বন্ধ হয়নি গাজীপুর ও টংগী’র আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা

0

জিসাফো ডেস্কঃ গত মাস খানেক আগে গাজীপুর ও টংগীতে কতিপয় যুব সমাজের উদ্দোগে প্রতিবাদসহ মিছিল মিটিং করা হলে প্রশাসনের টনক নড়ে।পরে বিভিন্ন হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৩৫-৪০ জন তরুন তরুনীকে পুলিশ গ্রেফতার করে।স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেল আবাসিক হোটেল বন্ধের জন্য ১ মাসের আল্টিমেটাম দিলে কিছু দিন বন্ধ থাকার পর আবারও অবৈধ ভাবে শুরু হয় এ ব্যবসা।

কিন্তু তারপর হঠ্যাৎই ঐ যুবসমাজ,এমপিসহ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করায় আবারও শুরু হয় দেহ ব্যবসা।

এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,উচ্চপদস্ত অফিসার গন টাকা খেয়ে নিরবতা পালন করছে।টংগী টংগী থানা আল-রাজ বাসা বাড়ী সহ কাজী গোলজার নামক রাঘব বোয়ালের মোট ৬ টি হোটেল ছাড়াও টংগীতে প্রায় ৪০ টি আবাসিক হোটেল রয়েছে।কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই সব আবাসিক হোটেল গুলো পুনরায় তাদের অসামাজিক কার্যকলাপ শুরু করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে পোস্ট নিয়ে প্রতিবাদ জানালে,কৌশলে তাদের নাম্বার নিয়ে ফোন করে হুমকি ধমকি দেয় বলে জানা যায়।এর মধ্যে দুটি নাম্বার যথাক্রমে ০১৯১০০৫০২৩০।আমরা সাংবাদিকগন কল দেয়ার চেষ্টা করেও বন্ধ পাই।
স্থানী একজনের  প্রশ্ন হচ্ছে, গাজীপুর তো আর পর্যটন এলাকা নয় তাহলে এখানে কেনো এতো আবাসিক হোটেল??
হোটেল মালিক আর বাড়ী বা জমির মালিক এতো ক্ষমতা কোথায় পায়??
অন্যায়-অন্যায়ই সে যেই হোক এখানে দল বা ব্যক্তি কথা নয়।কথা হচ্ছে এরা সমাজ বিরোধী।
হোটেল মালিক ও জমি-বাড়ীর মালিকদের প্রকাশ্য রাস্তায় জুতা পেটাসহ গনধোলাই দিয়ে গাজীপুর থেকে বের করার ব্যবস্থা করুন।
যদি টাকা খেয়ে চুপ হয়ে থাকেন,তবে আর কিছু বলার নেই।আমরা অসহায় মা-বাবাগন সন্তানদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার রেখেই দুনিয়া ত্যাগ করবো।কিন্তু আল্লাহ্ পাকের দরবারে ঐ সব বিচারকদের বিরুদ্ধে ফরিয়াদ থাকবে,যারা টাকার লোভে এসবের সার্পোট দিচ্ছে তাদের প্রতি আল্লাহ্ পাকের লানত বর্ষিত হোক।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা,পবিত্র ভূমি টংগী সহ গাজীপুরকে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে মুক্ত করে একটি সুন্দর আগামী দিন উপহার দিবে প্রশাসন।