মওদুদ আহমেদের ছেলের লাশ ঢাকায়

0

ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের একমাত্র ছেলে আমান মমতাজ আহমদের মরদেহ বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জানাজা শেষে ফরিদপুরে নানা বাড়ি কবি জসিম উদ্দীনের কবরের পাশে দাফন করা হবে আমানকে।

বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কফিন ঢাকায় নিয়ে আসেন মওদুদ ও তার স্ত্রী হাসনা মওদুদ।

এ সময়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাহান ওমর, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, সাবেক হুইপ শহিদুল হক জামাল, কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরী, আবেদ রাজা, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টুর স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ৮টায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গুলশানে মওদুদের বাসায়। সেখানে কফিন পৌঁছালে আত্মীয়-স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী রফিক-উল হক, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান, এম মোরশেদ খান, মাহবুবউদ্দিন খোকন, শ্যামা ওবায়েদ, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, টি আই ফজলে রাব্বী চৌধুরী, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, স্বাধীনতা ফোরামের আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, সাবেক নিবার্চন কমিশনার ছহুল হোসেন, প্রয়াত কাজী জাফর আহমদের বড় মেয়ে কাজী জয়া কবির, সৈয়দ আলমাস কবির প্রমুখ।

এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে কফিন ইউনাইটেড হাসপাতালের হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হাই কোর্ট মাজার মসজিদে আমান মওদুদের জানাজা শেষে লাশ হেলিকপ্টারে করে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। শুক্রবার বিকেলে গুলশানে মওদুদ আহমদের বাসভবনে আমানের কুলখানি হবে।

গত মঙ্গলবার সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার সময় আমান মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর।

উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর জ্বরে আক্রান্ত হলে আমানকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে।