বেশ্যা আর কুকুরের কোন ধর্ম জ্ঞান নেই, প্রসঙ্গ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী ও একপেশে বিচার ও কিছু প্রশ্ন

0

অত্যন্ত বিস্ময়কর গবেষণামমূলক তথ্য ,মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীর বিচার : রাজাকার ও সালাউদ্দিন কাদের প্রসংগঃ

images

স্থান, কাল, পাত্র ভেদে, ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সম্পুর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে জাতির বিবেকের কাছে ১৫ টি প্রশ্ন ২৫ টি তথ্য আর ১ টি মন্তব্য যা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী বিচারের সংজ্ঞা পাল্টে দিতে পারে :

প্রথমত আমি মুক্তিযুদ্ধে ১০০% বিশ্বাসী,স্বাধীনতার আমার পরম পাওয়া, এক সাগর রক্তে বিনিময় আমরা পেয়েছি এই স্বাধীনতা স্বাধীনতা আমার শ্রেষ্ঠ সম্পদ বাংলাদেশ আমার গর্ব,আমি সকল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধ একটি নিষ্পাপ অনুভুতির নাম আমার মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ৪৪ বছরের স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন সম্পর্কে কতগুলো ধারনা আছে যা আমাদের সকলের জানা খুব গুরুত্বপুর্ন। আর আমি সেটা আপনাদের কাছে শেয়ার করতে চাই।জাতির বি্েকের কাছে ১৫ টি প্রশ্ন, সেই ১৫ টি কথা হচ্ছেঃ

১।”ভুয়া মুক্তি যোদ্ধা” এটা কোন ধরনের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা?

২।মুক্তিযুদ্ধের ক্রেস্ট এ স্বর্ন ভেজাল কারা দিল? আর কেনই বা দিল?তাহলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কই?

৩।আমার দেশে আজ ভোট নেই,ভোট ছাড়া গনতন্ত্র কি হয়? তাহলে গনতন্ত্র যেখানে নেই সেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোথায়??

৪।খুন বা গুম, ক্রস ফায়ার হচ্ছে আজ প্রতিদিন এই সোনার বাংলায়, তাহলে এটা কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা?

P1_Lead_2

৫।ব্যাংক লুট,সেতু বানানোর টাকা লুট,শেয়ার বাজার লুট বা রানা প্লাজা ধস,বা তাজরিন অগ্নিকান্ড, বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড এইগুলো কি ১৯৭১ এর স্বপ্ন ছিল?

৬।বি সি এস,এইস এস সি,এস এস সি বা অন্য কোন পরিক্ষা হলে নকলের উৎসব,এটা কিসের, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা?

৭।পুলিশ,র্যাব অন্য কোন ডিফেন্স বাহিনীর বেপোরোয়া চাঁদাবাজি, ঘুষ,দুর্নিতি, খুন,ইয়াবা বা সোনা চোরাচালান আর ধর্্ষন,এগুলো কোন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা??

৮।কাদের সিদ্দিকি,মেজর জিয়া,এ,কে খন্দকার,এম এ জে ওসমানি,মেজর জলিল যদি রাজাকার হয় তাহলে মুক্তিযুদ্ধ করলো কারা? মুরগী শাহরিয়ার আর মুনতাসির মামুনরা মুক্তিযুদ্ধের সময় কই ছিলেন?

৯।আমি ব্যাক্তিগতভাবে কোন দলীয় রাজনীতি করিনাআমি জামাআত শিবিরের সাথেও জড়িত নই কিন্তু সত্য কথা বলেছি,একজন  নাগরিক হিসেবে আমার সাংবাধানিক অধিকার।

Traibonal

১০। আমি অবশ্যই সত্যিকারের যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।ফাসিঁ চাই,শাস্তি চাই,জামাতের সবাই যদি সত্যিকারের যুদ্ধাপরাধী হয় আর তা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হয় তবে সবার ফাঁসী চাই।তবে সে বিচার হতে হবে আন্তর্জার্তিক ল’ অনুযায়ী। আর সেই বিচার হতে হবে নিরেপেক্ষ, রাজনীতিক প্রভাব মুক্ত
বিচারপতি নিজামের “স্কাইপি কেলেংকারী”আর “সুখরঞ্জন বালী অপহরন” করে ভারতে নিয়ে যাওয়া,কিসের আলামত বলুন তো?

১১।মেজর এম এ জলিল,এ কে খন্দকার,এম এ জি ওসমানি কমরেড মাঈনুদ্দিন মাইদুল হক,জেনারেল রুহুল আমিন (অবঃ),জেনারেল ইবরাহীম, আপনি ওনাদের লেখা বইগুলো কি পড়েছেন?
উনারা

সব মহান মুক্তিযোদ্ধে বিশাল মহান যুগান্তকারী স্বর্নজ্জবল অবদান রেখেছেন। ওনাদের লেখা বই গুলোতে স্পষ্ট বলা আছে, ১৯৭১ সালে জামায়াত বা মুসলিম লীগের কেউ কেউ রাজণৈতিকভাবে নিরব ছিল কারন তারা বিশ্বাস করতোযে এটা ভারতের ষড়যন্ত্র।ভারতেরষড়যন্ত্রে জামায়াত পা দেয়নি।তাই বলে জামায়াত বা মুসলিম লীগের কেউ কেউ কেন্দ্রীয় ভাবে কোন নির্দেশ দেয়নি যে নারিদের ধর্ষন করো কিংবা মানুষ হত্যা করো, সম্পদ নষ্ট করো।ঐ সময়ে জামায়াতের মধ্যে কেউ কেউ যুদ্ধাপরাধে জড়িত ছিল যা কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দেশ ছিলনা।আপনি বা আমি কি করে বলি সব জামায়াত নেতা বা অমুক নেতা সাকা চৌধুরী যুদ্ধাপরাধী ছিল? সবাইকে ঢালাও অপবাদ দেয়া তো আরেক ফিতনা!!এই যে আলকায়েদা এত হত্যা কান্ড ঘটাচ্ছে এটার জন্য কি সব মুসলিম দায়ী?

১২।আপনি ঠান্ডা মাথায় আপনার বিবেক কে প্রশ্ন করুন,আপনি বলেন শুধু ধারনা আর ২/৪ টা পুরোনো ছবি আর পেপার কাটিং দিয়ে তো কাউকে দোষী করা যায় না।আইয়ূব,ইয়াহিয়া,মোনায়েম,টিক্কা খানের সাথে মিটিং আর ছবি আছে আমাদের কাছে সেখানে তো বঙ্গবন্ধু ঐ আইয়ূব,ইয়াহিয়া,মোনায়েম,টিক্কা খানের সাথে মিটিং করেছেন। সে মিটিং,তো সাইয়্যেদ নজরুল ইসলামও করেছেন,সে মিটিং,ওসমানিও করেছেন।মিটিংয়ের ছবি দিয়ে ঢালাওভাবে রাজাকার আর যুদধাপরাধী বলা যায়না ও যাবেওনা।
আমিও চাই সত্যিকারের যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসী হোক কিন্তু রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া যায়না।কখনো না সময় সত্যি কথা বলবেই—আজ না হয় কাল সত্যকে কখনই মিথ্যা দ্বারা ঢেকে দেয়া যায়না,লুকানো যায়না,সত্যই সুন্দর,সত্যের বিজয় অবশম্ভাবী I

 ১৩. আমার জন্ম ১৯৭১ এর অনেক পর, তবে আমার রক্তেও মুক্তিযোদ্ধার রক্ত সদা বহমান, আমিও ১৯৭১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সকল সত্যিকার যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধী, খুন, হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষণের আন্তর্জাতিক মানের সুস্পষ্ট তথ্যবহুল সুবিচার চাই, ফাঁসি চাই, আপনিও তাই চানতো? নাকি আপনি শুধু ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান? আমি এটা এই জন্য বললাম যে, বর্তমানে আমি বাকশালের প্রেতাত্মায় ভর করে হিটলার মিডিয়া আর তাদের দোসরদের দেখতে পাচ্ছি যারা শুধু ৭১ এর হত্যা নিয়ে মেতে আছেন, যারা ১৯৯০ এ খুন হলেন তাদের কি বিচার করবেন না? স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ মিলন, মঞ্জুর হত্যাকান্ড, শহীদ জিহাদ হত্যাকান্ডের বিচার, যারা ৯০ পরবর্তী সময়ে খুন হলেন তারা কি মানুষ নন?তাদের বিচার কই? বেশি দুরে যাবার দরকার নেই, জাতিসংঘের মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে গত ৫ বছরে রাজনৈতিক খুন হয়েছে ৩৪৩ জন, তাছাড়া গুম বা নিখোঁজ আছেন ২৭৮ জন, শুধু তাই নয় ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যা, লগি বৈঠার তান্ডব এ ১৩ জনের ৃত্যু তথা খুন, রানা প্লাজায় ১৫০০ জনের উপর হত্যা, তাজরিন গার্মেন্টস এ আগুনে পুড়ে ৬৭৩ জন হত্যা, পেট্রোল বোমায় প্রাথমিকভাবে আটককৃত আ’লীগের নেতাকর্মীদের বিচার, জাবিতে ধর্ষণের সেঞ্চুরি উদযাপনকারী মানিক আজ কই? কে তাকে বিদেশ পাঠাল??? নারায়নগঞ্জে ১১ হত্যা, বিশ্বজিৎ হত্যা, পদ্মা সেতু, হলমার্ক, শেয়ারবাজার লুন্ঠনকারী কারা?বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড? নাটোরের সানাউল্লাহ বাবু হত্যা, লক্ষীপুরের ট্রিপল মার্ডার, গামা হত্যাকান্ড, কোথায় এদের বিচার? মিডিয়া এসব ব্যাপারে চুপ কেন? প্রতিটি ধর্ষণ সমান অপরাধ, কিন্তু মিডিয়া কেন শুধু ৭১ এর ধর্ষণের ব্যাপারে মহাউদ্দোগী?? কেন অন্য ধর্ষণের ব্যাপারে তারা একদম চুপ?
১৪. আমিও সুস্পষ্টভাবে সকল সত্যিকার যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই। সভ্য সমাজে একজন খুনীরও যথাযথ আইনি সাহায্য ও অধিকার দেয়ার কথা জাতিসংঘ সনদে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আমি যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃণা করি, কিন্তু সেই মানবতাবিরোধী সুষ্ঠু বিচার কে করবে? আমাদের এ,টি, এমএম ফজলে কবির, নিজাম, টিপু, মিজান, খায়রুল, মানিক, মোজাম্মেল, সিনহা মার্কা কোর্ট? অসম্ভব। এদের দেখলে আমার বেজায় হাসি পায়, এরা এক একটা পাপেট। আচ্ছা সুখরঞ্জন বালি কোথায়? নিজামীর বিরুদ্ধে রাজসাক্ষীর সর্বশেষ ভিডিও ক্লিপটা ফেসবুকে কী দেখেছেন?কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়ের ১নং সাক্ষী তিন জায়গায় তিন রকম সাক্ষ্য দিলে সেই রাই কী আর টেকে, তবুও তাকে ফাঁসিতে ঝুলায় কোন পশু? বিচারপতি নিজামুল হকের স্কাইপি কেলেংকারির পর কোন মানুষ কি এই ট্রাইব্যুনালকে ১ ফোঁটা বিশ্বাস করে?
মুজাহিদের এলাকাবাসীর সাক্ষাৎকার নিয়ে তৈরি করা ভিডিও ক্লিপটা দেখে নিন, এলাকাবাসীর কাছে সে সম্পুর্ণ নির্দোষ, তাহলে সে যুদ্ধাপরাধ করলো কোন গ্রামে?কোন শহরে সে লুটতরাজ করলো? আজ পর্যন্ত একজন গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিও সরাসরি মুজাহিদকে অভিযুক্ত করে সাক্ষী দেয় নাই, একজন ব্যক্তিও বলে নাই সে কোন সুনির্দিষ্ট অপরাধে জড়িত। তাহলে তথাকথিত বিচারপতি আর তাদের গোপালী মন্ত্রনাদাতারা কী মুজাহিদের আদর্শকে ফাঁসিতে ঝুলাতে চান? এভাবে কী আদর্শের ৃত্যু হয়?অসম্ভব!
মনে রাখতে হবে, একজনকে যে কোন উপায়ে ফাঁসিতে ঝুলানোই বীরের কাজ নয়, বরং বিনা বিচারে জুডিশিয়াল কিলিং করলে সেই বিচারক, আদালত আর দেশকে বহু মূল্য দিতে হয় কারন মজলুমের আত্না প্রতিশোধ নিবেই নিবে! বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করলে হয়তো তার ভবিষ্যত বংশধর মানুষের অজস্র সহমর্মিতা পেয়ে তাদের সন্তানেরা দেশের রাজনৈতিক পরিমন্ডলে প্রধান চাবিকাঠি হবে যেমনটি হয়েছে চীনে, আমেরিকায়, ইটালী, স্পেনে। ৃথবীর ইতিহাস তাই বলে…. ফাঁসি দিয়ে কোন প্রতিষ্ঠিত আদর্শিক আন্দোলনকে দমন করা যায়না…. “”‘
হিটলার, লেনিন, মুসেলীনী, ইরানের শাহ অনেক অনেক নির্মম, সুকৌশলী, শক্তিধর প্রচন্ড প্রতাপশালী ছিল, তারা কেউই সৎ আন্দোলনকে দমাতে পারেনি, তাই এক কাদের মোল্লার ফাঁসি হলেও হয়তো লক্ষ কোটি কাদের মোল্লা জন্ম নেবে আগামীর বাংলাদেশে, আপনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ব্যবসা করে ন্যায়বিচার না করে যেনতেনভাবে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কেন সেই সুযোগটা করতে দিবেন???
আসুন আমরা হিংসাত্নক কার্যালাপ পরিহার করে ন্যায়সম্মতভাবে, যুক্তিগত, নিরপেক্ষ, আন্তজাতিক মানসম্মত সঠিক যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধী খুঁজে বের করে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়াগতভাবে ফাঁসি দেই……….!!!”***

১৫. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী একজন সম্ভ্রান্ত আইনপ্রণেতা, রাজনীতিবিদ, প্রখ্যাত এম, পি যিনি ৩২ বছর একটানা এম, পি ছিলেন।যার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী তৎকালীন পাকিস্তানের স্পিকার ছিলেন। যিনি বর্তমানে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনাল এ ম্রত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী। ( তথাকথিত ট্রাইব্যুনাল এই কারনে বলছি যে)
200px-ChaudhuryFazlulQuader

ক. এই ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক, আইনজীবী, তদন্তকারী কর্মকর্তা সবাই আওয়ামীলীগ এর এম, পি পদ প্রার্থী ছিলেন,
খ. নিজামুল- জিয়াউদ্দিনের স্কাইওপি কেলেংকারিতে ট্রাইব্যুনাল এর জারিজুরি ফাঁস,
গ. সুখরঞ্জন বালীর ঘটনা কে না জানে? ঘ. তাছাড়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আগেই রায় ফাঁস কি প্রমান করে যে রায় অন্য কোন স্থান আগেই কেউ লিখে পাঠিয়েছে। তাছাড়া সাক্ষীরা এলোমেলো বক্তব্য দিয়েছেন, সাক্ষীদের আসামীর আইনজীবী দ্বারা জেরা করতে দেয়া হয়নি। যা জেনেভা কনভেনশনের সুস্পষ্ট লংঘন।

sakar-1153-witness-list-1
ঙ. মোট ৪১ জন সাক্ষী, ৪ জন জবানি ও ৪ জন ক্যামেরা ট্রায়ালের সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন সাক্ষী আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাহলে ন্যায়বিচার কি করে হয়?
চ. সাক্ষী বাদল, কাশেম ( ডাক নাম), সুবল গোস্বামী ( ডাক নাম) রিতা রানী, আনোয়ার ইকবাল, সুজিত ঘোষ, অমূল্য বর্মন এর সবাই এই সাক্ষী যারা প্রাণ ভয়ে সাক্ষী দেবার পর পরই ভারতে গেছে আর যাবার আগে এলাকাবাসীকে বলে গিয়েছে যে র‍্যাব আর স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের চাপে তারা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে। ( আমার কাছে চট্টগ্রাম এ এলাকাবাসীর কাছে সাক্ষীদের গোপন স্বীকারোক্তি এর লিখিত প্রমান আছে, কিন্তু এলাকাবাসীর ও সাক্ষীদের নিরাপত্তায় আমি প্রমানাদি আজ প্রকাশ করছি না, কারন শত হলেও আওয়ামীলীগ বলে কথা, আমি ১০০% নিশ্চিত ভবিষ্যতে এই সাক্ষী আর আমার প্রমানাদি প্রমান করবে এটা যুদ্ধাপরাধী নয় হাসিনার ইচ্ছাতন্ত্রের ট্রাইব্যুনাল ) এজন্য ঐ সাক্ষীদের র‍্যাব ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ এর নেতাদের মাধ্যমে তাদের ৪০ হাজার করে টাকা দিয়েছে আর চরম ভয় মুখ খুললেই ক্রসফায়ারে দিয়ে দিবে, এরপরেও কি কেউ বলবেন ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষ?
একমাত্র জল্লাদের কাছে এই ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষ হতে পারে….)

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলা ও এতদসংক্রান্ত ২৫ টি তথ্য :

১. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, ভারতের আধিপত্য বিদ্দেষী, ও বি, এন, পির স্থায়ী কমিটির সদস্য , তিনি সুস্পটভাবে কথা বলেন, আসলে সালাউদ্দিন কাদের চোধুরীকে ফাঁসিতে ঝুলাবার মূল কারন ৩ টি :
ক. এর মাধ্যমে বি, এন, পিকে ভারত সহ সারা বিশ্বের কাছে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দোষীসাব্যস্ত করা যাবে। আর কৌশলগত কারনে বি, এন,পি কিছুই করতে পারবেনা। তাই এই মোক্ষম সুযোগে বি,এন, পিকে রাজনৈতিকভাবে কাবু ও সাংগঠনিকভাবে গ্রুপিং ও তৈরি করা যাবে।

খ. যৌবনকালে হাসিনাকে সালাউদ্দিন কাধে চৌধুরী বা তার পরিবার বিয়ে করতে সরাসরি অস্বিকার করে। তাই এই মোক্ষম সুযোগে সেই পুরনো অপমানের প্রতিশোধ নেয়া। যাতে করে সাপ ও মরল লাঠিও ভাংগল না।

গ. যেহেতু সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বি, এন, পির তাই যুদ্ধাপরাধী বিচারের ক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ এর দ্বারা বুঝাতে চাচ্ছে যে, আওয়ামীলীগ কোন বিশেষ দল ( জামাত) এর বিরুদ্ধেই নয়, আওয়ামীলীগ সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করে যাচ্ছে, তাই এই মুহূর্তে সালাউদ্দিন কাদের এর ফাঁসি দিলেই হাসিনার মুখ আর অন্তরের তৃপ্তি আসবে।

২. আমি দ্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই, আমি কারো ওকালতি করিনা,কারো চামচামি আমি ঘৃনা করি, রাজনীতি করে দুপয়সা কামানোর ধান্ধা আমার নেই, আজ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী যদি দোষী হয় তবে সাজা হোক কিন্তু তাকে তার আইনত সুযোগ সুবিধা আন্তঃজাতিক মানসম্মত ১০০% নিশ্চিত করতে হবে।জাতিসংঘের তত্তাবধানে বিচার প্রক্রিয়াগত দিক চলুক তারপর সেখানে প্রমানিত হলে আপনারা হাজার বার সালাউদ্দিন এর ফাঁসি দিন, কোন সন্দেহ নেই, কারো কোন আপত্তি থাকবেনা।
বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্ব যেখানে দুর্নিতীবাজ দেশের তথ্যবাবা বিলিয়ন ডলার ঘুষ খায় আর তা প্রকাশ পাবার ভয়ে সাগর রুনি হত্যা, যেখানে খায়রুল, মোজাম্মেল, সিনহার মত নির্লজ্জ, দলান্ধ, বেহায়া, দদাজ্জাল, নিম্নশ্রেণীর চাটুকার প্রধান বিচারপতি হয় সেখানে ন্যায়বিচার আশা করা যেন ব্যাঙের সর্দি লাগার মত।আমার দেশে সংবিধানের ৫৪ ধারা, ৫৭ ধারা, ৫৮ (গ), ৫৯ (খ), ৬০ ধারা, ৭০ ধারা ১০০০০০০০০০০% অবৈধ, এ সব ধারা মানুষকে হত্যা করার সামিল, যেদেশে এসব ধারা আছে সে দেশে সালাউদ্দিন এর বিরুদ্ধে ৪১ জন কেন ৪১০০০০০ জন ভুয়া সাক্ষী পেতে কি বেগ পেতে হয় জারজ সরকারের?

যেখানে বংগভবনের জানালা, দরজা দিয়ে তৈল উপচে পড়ছে সেখানে মিথ্যা সাক্ষী আর পেপার কাটিং কোন ব্যাপার? আমি হলফ করে বলতে পারি ট্রাইব্যুনাল রাজনৈতিকভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে যা ইচ্ছে তাই রায় দিচ্ছে। কারন:

ক. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচার কার্যে তাকে পর্যাপ্ত সাক্ষী দিতে দেয়া হয়নি, ( অনুমতি দিয়েছে মাত্র ৪ জন), এটা দুনিয়ার কোন আইনে আছে? পক্ষান্তরে রাষ্ট্র পক্ষে সাক্ষী ৪১ জন, এটা কোন হীরক রাজার দেশ?

খ. সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী পক্ষে ৮ জন সাফাই সাক্ষী চেয়ে করা আবেদন আমলে নিলে অরাজকতা সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
কেন অরাজকতা হবে,? হে ঘুমন্ত জাতি একটু বিবেক খাটান, এটর্নি সাহেব কি করে বুঝলেন অরাজকতা হবে তার মানে কী তড়িঘড়ি করে ফাঁসি দেয়াই তাদের লক্ষ্য ?

তিনি আরো বলেন, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে রিভিউ’র স্কোপটা খুবই কম। সাধারণত আদালতের কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে পুর্নবিবেচনার সুযোগ থাকে। আর তিনি এ আবেদন করেছেন নির্ধারিত সময়ের পরে। অর্থাৎ রিভিউ করতে সময় হচ্ছে ১৫দিন। কিন্তু সে সময়তো শেষ হয়ে গেছে। এটা তামাদি হয়ে গেছে। এখন এ দরখাস্ত আমলে নিলে অরাজকতা সৃষ্টি হবে। প্রতিটি আসামি একের পর এক দরখাস্ত ‘করবে।

অপরদিকে সাকা চৌধুরীর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, প্রয়োজনে আপিল বিভাগ সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এসব ব্যক্তিদের সমন দিয়ে এ ব্যাপারে (যুদ্ধের সময় সাকা চৌধুরী পাকিস্তানে ছিলেন) নিশ্চিত হতে পারেন। এতে দিবালোকের হয়ে যাবে সাকা চৌধুরী বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট, জাল জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাকা চৌধুরীর সুনির্দিষ্ট ডিফেন্স হচ্ছে তিনি চট্টগ্রামে থাকতেন না। তিনি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের আগে থেকে ঢাকার নটরডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুবাদে ধানমন্ডির পৈত্রিক বাসায় থাকতেন। এবং ২৯ মার্চ পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। ১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকায় আসেন। পাঞ্জাব যাওয়ার সময় কাইউম রেজা চৌধুরী ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে নিজ গাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ট্রাইব্যুনালে বলেছেন।
(আমার প্রশ্ন কাইউম রেজা চৌধুরীর বক্তব্য কেন আমলে নেয়া হলনা? কেন বার বার কাইয়ুম রেজা চৌধুরীকে বক্তব্য প্রদানের সময় বাধা দেয়া হয়েছে?
কেন বিচারপতি শামিম হাসনাইন কে সাক্ষ্য দিয়ে দেয়া হয়নি, কেন কেন? হে জাতি, উওর দাও….. কেন এফিডেফিট কৃত সালমান এফ রহমান সাক্ষ্য দিতে পারলেন না?
এতগুলা সাক্ষীর সাক্ষ্যকে বাধা দেয়া কি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে হত্যা করার উদ্দেশ্য নিয়ে নয়?

খন্দকার মাহবুব বলেন, ইতিমধ্যে দেশি এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এ ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব রিপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়- যদি আদালত অনুমতি প্রদান করেন তবে উপরোক্ত ব্যক্তিরা তাদের এফিডেবিট প্রদত্ত বক্তব্যের ব্যাপারে বাংলাদেশে এসে সত্যতা নিশ্চিতের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পক্ষে রিভিউ শুনানির সময় আটজনকে সাক্ষী দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

12179740_524150817769191_941400923_n

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঁচজন পাকিস্তানের, একজন যুক্তরাষ্ট্র ও বাকি দু’জন বাংলাদেশি সাকা চৌধুরীর পক্ষে সাফাই সাক্ষী দিতে অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়।

al-jz

এ আটজন হলেন- পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী মোহাম্মদ মিঞা সুমরো, সাবেক রেলমন্ত্রী ইসহাক খান খাকওয়ানি, ডন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারপারসন আম্বার হারুন সাইগাল, স্থপতি মুনিব আরজামান্দ খান ও ভিকারুন্নিসা নুনের নাতি ফিরোজ আহমেদ নুন, ফিজিতে দায়িত্বপালনকারী আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত ওসমান সিদ্দিক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামীম হাসনাইন এবং বিচারপতি শামীমের মা জিনাত আরা বেগম।

12179858_1522219654759075_1741374540_n
( সর্বশেষ খবর হচ্ছে সরকার পাকিস্তানের ৪ জন সাক্ষীককে ভিসা দিচ্ছেনা, এমনকি বিমানবন্দরে তাদের চূড়ান্ত বাধা দেয়ার জন্য রেড এলার্ট জারি কিসের আলামত? একি হিটলারের হলোকাষ্ট?

12118917_524148454436094_6760336804631453046_n

৩. বিচারপতি শামীম হাসনাইন এর আগে সাক্ষী দেওয়ার অনুমতির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সে আবেদনে সাড়া দেননি প্রধান বিচারপতি।এর আগে, ১৪ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পুর্নবিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরী। তিনি জানান, মোট ১০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ১০টি যুক্তি দেখিয়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি ও মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চাওয়া হয়েছে।সাকা চৌধুরীর প্রধান আইনজীবী হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনের শুনানিতে আসামিপক্ষে নেতৃত্ব দেবেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। এদিকে, দ্রুত রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য দিন নির্ধারণে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

Bangladesh01102015N-33

 ৪. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে যে চারজন পাকিস্তানি সাক্ষী দিতে চায় তাদের সাক্ষ্য দিতে আইনত কোন জটিলতা নেই, বরং সারা বিশ্বে স্বীকৃত। নুরেমবার্গ ট্রায়াল, জাপানের ট্রায়াল, বসনিয়া ট্রায়ালে তো সাফাই সাক্ষী অন্য দেশ থেকেও দিয়েছিল তো বাংলাদেশে এই আইন কেন কার্যকর হবেনা, আসল কারন হচ্ছে ডাইনির রক্তের নেশায় পেয়েছে, এখন সালাউদ্দিন কাদেরের ফাঁসি ছাড়া এই খায়েশ আর মিটবেনা যেমনি নব বিবাহিত নারীর যৌনমিলনের যৌনাচার যৌনসম্ভোগের অদম্য খায়েশ জাগে সেরুপ। আজ ডাইনীরর ও খায়েশ দূর্দান্ত, দূর্বিনীত।

                                                                                 ***একটি ছোট গল্প ***

একটি ছোট্ট গল্প বলি, গল্পের নাম হাড় কড়মড়ি রোগ
এক দেশে এক রাজা ছিলেন তার ছিল বিপুল ধন সম্পদ। তার ছিল দুই পুত্র। তার স্ত্রীর কিছুদিন পুর্বেই রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, বর্তমান রাজা নি:সংগ, তাছাড়া বাচ্চাদের দেখাশুনা করার জন্যও তো মায়ের মত কাউকে দরকার, তাই সভাসদের পীড়াপীড়িতে রাজা আবারো বিয়ে করলেন, বিয়ের শর্ত হলো : নববধূকে অবশ্যি দুই এতিম সন্তানকে মায়ের মত গভীর আদরে বড় করতে হবে, নববধূ তাতে রাজি হলেন, বিয়ের কিছুদিন পরই নতুন রাণী দুই সন্তানকে হিংসাত্নক চোখে দেখতে লাগিলেন। কিন্তু রাজার ভয়ে কিছুই মুখ ফুটে বলতে পারেন না। তাই রাণীমা রোজ শোবার সময় বিছানার নিচে শুকনা গাছের ডাল রেখে বিছানায় গড়াগড়ি খেতেন আর গড়াগড়ির ফলে বিছানারর নিচে শুকনা ডাল ভেংগে বিকট শব্দ হত। আআর সাথে সাথে রাণীমা ভনিতা করে চিৎকার করে সারা রাজদরবার মাত করতো। রাজা তো বেজায় চিন্তায় পড়ে গেলেন কি করে এ রোগ সারা যায়।

অনেক চেষ্টা তদবির কবিরাজ ঔষধ দিয়েও কোন কাজ হচ্ছিল না, তাই রাণীমা বললেন তার বিশ্বস্ত এক দূরদেশী কবিরাজ আছে যে কিনা তার এই রোগ সারতে পারবে। আসলে সেই কবিরাজ ছিল ভন্ড আর রাণীর অনুচর। যে কথা সেই কাজ সেই কবিরাজ আসলেন আর বললেন :  রাজপুত্রদের রক্ত দিয়ে গোসল না করালে এই হাড় কড়মড়ি ব্যাধি যাবেনা। রোগ সারার জন্য রাজার অনেক অনেক কষ্ট, কান্না, বেদনা হলেও শেষে মেনে নিলেন। কারন সুন্দরী স্ত্রী বলে কথা। যাই হোক সেই দুই রাজপুত্রদের নিয়ে যাওয়া হল গহীন জংগলে, আর জল্লাদ মারতে উদ্যিওত হলেও হঠাৎ তার মায়া চলে আসে, সে বললেন যাও বাবা তোমরা এই দেশ থেকে পালাও, আমি তোমাদের হত্যা করতে পারবো না। বুদ্ধিমান জল্লাদ রাজপুত্রের বদলে দূটা কুকুর জবাই করে তার রক্ত নিয়ে এলেন আর দুই রাজপুত্র ভিন্ন দেশে চলে গেল রানীমা ঐ রক্ত দিয়ে গোসল করলেন, তৎক্ষণাৎ রাণীমার সব হাড়কড়মড়ি রোগ সেরে গেল।
হা হা হা হা

এ গল্পটি থেকে কি বুঝলেন???? হে বিবেকবান বংগদেশে বংগসন্তান কি বুঝলেন?????????

পাঠক বন্ধুরা, :

৫. আমার এ নাতিদীর্ঘ লেখার জন্য আপনাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটলে আমি করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি, আসলে যুদ্ধাপরাধী মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং এর ধরন, হলুদ সসাংবাদিকতা, বেশ্যার গোপনাংগ চাটা মিডিয়া ব্যবসায়ীরা, আবু জাহেলের অনুজ বংশবদ কতিপয় ব্যবসায়ী যারা রানা প্লাজা আর তাজরিনের মত গার্মেন্টস এ নারকীয় কান্ডের মূল হোতা এবং তাদের গডফাদার কিন্তু আজো কেউ তাদের নাম জানেনা ( দরবেশ বাবা) , অব্যাহত মিডিয়া সন্ত্রাস ও এর আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসা, রাজাকারদের বিচার প্রক্রিয়াগত দিক নিয়ে সাংবাদিক, সংবাদপত্র, টিভিতে এত মিথ্যার প্রোপাগান্ডা, এত নির্লজ্জ দালালী বেশী যে, সত্য কথা বলতে গেলে, যুক্তি খন্ডন করতে গেলে অনেক কিছুই বলতে হয়, তাই আমি নিচে ৩ধাপে আজকের লেখা শেষ করব :

প্রথম ধাপ : ট্রাইব্যুনাল এর কার্যক্রম নিয়ে আমার প্রশ্ন

দ্বিতীয়ত : দেশে দেশে যুদ্ধাপরাধ আইন, ন্যায়বিচার কাকে বলে, যুদ্ধাবস্থায় সর্বকালের গ্রহনযোগ্য আইন কী কী, বিভিন্ন আন্ত:জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এর বিচার প্রক্রিয়া

তৃতীয় ধাপ: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারকার্য চুল চেরা বিশ্লেষণ ও আমার সর্বশেষ মন্তব্য।

৬. যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম আজ যারা ট্রাইব্যুনাল এ আটক তারা সবাই অপরাধী, তাহলে আমার প্রশ্ন, আজ রাজাকার বলে যাদের বিচার করে ফাঁসিতে ঝুলানো হচ্ছে তাদের যদি ফাঁসি হয় তাহলে তাদের চেয়েও হাজার লক্ষ হাজার গুন বেশি অপরাধে জড়িত পাকিস্তানের সেনা কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী যারা লক্ষ লক্ষ খুন, লুট ধর্ষণ করেছে তার বিচার কি করবেনা এই বাকশাল সরকার? সেই চিহ্নিত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী বাদ দিয়ে তাদের সহযোগী বলে সাব্যস্ত করে এ কোন ফাঁসি ফাঁসি খেলোয় মেতে উঠেছে সরকার ?

৭. জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী যদি বিবাদমান দুই দেশের মধ্যে সংগঠিত যুদ্ধে নিকটস্থ তৃতীয় কোন দেশ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয় তাহলে সেটা আঞ্চলিক যুদ্ধ বলে গন্য হবে আর তার বিচার আন্ত:জাতিক আদালতে হতে হবে । ভারত তো বাংলাদেশ স্বাধীণ হতে প্রত্যক্ষ অস্ত্র, সৈন্য, গোলাবারুদ, বিমানবাহী রণতরী দিয়ে যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল, তাহলে ভারত এই বিচার প্রক্রিয়াগত দিক দিয়ে কেন জড়িত হচ্ছেনা? হে জাতি উওর দিন আপনারা?

৮. বাংলাদেশে যারা নুরেমবার্গ, জাপান, বসনিয়া ট্রাইব্যুনাল বলে গলা ফাটান তারা কি জানেন এই বিচার প্রক্রিয়া কিভাবে হয়েছে? এই বিচার প্রতিটি প্রক্রিয়াগত ধাপে ৪ দেশ অংশ নেয় আর মাত্র ২৪ জনের ফাঁসি হয়। প্রতিটি ৃত্যুই বেদনার একথা নির্মম সত্য, ব্যক্তিগতভাবে আমি সারা ৃথবীতে শান্তি চাই, আমি কারো ৃত্যুই চাইনা, তবুও যুক্তিবিদ্যা আরো নির্মোহ, যুক্তির খাতিরে আমার মনে বিরাট প্রশ্ন জাগে বিশ্বে এত বড় হত্যাযজ্ঞ যেখানে ৩০ – ৩৫ মিলিয়ন মানুষ খুন করল হিটলারের বাহিনী, সেখানে নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল যদি মাত্র ২৪ জনের ফাঁসির আদেশ হয় তাহলে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকাল এ বাকশাল আর বংগ জারজ সন্তানের দাবী অনুযায়ী ৩০ লক্ষ ( আসলে ৩ লক্ষ শহীদ, যা সিরাজুল আলম খান, মেজর এম, এ, জলিল, মাইদুল ইসলাম এর বইসমুহ , প্রখ্যাত বি,বি,সি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম দ্বারা প্রমানিত) শহীদ হলে কতজনের বাংলাদেশে ফাঁসি হতে পারে?

৯.বাংলাদেশে রাজাকারদের প্রথম পূনর্বাসন করেছে শেখ মুজিব, সেই শাহ আজিজ কে নিয়ে ও,আই, সি সন্মেলনে, কিংবা ভুট্টো সাহেবের সাথে বৈঠক, চিহ্নিত রাজাকারকে শেখ মুজিবই মাসিক রাজস্ব ভাতা দিতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ এর এই দ্বৈত চরিত্র কেন? এই বর্নচোরা ভন্ড মাকাল ফলের কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতে বিবেকবান মানুষ আজ কোথায়?. স্বাধীণ বাংলাদেশে নুরুল ইসলাম নামে এক রাজাকারকে আওয়ামীলীগই প্রথম মন্ত্রী বানায়, কেন?আজ নুলা মুসা ( মুসা বিন শমসের), শেখ হাসিনার বেয়াই মোশারফ ফরিদপুর এর কুখ্যাত রাজাকার, সেও আজ মন্ত্রী, হায় দূর্ভাগা জাতি…..!!!!! মখা আলমগীর, আশিকুর রহমান, এরা কী শীর্ষ রাজাকার নয়?? কেন তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাড়া করা হচ্ছেনা? হে জাতি বিবেককে কাজে লাগান….!!! “””””””

 1438186921

১০. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলার সারাংশ :

২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের প্রত্যুষে গ্রেফতার করা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সে সময়কার সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরীকে। তারপর থেকে প্রায় চার বছর সাত মাসের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার (২৯ জুলাই) একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় এসেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ পেরিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চলেছে দীর্ঘ এ বিচারিক কার্যক্রম। আপিল মামলার রায়ের আলোকে ফাঁসিতেই ঝুলতে হচ্ছে বৃহত্তর মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৃশংসতম যুদ্ধাপরাধের এই হোতাকে। তবে তার আগে সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, তার আলোকে আসামিপক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন এবং সে আবেদন খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা- এসব ধাপ রয়েছে সাকার সামনে।

তবে রিভিউ আপিলের সমকক্ষ নয় এবং রিভিউয়ে রায় পুনর্বিবেচনার কোনো নজির নেই এসব বিবেচনায় এ রায়ই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তই থাকবে- এটাই অভিমত আইনজ্ঞদের।

আমার প্রশ্ন : কেন আপিল বিভাগ ট্রাইব্যুনালকে একবারো জিজ্ঞাসা করল না যে, আসামীর সাক্ষর সং্খ্যা কম কেন? এর দ্বারা কি ন্যায়বিচার বিন্দুবৎ নিশ্চিত করা যায়?আর রিভিউ তে কেন প্লি অব এলিবাই কেন গ্রহন করা হবেনা? দুনিয়ার কোথায় এই কালা কানুন আছে?

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-১। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

আর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার রায় দেন আপিল মামলার। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম
২০১০ সালের ২৬ জুন হরতালের আগের রাতে রাজধানীর মগবাজার এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায়ই সে বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের প্রত্যুষে গ্রেফতার করা হয় তাকে। ১৯ ডিসেম্বর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে। পরে ৩০ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে প্রথমবারের মতো সাকা চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অগ্রগতি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত দল। একই বছরের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) জমা দেওয়া হয়। ১৮ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

১১.

২৫ জুলাই, ২০১৩
কাইউম রেজা চৌধুরীর জেরা

সাবেক প্রধান বিচারপতি মাঈনুর রেজা চৌধুরীর ছোট ভাই কাইউম রেজা চৌধুরী সাক্ষ্য দিয়েছেন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে। গত ১৬ জুলাই তিনি জবানবন্দী প্রদানের পর জেরা শুরু হয়। সামান্য কিছু প্রশ্ন করার পর জেরা মুলতবি করা হয়। ২১/৭/২০১৩ তার জেরা সমাপ্ত হয়।

জেরা ঃ-
১৬/৭/২০১৩
আমি জমিদার বংশের ছেলে। অদ্য আমি সুস্থ শরীরে ট্রাইব্যুনলে জবানবন্দী করেছি। ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট খেলা চলাকালীন সময়ে এ্যাসেমব্লি স্থগিত করায় খেলা পন্ড হয়ে যায় ‘‘কথাগুলো সত্য নয়”। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আমার আপন খালাতো ভাই। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এর পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেব কখনো বঙ্গবন্ধুর ছয় দফাকে সমর্থন করেছিলেন কি না তাহা আমার জানা নাই (চলবে)

২১-০৭-২০১৩ইং পুনরায় জেরা শুরু ঃ-
আমি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ডিগ্রী লাভ করি। ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল কিনা তাহা আমি জানি না। কারণ আমি সেদিন ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলার মাঠে ছিলাম। ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ তারিখে ঢাকা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড ক্রিকেট খেলা চলাকালীন দুপুরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষনা করলে খেলা পন্ড হয়েছিল। ২রা মার্চ ১৯৭১ তারিখে ঢাকা স্টেডিয়ামে কোন ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয় নাই, ইহা সত্য নহে। আমি গার্মেন্টস বাইং হাউজের সংগে জড়িত আছি। আমার ব্যবসা সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আয়কর সম্পর্কিত কাগজপত্র অদ্য আমি ট্রাইব্যুনালে আনি নাই, প্রয়োজন হলে দেখাতে পারব। ১৯৪৭ সালের আগে আমার পিতা মুসলিম লীগের রাজনীতি করতেন এবং মুসলিম লীগ থেকে বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এ্যাসেমব্লীর সদস্য হয়েছিলেন, ইহা সত্য নহে। আমার যেহেতু জন্ম হয় নাই সেহেতু, আমি বলতে পারব না যে, কত সালে আমার বাবা মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। আমার পিতা পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। আমার পিতা এবং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবের পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেব এবং সালমান এফ রহমান সাহেবের পিতা একই সাথে একই দল থেকে পাকিস্তান আন্দোলনের সংগে যুক্ত ছিলেন কিনা তাহা আমার জানা নাই। খেলাধুলার কারণে শেখ কামালের সংগে আমার সুসম্পর্ক ছিল তাহা অসত্য, ইহা সত্য নহে। ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেব কনভেনশন মুসলি লীগের সভাপতি এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, পরবর্তীতে স্পীকার, প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত আইয়ুব খানের পরে তিনি কনভেনশন মুসলিম লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন কিনা তাহা আমি জানি না। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান, তার সরকার ও দল বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা ও বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের কট্টর বিরোধী ছিলেন এবং আত্মনিয়ন্ত্রকারী বাঙ্গালী জনগনের বিরুদ্ধে তীব্র দমন, পীড়ন, হত্যা, নির্যাতন ইত্যাদি চালিয়েছিলেন, ইহা সত্য। আমি জানি যে, ১৯৬৮ সালে জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে ১ নম্বর আসামী করে আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেছিলেন। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রভাবাধীন ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), জামায়াত পন্থী ইসলামী ছাত্র সংঘ, কনভেনশন মুসলিম লীগ পন্থী এন,এস,এফ, ছিল। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেব সরকারী দল অর্থাৎ এন,এস,এফ এর সংগে যুক্ত ছিলেন এবং মুসলিম লীগ পরিবারের সদস্য ছিলেন তার পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী আইয়ুব খানের ঘনিষ্ট ছিলেন বিধায় বঙ্গবন্ধু আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হলে তার মুক্তি আন্দোলনে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী কে নিয়ে আমি অংশ নিয়েছিলাম মর্মে আমার প্রদত্ত জবানবন্দীর বক্তব্য অসত্য, ইহা সত্য নহে। আমার মনে নাই যে, ছাত্র সমাজ কোন মাসে এগারদফা আন্দোলনের কর্মসূচী দেয় এবং তার ভিত্তিতে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। আমার স্মরণ নাই যে, কোন কোন ছাত্র সংগঠনের কোন কোন ছাত্র নেতারা এগার দফা আন্দোলনের কর্মসূচীতে স্বাক্ষর করেছিল। ১৯৬৯ সালের জানুয়ারী মাসে এগারো দফা কর্মসূচী ঘোষিত হয়েছিল কিনা তাহা আমার স্মরণ নাই। এগারো দফা আন্দোলনে আমরা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবকে নিয়ে অংশ গ্রহণের যেসকল কথা আমার জবানবন্দীতে বলেছি তাহা অসত্য, ইহা সত্য নহে। শহীদ আসাদ কোন ছাত্র সংগঠনের সদস্য ছিল তাহা আমি বলতে পারবনা, তবে আমাদের সামনে যে শহীদ হয়েছিল। শহীদ আসাদকে গুলি করার সময় আমি, সালমান এফ রহমান, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এগার দফা আন্দোলনের সময় মিছিলে ছিলাম এবং শহীদ আসাদকে গুলি করার সময় আমরা গাছের পিছনে ছিলাম মর্মে জবানবন্দীতে যে বক্তব্য প্রদান করেছি তাহা সর্বাংশে মিথ্যা, ইহা সত্য নহে। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবকে আন্দোলনের সময় ই,পি,আর পিছন দিক থেকে লাথি মারার যে কথা জবানবন্দীতে বলেছি তাহা সর্বাংশে ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং অসত্য, ইহা সত্য নহে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনাকালীন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেব কোন ছাত্র নেতা ছিলেন না, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করাকালীন অবস্থায় সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের ধানমন্ডিস্থ বাসায় আসার যে কথা জবানবন্দীতে বলেছি, তাহা মিথ্যা, বানোয়াট এবং অসত্য, ইহা সত্য নহে। আমার খালু সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেব চট্টগ্রামের কোন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্বাচন কররিলেন তাহা আমি জানি না তবে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থির নিকট হেরেছিলেন। আমার ভাই এরফান রেজা চৌধুরী ১৯৭০ সালে মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে হেরেছিলেন।
‘‘ঐ সময় আমার ইংরেজীতে দখল থাকার কারণে বঙ্গবন্ধু আমাকে বাদশা ভাইয়ের সংগে বিদেশী সংবাদিকদের দেখাশুনা ও অনুবাদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এইজন্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ইংরেজী টাইপিং এর দায়িত্ব আমার উপর পড়ে। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষনের সময় রেসকোর্সে আমাদের সংগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবও ছিলেন।

images (2)

 ঐ সময় আওয়ামী লীগের কাজের জন্য আই,সি,আই, আমাকে একটি গাড়ি দিয়েছিল। এই গাড়িটি বিদেশী সাংবাদিকদের আনা নেওয়া এবং তাদের প্রেসের খোঁজ খবর দেওয়ার কাজে আমি ব্যবহার করতাম” বা ‘‘১৯৭১ সালের ১৮ কিংবা ১৯শে মার্চ বিকাল ৪.০০ টার সময় বঙ্গবন্ধু ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেবের সংগে দেখা করার জন্য ধানমন্ডির ১৮ নম্বর রোডের ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেবের বাসায় এসেছিলেন এবং আমি বঙ্গবন্ধুর সংগে ছিলাম। তাদের আলোচনার সবকিছু আমি শুনি নাই তবে শুধু একটি কথা কানে এসেছিল যে, ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেব বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন পাকিস্তানিদের বিশ্বাস করো না” বা ‘‘ ১৯৭১ সালের ২৩ বা ২৪ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধুর সংগে বিদেশী সাংবাদিকদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা আমি এবং বাদশা ভাই মিলে করে দিতে পারি নাই। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাত্রে বাদশা ভাই, নিজাম আহম্মেদ, নেওয়াজ আহম্মেদকে নিয়ে আমি গাড়ি চালিয়ে তৎকালীন হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বিদেশী সাংবাদিকদের কাছে প্রেস রিলিজ দেওয়ার জন্য যাই। প্রেস রিলিজ দেওয়ার পর আমি গাড়িতে ফেরত আসি, বাদশা ভাই তখন হোটেল থেকে বের হয়ে আসবেন তখন প্রায় ১০.২০ বাজে। এই সময় একজন পাকিস্তানি সৈন্য বন্দুক তাক করে আমাদেরকে হোটেলের মধ্যে যেতে নির্দেশ দিল। বাদশা ভাইয়ের ব্রীফকেসটি গাড়িতে আটকা পড়লো যাহার মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ন কাগজপত্র ছিল” -এই কথাগুলি অসত্য, ইহা সত্য নহে।
শেখ কামালকে নিয়ে আমি আমার জবানবন্দীতে যে সকল বক্তব্য প্রদান করেছি তাহা অসত্য, ইহা সত্য নহে। তেজগাঁও থেকে কয়টি পি,আই,এ এবং বিদেশী বিমান যাতায়াত করতো তাহা আমি জানি না, তবে প্রতিদিন দুপুরে একটি ফাইট ছিল। ১৯৭১ সালে ঢাকা থেকে করাচী যেতে কলম্বোর উপর দিয়ে যাওয়ার কারণে ৬ ঘন্টা সময় লাগতো।
‘‘ আমি এবং নিজাম আহম্মেদ ২৮শে মার্চ সুইডিস পরিবারের বাসায় গিয়ে উঠি” বা ‘‘ ২৮শে মার্চ তারিখে ৮ নম্বর ব্রীজের কাছে আমি যখন গাড়ি নিয়ে বের হই তখন শেখ কামালকে দেখতে পাই। শেখ কামালকে নিয়ে আমি ঐ সুইডিস পরিবারের বাসায় ফিরে আসি। সুইডিস মহিলা শেখ কামালকে দেখে শেখ কামালের গোফ কেটে দিল এবং মাথার চুল মাঝখান দিয়ে চিরুনী করে দিল যাতে তাকে দেখে সহজে চেনা না যায়” বা ‘‘ শেখ কামাল, নিজাম আহম্মেদ এবং আমি ৩/৪ দিন ঐ সুইডিস পরিবারের সংগে ছিলাম। ৩০/৩১শে মার্চ শেখ কামাল টুঙ্গিপাড়ায় যেতে না পেরে সেই সুইডিস পরিবারে আবার ফেরত এসেছিল। এই সময় পাকিস্তান সরকার সুইডিস পরিবারকে দেশ ত্যাগের নির্দেশ প্রদান করে। এই নির্দেশের পরে আমি, শেখ কামাল এবং নিজাম আহম্মেদ খাবার দাবার নিয়ে ৩২ নম্বরে আমার বোনের বাড়ীতে উঠি” বা ‘‘ঐ সময় আমরা সিদ্ধান্ত হীনতার মধ্যে শেখ কামাল বললেন আমি টুঙ্গিপাড়ায় যাই আর তোমরা তোমাদের বন্ধু বান্ধব সহ জার্মানীতে যাওয়ার চেষ্টা করো। ৪ঠা এপ্রিল কিংবা ৫ই এপ্রিল তারিখে শেখ কামাল টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার সময় আমাকে তার পরিবারের সদস্যদের দেখাশুনা করার জন্য অনুরোধ করেছিল। আমি আমার ভাইয়ের গাড়ি নিয়ে আমি মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় গেলাম। সেখানে যাওয়ার পর মামি-অর্থাৎ বেগম মুজিব আমাকে দেখে বললেন বাবা তুমিই প্রথম আমাদের দেখার জন্য এখানে এসেছো। সেখানে শেখ জামাল, শেখ রাশেল, শেখ রেহানা, বর্তমানে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডঃ ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় আমি যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে নিজাম আহম্মেদ এবং শেখ কামাল সেখানে উপস্থিত হয়, কারণ শেখ কামাল টুঙ্গিপাড়ায় যেতে পারেনি। তখন আমরা তিনটি গাড়িতে করে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদেরকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া থেকে ১ নম্বর আউটার সার্কুলার রোডস্থ মিসেস বদরুন্নেছা আহম্মেদের বাড়ীতে নিয়ে আসি”- এই কথাগুলি সম্পূর্ণ অসত্য, ইহা সত্য নহে।
‘‘২৮শে মার্চ দুপুরের পরে আমি হেটে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ১৮ নম্বর রোডের বাসায় যাই। আমাকে দেখে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলল, আমি আগামী কাল করাচি যেতে চাই, আমাকে পরের দিন এয়ারপোর্টে পৌছে দিতে হবে। ৩২ নম্বর রোডস্থ আমার বোন মিসেস ফারাদি খান এর বাসা থেকে আমার দুলাভাইয়ের টয়োটা করোনা যার নম্বর ৪৮৯৩ গাড়ি করে আমি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাসায় যাই এবং তাকে গাড়িতে তুলে দুপুরে তেঁজগাও আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছে দিই” বা ‘‘। আমি করাচি পৌঁছাবার দুইদিন পরে যখন আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য একটি বাড়ি খুঁজতে বেরিয়েছিলাম তখন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সালমান এফ, রহমানের বাসায় এসেছিল, সে সময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবের সংগে আমার দেখা হয় নাই। আমার ভায়রা মিঃ আব্দুল মোমেন চৌধুরী যিনি তানজানিয়া থেকে করাচি এসেছিলেন আমি আশিকুর রহমান সাহেবের অফিসে গিয়ে তার সংগে দেখা করি” বা ‘‘ আশিকুর রহমান সাহেবের অফিসে বসে আব্দুল মোমেন চৌধুরী বললেন তোমার কাজিন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবের দেখা হয়েছে এবং পরিচয় হয়েছে” এই কথাগুলি সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক, ইহা সত্য নহে।
আমার ভাইয়েরা এবং আত্মীয় স্বজনরা মুসলিম লীগের রাজনীতির সংগে জড়িত ছিল বিধায় আমি ১৯৭১ সালে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্স হিসাবে ছাত্র আন্দোলন নস্যাত করার জন্য নিয়োজিত ছিলাম, ইহা সত্য নহে। আমি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবের আত্মীয় বিধায় তার পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য ট্রাইব্যুনালে এসেছি, ইহা সত্য নহে। আমি সত্য সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এসেছি। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাহেবের বিরুদ্ধে যে সকল মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনয়ন করা হয়েছে তাহা সঠিক ভাবে আমার জানা নাই। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ঘনিষ্ঠজন সেজে, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পরিচালিত বাঙ্গালীর স্বাধীনতার লড়াইকে নস্যাতের অভিপ্রায়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ১৯৭১ সালে যে সমস্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন তার দায় থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য আমি খালাতো ভাই হিসাবে আসামী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এর পক্ষে মনগড়া, শেখানো, মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে প্রদান করলাম, ইহা সত্য নহে। (সমাপ্ত)

১২.সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচার বিষয়ে জাতির বিবেকের কাছে আমার ১০০% যৌক্তিক প্রশ্ন:

যেহেতু কাইয়ুম রেজা চৌধুরী সাবেক প্রধান বিচারপতি মাইনুল রেজা চৌধুরীর ভাই, আর কাইয়ুম রেজা চৌধুরী একাত্তরের সনামধন্য মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন আর বংগবন্ধুর পরিবারের লোকজন ও তাকে চিনত আর সেই ব্যক্তি যখন বলছেন একাত্তরের ২৯ শে মার্চ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত এই মামলার আসামী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দেশেই ছিলেন না, সুতরাং points of merits and substantial positive evidence এর ভিত্তিতে আসামীর আবেদন, কাইয়ুম রেজার উক্তি ও সাক্ষ্য, আর ৪ পাকিস্তানের নাগরিক এর স্বগতোক্তি, স্বেচ্ছায় স্বীকার এবং বাংলাদেশে এসে আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দানের ক্ষেত্রে কেন আসামীর **প্লি অব এলিবাই *** আমলে নেয়া হবেনা ?????? এর মানে কি এত বিচারিক যুক্তি, উপাত্তভিত্তিক উপাদান অস্বীকার করে, লুকোচুরি করে তড়িঘড়ি পন্থায় রক্তচোষা, ডাইনীর, দুনিয়ার সর্বনিকৃষ্ট ঘৃণ্য রাজনৈতিক বেশ্যার ইশারায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির নাটক মঞ্চায়িত হচ্ছে ?????????? “””””””””

১৩. Plea Of Alibi Plea of Alibi is the defense taken by the accused. It means that he was physically not present at the time of scene of offence by reason of his presence at another place. The burden of proving alibi is on accused. A plea of alibi if raised at the earliest opportunity would receive great credence. The accused must be so far away at the relevant time that he could not be away at the place where the crime was committed. In criminal trial, defense of alibi is not generally accepted unless backed by strong and solid evidence. According to the principles laid down by the higher judiciary, the plea of alibi taken by the accused needs to be considered only when the burden which lies on the prosecution has been discharged satisfactorily. If the prosecution has failed in discharging its burden of proving the commission of crime by the accused beyond any reasonable doubt, it may not be necessary to go into the question whether the accused has succeeded in proving the defence of alibi. Supreme Court has held about the plea of alibi in one of its judgments, in Jayantibhai Bhenkarbhai v. State of Gujarat, (2002) 8 SCC 165, the Honble Supreme Court observed as under in para no. 19: 19. The plea of alibi flows from Section 11 and is demonstrated by illustration (a). Sarkar on Evidence(Fifteenth Edition, p. 258) states the word ‘alibi’ is of Latin origin and means “elsewhere’`. It is a convention term used for the defence taken by an accused that when the occurrence took place he was so far away from the place of occurrence that it is highly improbable that he would have participated in the crime. Alibi is not an exception(special or general) envisaged in the Indian Penal Code or any other law. It is only a rule of evidence recognized in Section 11 of the Evidence Act that fats which are inconsistent with the fact in issue are relevant. The burden of proving commission of offence by the accused so as to fasten the liability of guilt on him remains on the prosecution and would not be lessened by the mere fact that the accused had adopted the defence of alibi. The plea of alibi taken by the accused needs to be considered only when the burden which lies on the prosecution has been discharged satisfactorily. If the prosecution has failed in the discharging its burden of proving the commission of crime by the accused beyond any reasonable doubt, it may not be necessary to go into the question whether the accused has succeeded in proving the defence of alibi. But once the prosecution succeeds in discharging its burden then it is incumbent on the accused taking the plea of alibi to prove it with certainty so as to exclude the possibility of his presence a the place and time of occurrence. An obligation is cast on the Court to weigh in scales the evidence adduced by the prosecution in proving of the guilt of the accused and the evidence adduced by the accused in proving his defence of alibi. If the evidence adduced by the accused is of such a quality and of such a standard that the Court may entertain some reasonable doubt regarding his presence at the place and time of occurrence, the Court would evaluate the prosecution evidence to see if the evidence adduced on behalf of the prosecution leaves any slot available to fit therein the defence of alibi. The burden of the accused is undoubtedly heavy. This flows from Section 103 of the Evidence Act which provides that the burden of proof as to any particular fact lies on that person who wishes the Court to believe in its existence. However, while weighing the prosecution case and the defence case, pitted against each other, if the balance tilts in favour of the accused, the prosecution would fail and the accused would be entitled to benefit of that reasonable doubt which would emerge in the mind of the Court.(emphasis supplied). Kindly go through this Judgement on.

 images
১৪. What is plea of Alibi i already discussed above.
নিচে সংক্ষেপে সারাংশ বংগানুবাদ: ***প্লি অব এলিবাই *** সাধারন উচ্চতর কোর্ট তথা প্রধান বিচারপতি ও বিচারকগণ গ্রহন করে থাকেন যখন জনসমাজে, আদালতি অংগনে আসামীর বা রাস্ট্রপক্ষের সাক্ষীর কোন বিষয় নিয়ে জাতীয় বা আঞ্চলিকজোট প্রদেশ এর সাধারন জনসমাজের ব্যাপক সন্দেহ ৃষ্টি হয়, তখন স্বচ্ছ, যৌক্তিক, পক্ষপাতহীন ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোর্ট ইচ্ছা করলে Plea Alibi  গ্রহন করে থাকেন।আমার প্রশ্ন : সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ন্যায়বিচার নিয়ে কি এই বিশাল বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী ব্যাপকতর সন্দিহান নন? তাহলে কেন তার ক্ষেত্রে **প্লি অব এলিবাই ** ( Plea Of Alibi ) গ্রহন করা হবেনা?

১৫. এবার আসুন যুদ্ধসম্পর্কিত ন্যায়বিচার এর সংজ্ঞা জেনে নেই :::::::::

” Attempts to define and regulate the conduct of individuals, nations, and other agents in war and to mitigate the worst effects of war have a long history.”
The earliest known instances are found in the Mahabharata and the torah (Old Testament).

” One should not attack chariots with cavalry; chariot warriors should attack chariots. One should not assail someone in distress, neither to scare him nor to defeat him … War should be waged for the sake of conquest; one should not be enraged toward an enemy who is not trying to kill him. “

 

বাংলায় অতি সংক্ষেপে বংগানুবাদ :

” যুদ্ধক্ষেত্রে যারা যুদ্ধ করবেন তারা সকলেই ন্যায়বিচার, মানবতা ও যুদ্ধের আইনকানুন মেনে চলবেন, কেউ আইন ভংগ করলে সেটা মহাপাপ বলে গন্য হবে *

 images (1)

১৬. যারা নুরেমবার্গ ট্রায়াল নিয়ে মাতামাতি করেন সেই ডাইনিপনা, হায়েনা, পতিতালয়ের প্রেতাত্মা, ইবলিশের দোসর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, জায়েদ আল মালুম, এ,টি, এম ফজলে কবির, শামসুল হক, জাফ্রি ইকবাল, খুশি কবির, মুরগী শাহরিয়ার গংদেরকে কে বলছি :

* এই জাতিকে আর ধোকা দিবেন না, আপনাদের কথা বেশ্যার যৌনসম্ভোগের চিৎকারের চেয়েও মারাত্নক জঘন্য, কদাকার, সুয়াররেজ এর ময়লা পানির চেয়েও আপনাদের অন্তর কালো ও দূর্গন্ধময় *

নিচে নুরেমবার্গ ট্রায়ালের অতি সংক্ষেপে বর্ননা দেয়া হল :

The Nuremberg trials were a series of military tribunals, held by the Allied forces after World War II, which were most notable for the prosecution of prominent members of the political, military, and economic leadership ofNazi Germany who allegedly planned, carried out, or otherwise participated in The Holocaust and other war crimes. The trials were held in the city of Nuremberg, Germany9838805-large১৭.দেখুন এখানে উপরে বলা আছে চরমতম খুন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, সম্পদ ধবংস এর জন্য সর্বোচ্চ খুনি যাদের সং্খা মাত্র * ২৪ *জন।

defendants1

আমার প্রশ্ন হল: তাহলে বাংলাদেশে কয়জনের ফাঁসি হতে পারে, আর যারা সরাসরি অপরাধে জড়িত সেই হায়েনা পাকসেনাদের বিচার কোথায়?
হে জাতি কোথায় নুরেমবার্গ ট্রায়াল আর কোথায় হাসি বিবির জল্লাদখানা ?

১৮. The Nuremberg trial indictments were for:

Secretary-General Ban Ki-moon  tours the Sleng Genocidal Museum, Phnom Penh Cambodia 28 Oct 2010
Secretary-General Ban Ki-moon tours the Sleng Genocidal Museum, Phnom Penh Cambodia 28 Oct 2010

1. Participation in a common plan or conspiracy for the accomplishment of acrime against peace
2. Planning, initiating and waging wars of aggression and other crimes against peace
3. War crimes
4. Crimes against humanity.

The 24 accused were, with respect to each charge, either indicted but not convicted (I), indicted and found guilty (G), or not charged (-), as listed below by defendant, charge, and eventual outcome:

image12
The trials began on November 20, 1945, and concluded on October 1, 1946. Thirty-three witnesses testified for the prosecution. Eighty witnesses testified for the defense, including nineteen of the defendants. An additional 140 witnesses provided evidence for the defense through written interrogatories. The prosecution introduced written evidence of its own, including original military, diplomatic, and government files of the Nazi regime that fell into the hands of the Allies after the collapse of the Third Reich.

উপরের লেখাটির সহজ সরল বংগানুবাদ ও প্রশ্ন ::::::: “””””” উপরের লেখাতে আছে নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এ ৮০ জন সাক্ষী আসামী পক্ষ হাজির করেছিলল আর ১৪০ জন সাক্ষী আদালতে আসামীর পক্ষে লিখিনি সাক্ষী পেশ করেছিল, আর নুরেমবার্গ এ রাষ্ট্র পক্ষের সাক্ষী ছিল ৩৩ জন, কিন্তু একি আজব ফজলে কবীর, মালুম আর তুরিনদের দেশ এখানে তুরিনরা তূড়ি মেরে আইন নিজের আইন নিজে বানায় আর সারা বাংলার মানুষকে হাতির পাঁচ পা দেখায়, যেখানে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বেলায় সাক্ষী মাত্র ৪ জন, আর রাস্ট্র পক্ষের সাক্ষী ৪১ জন, একী হীরক হাসিনার দেশ???????? একী পানির বদলে সালাউদ্দিন কাদেরের রক্ত পানের নেশায় মত্ত হাসি বিবি…..!!!!! *****

১৯.

The Nuremberg trials were controversial even among those who wanted the major criminals punished. Harlan Stone (1872-1946), chief justice of the U.S. Supreme Court at the time, described the proceedings as a “sanctimonious fraud” and a “high-grade lynching party.” William O. Douglas (1898-1980), then an associate U.S. Supreme Court justice, said the Allies “substituted power for principle” at Nuremberg.

 immag11
২০.
* উপরের লেখায় আছে যে, নুরেমবার্গ এ এত সস্বচ্ছতা, ন্যায়পর, সতর্রকিকরন আদালতি কার্যক্রম সত্তেও ন্যায়ভিত্তিক বিচার হইনি, তাহলে বাংলাদেশের মত দেশে যেখানে ১৫৪ আসনে বিনা ভোটে সরকার গঠন করা যেখানে পশুর চেয়েও মানুষের দাম সস্তা, ( কুকুর মারতে পুলিশকে কুকুরের পিছনে দৌড়াতে হয় আর আজ রাস্তায় মিছিলে হাসিনার নির্দেশে গোপালিশ দিনেদুপুরে পাখির মত গুলি করে মানুষ হত্যা করে) । যেখানে গত ৭ বছরে ৬২৪৮ জন বেওয়ারিশ লাশ দাফন করা হয়েছে ( তথ্যসূত্র : আঞ্জুমান এ মফিদুল ইসলাম) যেখানে শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনী, পদ্মা সেতু চুরি হয়, যেখানে মানিক বাবুরা ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে বিচারপতি হন, যেখানে সাগর রুনি, বিশ্বজিৎ, নারায়নগঞ্জে ১১ হত্যা, রানা প্লাজা আর তাজরিনের কেলেংকারির পর ও মূল গডফাদার ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, যেখানে ট্রাইব্যুনাল এর নিজাম উদ্দিন – জিয়াউদ্দিনের স্কাইওপি কেলেংকারি , যেখানে যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনাল এর পিয়ন নয়ন, খোকন রায় ঘোষণারর আগেই রায় ফাঁস করে দিতে পারে, যেখানে ৫ কোটি টাকার বিনিময়ে সাবেক প্রধানবিচারপতি খায়রুলের মাথা কেনা যায়, ( যিনি এক কলমের খোঁচায় সর্বজনগ্রাহ্য তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করলেন) যেখানে মোজাম্মেল ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে রায় দেয় জিয়া নয় শেখ মুজিবই স্বাধীনতার ঘোষক, সেখানে ন্যায়বিচার আশা করা মানে বেশ্যার কাছে সতিত্ব আশা করার মত…..!! *****
এখানে সাজানো মিথ্যা সাক্ষী, মিথ্যা সাক্ষ্য বিচার, বিচারক, পেপার কাটিং, বই, সব হাসিনার নির্দেশে এক মাসেই তৈরি করা যায়…….!!!!!! **-*
12170745_1522223481425359_1962761929_n

২১.যেখানে সাইডে সাহেবের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে গুম করে রক্ষীবাহিনীর প্রেতাত্মায় ভর করা RAB, যেখানে রশিদ নামের বয়োবৃদ্ধ কে জীবনের হুমকি দিয়ে নিজামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেয়ায় পাবনায় ( ভিডিও ক্লিপ আছে) বাকশালের ট্রাইব্যুনাল, যেখানে মাহবুবুল আলম হাওলাদার নামক স্বীকৃত ডাকাত ও দূর্বৃত্তকে টাকার লোভে সাইদি সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেয়ায় সেখানে এই ট্রাইব্যুনাল এর ন্যায়বিচার ১০০% প্রশ্নবিদ্ধ নয় কি?

1375816703.

২২. যেখানে রায় দেয়ার আগেই ফাঁস হয় সেটা কোন ট্রাইব্যুনাল, সেটা হাসিনার পেটিকোট ট্রাইব্যুনাল?
২৩.যেখানে রাজনৈতিক বিবেচনায় বিচারপতি নিয়োগ ও পদোন্নতি ঘটে, যেখানে সাক্ষী আর আইনজীবি বদল হয় সেখানে কি ন্যায়বিচার থাকে?
২৪. যেখানে বিচারপতি কোর্টে রাজনৈতিক ভাষণ দেন সেটা কোন গর্দভ বিচারপতি?
২৫.যেখানে মানিক আর সিনহা বাবুর টাকা, পোষ্টিং আর ঘুষের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে মারামারি লাগে শেটা কোন ধরনের আদালত?

জাতির সকল স্তরের মানুষের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম দিয়ে আমি সুস্পষ্টভাবে আমার সর্বশেষ মন্তব্য করছি যে, :

আমাদের দেশে যদি সত্যি বিবেকবান থাকেন তাহলে আমি আশাকরি তারা সত্যান্বেষী হবেন, মিথ্যার রাণীকে ধবংস করবেন। এক্ষেত্রে তরুন, মেধাবীদেরকে সংগঠিত হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

আমাদের একমাত্র দাবী হচ্ছে :

১০০% পক্ষপাতদুষ্ট রাজনৈতিক চরমতম দূর্বৃত্তায়নের এই জারজ সরকার দিয়ে ন্যায়বিচার সম্ভব নয়, তাই জাতিসংঘের আওতায় সালাউদ্দিন কাদের চোধুরী সহ সকল আসামীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক, আর তাতে কারো ফাঁসি হলে আমরা সানন্দে মেনে নিব

আর বাকশালের প্রেতাত্মা আর ইবলিশ শয়তানের উত্তরসূরিদের বলছি :

 বেশ্যা আর কুকুরের কোন ধর্ম জ্ঞান নেই, বেশ্যাকে উচ্চ দামে যেই কিনবে তাকেই সে মনোরঞ্জন করবে, আর কুকুরকে যতই ঘি, পোলাউ খাওয়ান না কেন, কুকুর মল ( পায়খানা) এর উপর মুখ চাটবেই, তাই হে রাজনৈতিক বেশ্যা আর কুকুরসমাজ তোমাদেরকে বলছি, তোমাদেরকে নীতিকথা শুনিয়ে লাভ নেই,

তোমরা শুনে রাখ :

আদর্শ কখনোই মরেনা, আদর্শিক ৃত্যু নেই, তাই এক সালাউদ্দিন কে বিনাবিচারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার আদর্শকে কবর দেয়া যাবেনা, তোরা সাবধান হ ও, এই দিন দিন নয়, আরো দিন আছে, সেই ভবিষ্যতে দিনগুলার কথা চিন্তা করো, সেই দিন সত্যের আলো এসে তোদের মিথ্যার প্রাসাদ মুহূর্তেই ধবংস করে দিবে, সময় খুব বেশি নেই, আমাদের তরুন সমাজ আজ এক এক করে জাগ্রত হচ্ছে, আমাদের সত্যান্বেষী যুবক যুবতীরা আজ একতাবদ্ধ হচ্ছে, তারা সত্যকে জানার চেষ্টা করে যাচ্ছে যারা সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ূব এর উওরসুরি, যারা খালিদ বিন ওয়ালিদ এর উত্তরসুরি, যারা উসমান ইবনে আফফান এর উত্তরসূরী, তাই যে কোন মুহূর্তে হবে সত্যের মহাবংগীয় বিস্ফারণ, তাই সাবধান হও.!

লেখকঃ  ড. মো: সাইফুল ইসলাম ( আই, টি বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী, ক্যালিফোর্নিয়া, USA)

সম্পাদনায়ঃ মোঃ মইনুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য প্রবাসী।

(বিঃদ্রঃ এই লেখাটি সম্পূর্ণ লেখকের ব্যাক্তিগত অভিমত।এই লেখার দায়ভার সম্পূর্ণ লেখকের এবং ওয়েব সাইট এই লেখার কোন দায় বহন করিবে নয়া।)