যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্ট হওয়ার আগে আপনি পদত্যাগ করে চলে যান।”- রুহুল কবির রিজভী

0

রোববার এক আলোচনা সভায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, “যাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে অনুরোধ করব, যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্ট হওয়ার আগে আপনি পদত্যাগ করে চলে যান।”জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতা ফোরামের উদ্যোগে ‘নবগঠিত নির্বাচন কমিশন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব‌্য রাখেন রিজভী।এবার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠন করার পর তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিএনপি। এরপর ইসি গঠনের পরও একই প্রতিক্রিয়া আসে দলটি থেকে।

রিজভী বলেন, “আমরা সার্চ কমিটি নিয়েও আপত্তি তুলেছিলাম। তারা যেটা করেছেন, তা আজকে স্পষ্ট। আমি মনে করি যে, রাষ্ট্রপতি বলুন, সরকার বলুন, সার্চ কমিটি বলুন- সব একাকার। একই ঝাঁকের কৈ।“প্রধানমন্ত্রী যাকে পছন্দ করেছেন, তাকেই সিইসি নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ কোনো কিছু আবিষ্কার করা বা পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। তারা এক ব্যক্তির ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন, ঘটাবেন।”

নূরুল হুদাকে ‘জনতার মঞ্চের লোক’ বলে দাবি করেন রিজভী; যদিও সাবেক এই আমলা ওই ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।রিজভী বলেন, “তিনি (নূরুল হুদা) কাজী রকীবউদ্দিন মার্কার চাইতেও আরও খারাপ নির্বাচন করার জন্য সরকার তাকে মনোনীত করেছেন, আর রাষ্ট্রপতি তার অনুমোদন দিলেন।

“এই ধরনের আজ্ঞাবাহী, এই ধরনের সেবাদাসমূলক ব্যক্তির অধীনে কখনোই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।”সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি নেতা বলেন, “আমরা বাংলাদেশে একজন লেডি ফেরাউনের কর্তৃত্বে বসবাস করছি। সুতরাং তার পরার্মশে কী ধরনের সিইসি হবেন, তার মনোনীত ব্যক্তিই হবেন।

“তিনি পুতুল নাচের মতো পুতুলের এর সুতা নাড়াবেন, উনি যেভাবে সূতা টান দেবেন, সেভাবে হুদা সাহেব নাচবেন, যেভাবেই কাজ করবেন।”স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমীন, নিপুণ রায় চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।