বিএনপি করে বলেই কি এরকমভাবে একজন অধ্যাপককে অসম্মান করার এখতিয়ার রাখে পুলিশ?

0

“আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনা চিৎকার,

বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার।”

পড়ন্ত দুপুর।নারায়ণগঞ্জ জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বেরোচ্ছেন এক ভদ্র লোক।চোখে চশমা,প্রাণবন্ত এক হাসি।যে হাসিতে নেই কোন ক্লান্তির ছাপ,নেই কোন জড়তা।কিন্তু থমকে গেলাম তার হাত ও কোমরের দিকে চেয়ে।হাতে হাতকরা আর কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাকে।তিনি কোন খুনের মামলার দাগী আসামী নন,নন কোন ধর্ষণের মামলার অভিযুক্ত আসামী।তিনি একজন অধ্যাপক।একজন মানুষ গড়ার কারিগর।তিনি অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।অপরাধ তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত।

এই একটি অপরাধে এই স্বাধীন দেশের মানুষ গড়ার কারিগরকে আজ দাগী আসামীর মত হাতকড়া আর কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি তো নারায়ণগঞ্জ এর ৭ খুন অথবা ৫ খুন মামলার আসামী নন,উনি তো চোর বা ছিনতাইকারী নন বা ডাকাত দলের প্রধান নন তাহলে কেন এমন অপমান! কেন এত সম্মানহানি ?

শুধুমাত্র বিএনপি করে বলে সজ্জন,সম্মানিত জেলা বিএনপির সেক্রেটারি অধ্যাপক মামুন মাহমুদ কে আদালতে কোমরে রশি বেধে আনতে হবে ! কেন একের পর এক মিথ্যা মামলায়, দিনের পর দিন রিমান্ড নামের নির্যাতন সহ্য করতে হবে ! এই অবৈধ সরকারের লালিত প্রশাসন কে আসলে ধিক্কার বা নিন্দা জানানোর ভাষা নেই।

আমরা আজ যেন এক বিভীষিকাময় দেশে এসে পড়েছি।যে দেশে একজন অধ্যাপককে সম্মান দেয়া হয় না।শুধুমাত্র বিরোধীমতের বলে আজ তাকে কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে!

আমরা কি এই দিনটির জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম??আমরা কি এই দিনটি অপেক্ষায় ছিলাম??

লেখা

মেহেদী হাসান রাব্বি

আহবায়ক

জিয়া সাইবার ফোর্স নারায়ণগঞ্জ