মনীষা হত্যার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দিতে বিলম্ব ও রিপোর্ট ভীন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা

0

জিসাফো ডেস্কঃ মেয়েটির নাম মনীষা পুরো নাম ফাতেমা তুজ জহুরা মনীষা।মনীষা উত্তরা মাইলস্টোন কলেজ এ H.S.C Batch 2016…B.St D girls এর ছাত্রী ছিলো।সবার মতই হাসিখুশি ছিলো মেয়েটা।কলেজ থেকে পাশ করে লালমাটিয়া মহিলা কলেজ এ অনার্স এ পড়তো সে….বিয়েটা মনে হয়, একটু তাড়াতাড়ি ই হয়ে গেলো…..

কিন্তু বিয়ের ১৬ মাসের মধ্যে তাকে হতো হলো লাশ।শ্বশুর বাড়ির নির্যাতন এই যুগেও এখনো রয়ে গেলো ।যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় খুব অত্যাচার করতো শ্বশুর শ্বাশুরীসহ স্বামী ও ননদ। বাধ্য হয়ে পিতা হাজী মোস্তফা কামাল,১লক্ষ টাকা দিয়ে ছিলেন।এছাড়া একটি প্রাইভেকার দেয়ার কথা ছিল যা তিনি কিছু দিন চেয়ে নিয়েছিল।কিন্তু সে সময় আর হলো না।অবশেষে লাশ হয়ে যেতে হলো মনীষাকে।

মনীষা হত্যাকারী,তারেকের মামা ঢাকা মহানগর (উত্তর) যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ শামিম দেওয়ান।সূত্র জানায় যে খুনী পরিবার এই শামিমে ছত্র-ছায়ায় রয়েছে।মনীষার আত্মীয় একজন বলেন,টাকা দেখলে কাঠের পুতুলও কথা বলে তেমনটি হয়েছে যৌতুকের জন্য নিহত মনীষার পোস্টমর্টেম রিপোর্টের বেলায়ও ডাক্তাররা আজও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দিচ্ছে না।
আর না দেয়ার কারন খুনী তারেকের পরিবার ডাক্তারদের মোটা অংকের টাকা দিয়েছে।এছাড়া পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ভীন্নখাতে নেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

কিন্তু পুলিশ বলছেন ভীন্ন কথা,খুনীরা যে দলেরই হোক আর ক্ষমতাশাীন হোক আমরা আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিবো।

তবে,এ মামলা নিয়ে পুলিশ তেন কোন তৎপরতা দেখাচ্ছে না।

মনীষার বাবা অভিযোগ করেন, আসামিরা সবাই পালিয়ে বেরাচ্ছে। পুলিশ তাদের রহস্যজনক কারণে গ্রেফতার করছে না। আসামিরা বাইরে থেকে মনীষার লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি একজন অসহায় পিতা। আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। এমন দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখে আর কোনো যৌতুকলোভী স্বামী যেন এ ধরনের অপরাধ না করতে পারে। এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মনীষার স্বামী যেন দেশের বাইরে যেতে না পারে তার জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে নিহতের স্বামী কেএসএম খালেকুজ্জামান তারেক, বাবা আক্তারুজ্জামান, মা নাজমিন জামান ও ভাই ওয়াহিদকে।