ফাঁসির পরে বীর চৌধুরী-মুজাহিদকে নিয়ে মিডিয়ার নোংরামী

0

জিসাফো ডেস্কঃ ফাঁসির পরে বীর চৌধুরী-মুজাহিদকে নিয়ে মিডিয়া যা করেছে তা বর্বর,অমানবিক,জগন্য নোংরামী।

দুটি খবর দেখুন বুঝতে পারবেন এরা কতটা নীচ,কতটা বর্বর।

খবর ১

বীর চৌধুরীকে কনডেম সেল থেকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে আসার জন্য তিন জল্লাদ তার কাছে গেলে জোর-জবরদস্তি করেন তিনি। পরে জল্লাদরা জোর করে যখন তার মাথায় জমটুপি পরিয়ে দেয় তখন কিছুটা শান্ত হয়ে দোয়া-দরুদ পড়তে থাকেন। যখন ফাঁসির মঞ্চে তোলা হচ্ছিল তখন আরেকবার পা শক্ত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাকা। জল্লাদরা শেষবারের মতো ধরে জোর করে ফাঁসির মঞ্চে তোলে তাকে( বাংলামেইল২৪)

সত্যি হচ্ছে “ফাঁসির মঞ্চে নেওয়ার সময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ কোনো বাধা দেননি। তারা দোয়া পড়তে পড়তে ফাঁসির মঞ্চে ওঠেন। চারজন করে আটজন জল্লাদ দুজনকে ধরে মঞ্চে ওঠান।’ (ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিসি) উপকমিশনার (ডিবি) নাজমুল হোসেন)

খবর ২
সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর ফাঁসিতে জামায়াত নেতারা খুশি এমন খবরের ভেতর বাংলামেইল২৪ লিখেছে ‘এ ব্যাপারে জামায়াত-শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘ আবার পরের লাইনে লিখেছেন ‘তবে নাম প্রকাশ না করা শর্তে বেশ কয়েকজন জামায়াত নেতারা এসব কথা জানিয়েছেন।’ অর্থাৎ জামায়াত নেতারা যে খুশি সেটাম জানিয়েছেন। যেখানে কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি সেখানে পরের লাইনে নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন জামায়াত নেতা খুশি এমনটা দাবী! কি হাস্যকর জগন্য সাংবাদিকতা!

কতটা অসভ্য, নীচ মানসিকতার মানুষরা এখন সাংবাদিকতা করে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। দুইজন মৃত মানুষের প্রতি যে সম্মান দেখানো উচিত আমরা তাও দেখাতে পারলাম না।আমাদের ক্ষমা করবেন মুজাহিদ,ক্ষমা করবেন সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী।