মুক্তি মিলল না: মির্জা আব্বাসের

0

জিসাফো ডেস্কঃ প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে দেওয়া জামিন স্থগিত করেননি চেম্বার বিচারপতি। আগামী ১৪ মার্চ এ বিষয়ে আপিল বিভাগের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের করা আবেদনের শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার এ আদেশ দেন। এর আগে গতকাল বুধবার বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোট বেঞ্চ মির্জা আব্বাসকে জামিন আদেশ দেন। মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন সাংবাদিকদের বলেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দের অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা এক মামলায় আজ হাইকোর্ট জামিন দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের এ মামলাসহ তিনটি মামলা ছিল। সব মামলায় তাঁর জামিন মঞ্জুর হওয়ায় আপাতত কারামুক্তিতে বাধা ছিল না। আইনজীবী আরো বলেন, ‘এ মামলায় এফআইআরে মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না, কিন্তু পরবর্তী সময়ে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদনে আব্বাসের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’ এর আগে একই মামলায় হাইকোর্ট মির্জা আব্বাসকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন। রুলের নিষ্পত্তি করে আজ মির্জা আব্বাসকে জামিন দেওয়া হয়। বর্তমানে বিএনপির এ নেতা বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, বিএনপি জোট সরকারের আমলে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্লট বরাদ্দের বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের মাঝে যেসব প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন তাতে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলা করে দুদক। সে মামলায় জামিন চাইতে গিয়ে গত ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। শুনানি করে বিচারক তাঁকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জামিন আবেদন করেন তিনি।