বিএনপির নেতাকর্মীদের রাউজানের মাটিতে এনে হত্যাকান্ডের মিশনে নেমেছে এমপি জুনু

0

মাত্র ৭ মাসের ব্যবধানে রাউজানের মাটিতে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ৩ ব্যক্তিকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় | যার দুইটিই নোয়াপাড়ায় এবং তিনটি হত্যাকান্ডই রাতের আধারে সংঘঠিত হয় | আর এই তিনটি হত্যাকান্ডেই নির্বিকার সাক্ষী রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ ও নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আলোচিত এস আই জাবেদ |

২৬শে আগস্ট ২০১৬; রাউজান পৌরসভা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক আবুল হাসেম (৪২) | তার শশুরবাড়ী থেকে ফেরার পথে রাতে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা | পরে তাকে অকথ্যভাবে নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ ঝোপের মাঝে রেখে যায় | তাৎক্ষনিক ভাবে লাশের তদারিক করতেও পুলিশী অসহযোগীতা লক্ষনীয় |

যুবদল নেতা আবুল হাসেম হত্যার প্রায় দুই মাস পরে ১৪ই অক্টোবর ২০১৭ ; রাউজানের নোয়াপাড়ার সাবেক যুবদল নেতা হারুন প্রকাশ কাল হারুন (৪৫) ঘর থেকে দোকানে যাওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০ টার সময় ঘরের পাশেই নির্মম ভাবে হত্যা করে রেখে যায় | নিহত হারুন স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত সৌদি প্রবাসী ফজল হকের অনুসারী ছিলেন |

হারুন হত্যা ঘটনায় তার পরিবার স্থানীয় বিএনপি নেতা জসিম ও তার ভাই (হত্যার সময় তারা প্রবাসে ছিলো) , ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুল আলম নুরু ও রাউজান থানার এক যুগ্ন আহবায়কের নাম উল্লেখ্য করলেও | গত ৩রা ফেব্রুয়ারী হারুন হত্যার মুল আসামী গ্রেপ্তার হয় এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দেয় ফরিদ সহ তার আরও দুই সহযোগী এই হত্যা কান্ডে জড়িত এবং হারুন সহ তারা এক সাথেই কাজ করতো |

সর্বশেষ গত ২৯শে মার্চ রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর গনি বেকারীর বাসা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু (৪৩) কে নোয়াপাড়া  পুলিশফাড়ির এস আই জাবেদ সহ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে বাগোয়ান ইউনিয়নের কর্নফুলী নদীর পাড়ে লাশ ফেলে যায় |

হাসেম, হারুন, নুরু এই তিনজনই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো এবং তাদের সবার বয়সই ৪০ থেকে ৪৫ বছর তারা উভয়ই দীর্ঘ সময়ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত | এবং তাদের সম্পুর্ন পরিকল্পিত ভাবে একে একে হত্যা করা হচ্ছে সম্পুর্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বশত | আর এই হত্যাকান্ডে পুর্ন সহায়তা দিচ্ছে রাউজানের এমপি ফজলে করিম চৌধুরী জুনু প্রকাশ জুইন্যা | বর্তমানে রাউজানের বাতাসে একটা গুন্জন শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের যে স্থানেই থাকুক না কেন রাউজানের তৃর্নমুল বিএনপির নেতাকর্মীদের রাউজানের মাটিতে এনে হত্যাকান্ডের মিশনে নেমেছে এমপি জুনু |

নৈপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভবিষৎ বিরোধীতা সমুলে ধ্বংস করে দেওয়া |যার কারনে প্রশাসনের সহায়তায় এভাবে সিরিয়াল কিলিং চলছেই| উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাচনে রাউজানের কোন ইউনিয়নেও বিএনপির প্রার্থীও নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেনি | সবার প্রার্থীতা নানা অযুহাতে বাতিল করা হয়েছিলো |