বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভবিষ্যৎ কান্ডারি ও আমার দেখা তারেক রহমান

0

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভবিষ্যৎ কান্ডারি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের তিন বার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের ৫২তম জন্ম বার্ষিকী ২০ নভেম্বর ২০১৬।

১/১১ এর জান্তার নির্মম নির্যাতনে আহত ও চিকিৎসার প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এ নেতাকে জানাই জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। তাকে যুক্তরাজ্যে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। নতুন প্রজন্মের যারা তাঁকে খুব একটা জানেন না বিশেষত তাদের লক্ষ্যে আজকের এ লেখা।

তারেক রহমানের শৈশব, শিক্ষা ও রাজনীতি :

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম ও বাংলাদেশের তিন-তিনবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান ওরফে পিনু। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ী গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই তিনি বেশ শান্ত প্রকৃতির ছিলেন। পরিবার জীবনে তিনি পেয়েছেন একটি রাজনৈতিক পরিমন্ডল। তারেক রহমান তার বাবাকে হারান মাত্র ১৬ বছর বয়সে। তারেক রহমান ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ও আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধ্যয়ন করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি নিজেকে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে প্রস্তুত করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে তার স্ত্রীর নাম ডা. জোবাইদা রহমান এবং একটি মাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

মূলধারার রাজনীতিতে পদার্পণ :

অপেক্ষায় বাংলাদেশ গ্রন্থের পর্যালোচনা মতে, তিনি ১৯৮৮ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন। আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে পদার্পণের পূর্ব থেকেই তিনি রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন, তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের সংস্পর্শেই ছিলেন। ১৯৯১’র সংসদ নির্বাচনের সময় ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে বনানীতে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নিয়মিত সক্রিয় হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও তারেক রহমান তার মা বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনি প্রচারণা কার্যক্রমের পাশাপাশি পৃথক পরিকল্পনায় দু-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পেছনে নির্বাচনি প্রচারণা ও নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। মূলত ২০০১ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় তার অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতির প্রথম সারিতে তারেক রহমানের সক্রিয় আগমন ঘটে। ২০০২ সালের ২২ জুন বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির সর্ব সম্মতিক্রমে তাকে সিনিয়র যুগ্ন-মহাসচিব নিয়োগ দেয়া হয়।

পরবর্তীতে বিএনপির ৫ম জাতীয় কাউন্সিল ৮ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। তারেক রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশের বাইরে থাকায় তার অনুপস্থিতিতে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

তারেক রহমান খুব কাছে থেকে পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনা দেখেছেন। মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্র পরিচালনা দেখেন কৈশোরে। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়ার ফলে শহীদ জিয়ার মতো মানবিক গুণাবলি অর্জন করেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসেন তার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে। রাজনীতিতে তারেক রহমানের আবির্ভাব বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। তারেক রহমান একেবারে মাঠ পর্যায় থেকে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন। সময়ের প্রয়োজনে রাজনীতির সঙ্গে তারেক রহমানের সম্পৃক্ততা।

জাতীয় রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিতর্ক :

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদী দলের বিপরীতে জনপ্রিয় আর একটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে সুদৃঢ়ভাবে সমাসীন রয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। শেখ হাসিনার পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমানের আর এক কন্যা শেখ রেহানা কিংবা শেখ হাসিনার জ্যেষ্ঠ সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় যে আওয়ামী লীগের প্রধান নেতৃত্বে সমাসীন হবেন তা নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই। তারেক রহমান এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কারণে ব্যতিক্রম :

প্রস্তুতি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে উত্তরাধিকারের রাজনীতিতে যেভাবে সাধারণত নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটে তারেক রহমানের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। ইন্দিরার মৃত্যুর পর রাজীব, রাজীবের মৃত্যুতে সোনিয়া, ভুট্টোর পর বেনজির, শেখ মুজিবের মৃত্যুতে শেখ হাসিনা বা শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে খালেদা জিয়া যখন রাজনীতিতে আসেন তার আগে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য যে প্রস্তুতি দরকার তা নেয়ার সুযোগ তাদের ছিল না। কিন্তু তারেক রহমান এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তারেক রহমানের প্রস্তুতি ছিল অনেক কঠিন, অনেক ব্যাপক ও অনেক বেশি মাটিঘেঁষা। তারেকের বেড়ে ওঠা, তারেকের প্রস্তুতি, তারেকের তৈরি হওয়া, অনেকটাই নি:সঙ্গ। তারেক রহমানের রাজনীতি যারা পর্যবেক্ষণ করেন তারা জানেন ওর একটি গুণ হলো ‘হি ইজ ওপেন টু নিউ আইডিয়া’। একজন ভবিষ্যৎ নেতার এ গুণটি থাকা খুবই জরুরি।

রাজনীতিতে উত্থান :

তারেক রহমানের আগমন বা উত্থানকে উপ-মহাদেশের পারিবারিক উত্তরাধিকার থেকে আসা রাজনীতিকদের সঙ্গে তুলনা করা চলে না এজন্য যে, সোনিয়া-রাজীব, বেনজীর-আসিফ, বিলওয়াল, বেগম খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনা যেমনি করে সৃষ্ট শূন্যতায় দলের অনুরোধে দায়িত্ব নিয়েছেন, তারেক রহমান তার ব্যতিক্রম। তারেক রহমান দেশ-দল-মাটি মানুষের পারস্পরিক সমন্বয়ের আত্মদহনে ধাপে ধাপে এগিয়েছেন।

আমার দেখা  মানুষের প্রতি তারেক রহমানের টুকরো টুকরো ভালোবাসা :

গরিবের বন্ধু তারেক :

জুন ১৯৯৯। সদ্য এম এ পাস করেছি। বগুড়া শহরে বেসরকারি একটি স্কুলে বিনা বেতনে শিক্ষকতা করি। কোনো এক কাজে সহকর্মীর বাসায় গিয়েছি। ঘরে দুধ নেই বলে চা দিতে না পারায় খুবই লজ্জিত হলেন আমার সহকর্মী। পাশেই তার অপুষ্টিতে ভোগা দুধের শিশু। বেসরকারি স্কুল থেকে তাকে যে সামান্য বেতন দেয়া হয় তাও বাকি পড়েছে বেশ ক’মাস। ঘরে খাবার নেই। নেই শিশুর দুধ। শিক্ষক পরিবারের দুর্দশায় প্রাণ কেঁদেছে তারেক রহমানের। পরবর্তীতে জেনেছি তার মহানুভবতায় কর্মসংস্থান হয় আমার সেই সহকর্মীর। মোটা ভাত মোটা কাপড় নিশ্চিত হয় এক শিক্ষক পরিবারের। দুধের শিশুকে আর ঘুমাতে হয় না উপোস করে। অভাবীর প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতার এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

উন্নয়নের রূপকার তারেক :

সেপ্টেম্বর ২০১০। দীর্ঘদিন পরে লন্ডন থেকে বগুড়া গিয়েছি। বগুড়া নয়, এ যেন এক অচেনা শহর। কারো এক জাদুকরী উন্নয়নের স্পর্শে নব সাজে সজ্জিত তারুণ্যে উদ্ভাসিত চির চেনা বগুড়া। কৌতুহল হলো এ উন্নয়নের রূপকারকে দেখার।

সজ্জন তারেক :

২০ নভেম্বর ২০১২। তারেক রহমানের জন্মদিন। আমার অন্যতম স্মরণীয় দিন। সেদিন তার লাখো ভক্তের একজন এ আমার সন্তানের স্বাস্থ্যের খোঁজ করলেন তিনি। সারা বিশ্বের বাংলাদেশিরা যার আরোগ্য কামনা করছে, তার অন্তর জুড়ে পরচিন্তা।

দেশনায়ক তারেক :

৫ জুন ২০১৩। দেখা হলো তার সঙ্গে। নীল রঙের জিন্স আর সাদা টি-শার্টে অতি সাধারণ বেশে এক অসাধারণ মানুষ। বললেন আগামীর কথা। কি অসাধারণ উচ্চারণে মার্জিত অথচ বলিষ্ঠ ভাষায় বললেন দেশের কথা, মানুষের কথা। চির অবহেলিত বগুড়ার উন্নয়নের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতেই বললেন, সমগ্র দেশের উন্নয়নের পরই বগুড়ার উন্নয়ন হয়েছে। বুঝলাম দেশ একজন নেতা পেয়েছে।

অভিভাবক তারেক :

২০ জুন ২০১৩। লন্ডনে এক কর্মী সমাবেশে তারেক রহমান বললেন, ‘রাতের বেলা বাতি নিভিয়ে মানুষ হত্যার নাম গণতন্ত্র হতে পারে না’। তিনি মা-বাবার স্বপ্ন পূরণকে সর্বশীর্ষে স্থান দিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করত: সরাসরি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিরত থাকতে প্রবাসী ছাত্রদের আহ্বান জানান। এমন কথা একজন মানব দরদি বাবাই বলতে পারেন।

মিতব্যয়ী তারেক :

গত কোরবানির ঈদে নামাজ অন্তে দেখেছি তারেক রহমানের পড়নে রোজার ঈদের পানজাবি। যে গাড়িতে উনি চড়লেন তাও অতি পুরাতন। সস্তা। বৃটেনের একদম সর্ব নিম্ন আয়ের মানুষটি ও এর চেয়ে দামি গাড়ি হাকায়। এ মানুষের সাদাসিদে যাপিত জীবন বাংলাদেশের মতো দারিদ্র পিড়ীত মানুষের জন্য অনুসরনীয়।

তারেক রহমানের লন্ডন ঘোষণা

নেতাকে পেলাম :

২৬ জুলাই ২০১৩। তারেক রহমান নতুন করে ঘোষণা করলেন ‘বিএনপির রাজনীতি উন্নয়নের রাজনীতি, বিএনপির রাজনীতি উৎপাদনের রাজনীতি’। সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মান দিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেয়ার করলেন তার দেশ ভাবনা। এ যেন কথা বলছে ১৭ কোটি জনতার এক পরিবারের কর্তা। দেশের উন্নয়নের জন্য ভালোবাসার সঙ্গে জ্ঞানার্জনের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। দেশের কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, প্রযুক্তি, পর্যটন, খনিজ সম্পদ, নগরায়ন, পানি ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ এবং বনায়নের সার্বিক উন্নয়নকল্পে যা করণীয় তারই এক সংক্ষিপ্ত রূপ সবার সামনে তুলে ধরেন তিনি। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের অপরিহার্যতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। ত্যাগি নেতার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর মুহূর্তে পৌঁছে যায় বিশ্বব্যাপি কোটি কোটি মানুষের মনে।

সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড :

গত ২৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভবিষ্যত কান্ডারী দেশনায়ক তারেক রহমানের সকল ভাষণ এর মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। অধিকন্তু যা বলা হয়েছে তা হল-ভিন্ন রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী এক সংগঠনের নিহত নেতা যিনি ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নিহত, আহত নির্যাতিত মানুষের আবেগকে মূল্য না দিয়ে পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে নিয়ে ফিরে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী হন। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ই জানুয়ারি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন শেখ হাসিনা। তারেক রহমান সম্পাদিত বইয়ের সূত্রে ভুয়া ইতিহাস খণ্ডন হয়েছে। বইটিতে তারেক রহমানকে হত্যার অভিলাষ কাদের-তা উন্মোচিত করা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে একদলীয় স্বৈরশাসন স্থায়ী করতে যে সংবিধান সংশোধন করে বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা অবৈধ সংসদের হাতে  নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা, তারেক রহমানকে মামলায় জড়ানো হচ্ছে, দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা উজ্জীবিত করা হচ্ছে । এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আর যা বলা হয় তা হলো-দেশ নায়ক ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে বিএনপির দর্শন পুর্নব্যক্ত করেছেন। তিনি আরো বলেছেন দেশটা কারো একার নয়, দেশটা সবার। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন একদলীয় স্বৈরশাসকের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার।

বীরের দেশ বাংলাদেশ। ৭১ তার প্রমাণ। ক্ষুদিরাম জন্ম নিয়েছেন এ মাটিতে। ১৯৩১ এ ভগত সিং এর ফাঁসি দিয়ে পাক-ভারত ধরে রাখতে পারেনি বৃটিশ রাজ। ১৯৪৭ এ ঠিক স্বাধীন হয়েছিল। আধুনিক এ সময়ে দেশকে যিনি অন্তরে ধারণ করে জাতির আকাঙ্খার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, গণতন্ত্রই যার পন্থা তার জন্য যদি প্রাণও যায় তা হবে দেশ প্রেমিকের জন্য পরম গৌরবের। নির্যাতন মামলা হামলা করে তারেক রহমানকে দাবিয়ে দেয়াও অসম্ভব। তাই সরকারের উচিত নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবিলম্বে নির্বাচন দিয়ে দেশের মানুষের চাপা উদ্যেগ দুর করা। গণতন্ত্রকে শক্তিশালি করা। সবার মনে রাখতে হবে ক্ষমতা কারো চিরস্থায়ী না। আমাদের জীবনই বরং অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী।

লেখক

আখতার মাহমুদ

সাংবাদিক ও লেখক