বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

0

জিসাফো ডেস্কঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী মৃত ফজলুর রহমান পটলের জানাজা শেষে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তার কফিন নিয়ে যাওয়া হয়েছে নাটোরে। সেখানে তার নিজ গ্রাম গৌরীপুরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার রবীন্দ্রসদন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল। ৬৬ বছর বয়সী সাবেক এই বিএনপি নেতা কিডনিসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি গত ১৬ এপ্রিল থেকে কলকাতার রবীন্দ্রনাথ কিডনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ পৌঁছায়।

বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা পৌঁনে ৭টার দিকে ফজলুর রহমানের মরদেহ বনশ্রীর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। এশার নামাজের পর বনশ্রী জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর রাত ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মরহুমের বাসায় গিয়ে প্রয়াত নেতার কফিনে ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে মরহুমে কফিন বারডেম হিমঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।

সকাল ১০টায় বারডেম থেকে ফজলুর রহমানের পটলের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে করে নয়া পল্টনে দলের কার্যালয়ের সামনে এনে অস্থায়ী মঞ্চে রাখা হয়। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা দলীয় পতাকা দিয়ে কফিন ঢেকে দেন।

সেখানে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জানাজা। জানাজায় বিএনপি মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ নেতারা ছাড়াও বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে মরহুমের কফিনে পুস্পস্তবক অপর্ণ করে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রদ্ধা জানান নেতারা।

সিনিয়র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, আমিনুল হক, এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, মিজানুর রহমান মিনু, গোলাম আকবর খণ্দকার, আসাদুজ্জামান রিপন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, খোন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।

এরপর ফজলুর রহমান পটলের মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে জানাজায় অংশ নেন ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, শামসুল হক টুকু, সাবেক বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা গত বিএনপি সরকারের শাসনামলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।