যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নবজাতককে জ্যান্ত কবর!

0

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বলেছেন শিশুটি ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জন্ম নিয়েছে এবং তাকে ইচ্ছা করে জ্যান্ত কবর দেয়া হয়েছিল।

ঘটনাটা এইরকম- এঞ্জেলিকা ব্লাউন্ট এবং তার বোন ইভাঞ্জেলিকা যখন শুক্রবার রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন ঠিক সেইসময় ইভাঞ্জেলিকা প্রথম হঠাৎ কান্নার শব্দ শুনতে পান। তিনি থমকে গিয়ে তার বোনকে বলেন, ‘তুই কি কোনো কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছিস!’ এঞ্জেলিকা অনিশ্চিত উত্তর দেন, ‘এটা বোধ হয় কোনো বিড়ালের ডাক!’ কিন্তু ইভাঞ্জেলিকা ততক্ষণে বুঝে ফেলেছেন। তিনি বলেন, ‘না, এটা বিড়াল না, একটি বাচ্চার কান্নার আওয়াজ!’ এরপর তারা দ্রুত পুলিশে খবর দেন।

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগের দুইজন সদস্য বাচ্চাটিকে উদ্ধার করেন ফুটপাথের ভাঙা পিচের টুকরার ফাটল থেকে। উদ্ধারের পর দেখা যায় নবজাতক একটি কন্যা শিশু। পুলিশ জানিয়েছেন, শিশুটি হাসপাতালের একটি চাদরে মোড়ানো ছিল এবং তার শরীর ছিল ঠাণ্ডা।

লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের সার্জেন্ট মারভিন জারামিলা সাংবাদিকদের বলেছেন, শিশুটির গায়ের চাদর দেখে বোঝা গেছে কোনো হাসপাতালে তার জন্ম হয়েছে। শিশুটিকে উদ্ধারের পরপর প্যারামেডিকরা প্রথমে তার যত্ন নেন, তারপর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশের মতে, শিশুটি যে এখনও বেঁচে আছে এবং সুস্থ আছে সেটা ভাগ্যের ব্যপার।

এ ধরণের ঘটনা লস অ্যাঞ্জেলেসের মত জায়গায় খুবই অদ্ভুত, কারণ লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘বেবি সেফ সারেন্ডার প্রোগ্রাম’ নামের একটি কার্যক্রম চালু রয়েছে যেখানে যে কোনো বাবা-মা চাইলেই বিনা প্রশ্নে তাদের সদ্যজাত সন্তানকে সেখানে রেখে আসতে পারেন। শিশুকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয় এই প্রোগ্রাম।

সেটা না করে শিশুটিকে এভাবে ফেলে রেখে যাওয়ার কারণ বোঝা যাচ্ছে না, তবে শিশুটির বাবা-মাকে খুঁজে পেলে তাদের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা চেষ্টার দায়ে খুনের মামলা হবে।