বন্দরে কন্টেইনারে ভারতীয় রুপি : সিঅ্যান্ডএফ মালিকসহ আটক ৬

0

চট্টগ্রাম : গৃহস্থালী পণ্য আনার ঘোষণা দিয়ে দুবাই থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কনটেইনারভর্তি ভারতীয় মুদ্রা আনার ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মালিকসহ ৬ জনকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর ও তদন্ত বিভাগ।

রোববার রাত থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল ইসলাম খান বলেন, ‘ভারতীয় মুদ্রা পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার সঙ্গে সম্পৃক্ত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মালিকসহ মোট ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এর সাথে সম্পৃক্ত অন্যদেরও আটকে অভিযান চলছে।’

আটকরা হলেন- সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্লাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মো. শামীমুর রহমান, এমডি মো. আসাদুল্লাহ, পার্টনার আহমদ উল্লাহ তালুকদার, গাড়িচালক মো. কাউসার ও চালান প্রেরণকারী শাহেদুজ্জামানের ছোট ভাই তৌহিদুল আলম ও কাস্টমসের এমএলএস সাবের।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে দুবাই থেকে আসা একই মালিকের চারটি কনটেইনারের মধ্যে একটি কনটেইনার জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এরপর রাতে কনটেইনার থাকা ১৬৫টি কার্টনের মধ্যে একটি কার্টন খোলা হয়। সেটিতে এক হাজার ও পাঁচশ রুপী মানের ভারতীয় মুদ্রা পাওয়া যায়। পরে দুপুরে সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে কনটেইনারে থাকা চারটি কার্টন খুললে সেখানে ভারতীয় মুদ্রা পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, সবগুলো কার্টন ও অন্য তিনটি কনটেইনারেই ভারতীয় মুদ্রা পাওয়া যাবে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে কলম্বো বন্দর হয়ে একটি চালানে চারটি কন্টেইনার আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। মনরুভিয়ার পতাকাবাহী ‘প্রোসপা’ নামের একটি জাহাজে করে এই চালানটি আসে। দুবাই থেকে শাহেদুজ্জামান সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্লাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে চালনটি চট্টগ্রামে পাঠান। রোববার ৩২২৪৩১৯ নম্বর টিসিকেইউ কনটেইনারটিতে তল্লাশি চালিয়ে এসব ভারতীয় মুদ্রা পায় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।