২৭ তারিখ ঈদের পর দিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে ১৫/২০ জনের একটি স্বসস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ শাহাদাৎ হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা চালায়!এসময় তারা তার বাসভবনে ভাঙচুর সহ কোন ধরণের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে যেন অংশগ্রহণ না করে তার জন্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম কে হুমকী প্রদান করা হয়! হামমার পর স্থানীয় জনগণ বরাবরই এ ঘটনার জন্য উপজেলা বিএনপি সভাপতি নাজিম ঊদ্দিন আহম্মেদের দিকে আঙুল তোলে!স্থানীয় রা জানায় উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ ছাত্রলীগের সাথে গোপন সুসম্পর্ক থাকায় নাজিম ঊদ্দিন আহম্মেদ এর আগেও রামগঞ্জ উপজেলার বহু ত্যাগী ও পরিশ্রমী বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা করিয়ে ছিল! তার মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে..উক্ত উপজেলায় সে বাদে আর কোন নেতা/ছাত্রনেতা যেন রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে! শাহাদাৎ হোসেন সেলিম ‘অত্যান্ত ক্ষোভের সাথে জানায়..আমার বাড়িতে হামলা কেন আমাকে খুণ করলেও আমার কোন আপত্তি থাকবে না তবে আমার প্রশ্ন একটাই সেটি হচ্ছে অত্র উপজেলায় বিএনপি কে ধ্বংস করার যে কৌশল নাজিম ঊদ্দিন আহম্মেদ অবলম্বন করে যাচ্ছেন এবং স্থানীয় কর্মী সমর্থক দের এত শত অভিযোগের পরেও কিভাবে উক্ত ব্যক্তিকে দেশ মাতা এখনো রামগঞ্জ উপজেলার মত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন?

শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন..আমি রামগঞ্জ উপজেলায় কখনো কিছু পাওয়ার জন্য আসিনী”আসবোও না! তবে সবার সাথে আমিও দেশ মাতার প্রতি অনুরোধ জানাবো ভীনদেশীয় এই মাগুর মাছ বাদে যোগ্য ও ত্যাগী যাকেই নেত্রী দায়িত্ব দেন আমরা তার পক্ষেই এলাকায় জনমত ঘটিয়ে উক্ত উপজেলাকে স্বৈরাচার মুক্ত করার সংগ্রাম শুরু করবো!