বয়ফ্রেন্ডের ফাঁদে কুখ্যাত নারী মাফিয়া

0

ঢাকা: বয়স ত্রিশের কোটায়। বেশ সুন্দরীও। এই বয়সেই গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক সাম্রাজ্য। সেই সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী মেলিসা মারগারিতা ক্যালডেরন ওজেদা। সাম্রাজ্যের সম্রাটও আছে, পেড্রো। তবে সম্রাজ্ঞীর অধিনস্ত, সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই পেদ্রোও কিন্তু ধোয়া তুলসিপাতা নন। অন্তত ১৮০টি খুনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অপহরণ করে অপহৃতের বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণ চাওয়া, না মিললে অপহৃতের বাড়ির সামনেই তার লাশ ফেলে আসাটা এই নারী মাফিয়া মেলিসার কাছে বাম হাতের কাজ। কিন্তু তার পরিণতি যে এরকম হবে- কে জানতো?

মেলিসার সহযোগী পেদ্রো মেক্সিকোর সবচেয়ে কুখ্যাত ড্রাগ মাফিয়াকে ভালোবাসতেন গভীরভাবেই। আদর করে ‘পাগলি’ ডাকতেন তাকে। সেই প্রেমিক পেদ্রোই কিনা শেষমেশ তার প্রেয়সীকে ধরিয়ে দিল পুলিশের কাছে!

তবে পুলিশ তাকে ধরতে পেদ্রোকে ব্যবহারও করেছে বেশ সুকৌশলে। পেদ্রোর ওপর থেকে সব অপরাধের চার্জ তুলে নেয়া হবে এমন টোপেই এতদিনের সম্পর্ক ভুলে গত শনিবার পুলিশের কাছে মেলিসার গোপন আস্তানার খোঁজ দেয় পেদ্রো। পুলিশও সুযোগ বুঝে মেলিসাকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেলিসার বায়োগ্রাফি বেশ আকর্ষণীয়। দেখতে এশীয়দের মত বলেই ড্রাগ পাচারকারীরা তাকে ডাকতেন– ‘লা চিনা’ বলে। পেশা খুব বেশিদিনের নয়। ২০০৫ সালে অসৎসঙ্গে পড়ে এই ব্যবসায় হাতেখড়ি। এল চ্যাপো গুজম্যানের হাত ধরে উত্থান। তিন বছরের মাথায় ২০০৮ সালের মধ্যেই ড্রাগ হয়ে যান মাফিয়া। গরম মাথা ও সুন্দর চেহারার জন্য এ সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী হতে বিশেষ দেরি হয়নি।

তার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের প্রোফাইলটি ঘেঁটে জানা যায়, বন্দুক ও সুন্দর পুরুষের প্রতি মেলিসার বিশেষ দুর্বলতা ছিল। শেষমেশ এই সুন্দরী মাফিয়া এখন পুলিশি হাজতে।