প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জিসাফো’র নিন্দা ও প্রতিবাদ

0

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
নিন্দা ও প্রতিবাদ ।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বি এন পি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কে নিয়ে বর্তমান স্বনির্বাচিত স্বৈরাচারী সরকার ও তার পদলেহী দালাল হলুদ মিডিয়ার অতি উৎসুক কিছু লোকজন উন্মত্ত নোংরামি ও মিথ্যা ভিত্তিহীন প্রচারনায় মেতে উঠেছে। নূন্যতম কোন তথ্য বা কোন প্রকার প্রমাণাদি ছাড়া তার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বি এন পি র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, তারুন্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের নামে “সৌদি আরবে অর্থনৈতিক দুর্নীতি” র এক কল্পনা প্রসুত কাহিনী কিছু বেওয়ারিশ অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশ ব্যাংক এর রিজার্ভ লুট, আই সি টি সেক্টরে সীমাহীন দুর্নীতি, ইউ এস এ তে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের প্রাসাদ, ৬০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি সহ হাজারো দুর্নীতি দেশি বিদেশী গনমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর জনবিচ্ছিন্ন,পুলিশ ও মিডিয়া নির্ভর,বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী এ সরকারের পাচাটা দালাল মিডিয়া হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ভিত্তিহীন এসব খবর প্রচারে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।
অপরদিকে বেগম খালেদা জিয়া ও জনাব তারেক রহমানের কোন দুর্নীতি না থাকায়, মিডিয়া কল্পকাহিনী বানাতে সাহস পায়নি। আজ শেখ হাসিনা তার সংবাদ সন্মেলনে “সকল সাংবাদিক দের মুখে রসগোল্লা ঢুকিয়ে দিয়েছে” এমন মন্তব্যের মাধ্যমে সকল সাংবাদিক দের ঘুষখোর বলেও আখ্যা দিয়েছে।
ক্ষমতায় থেকে,আদালত কে হুকুমের গোলাম বানিয়েও জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কল্পনাপ্রসূত অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রমানে ব্যার্থ হয় এই নির্লজ্জ, হীনমন্য, রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া আওয়ামী সরকার।
বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হয়রানীমুলিক মিথ্যা মামলা গুলোতে একজন স্বাক্ষীও উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষী দেয়নি,কারন অলীক কোন বিষয়ের উপরে এতবড় মিথ্যা স্বাক্ষী দেবার মত কেউ বোধ করি জন্মায় নাই শুধুমাত্র শেখ হাসিনা ও তার পালিত কিছু মানুষরুপী কুকুর ব্যাতীত।
আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার কোন কালেও ছিলনা।এদের জন্মই এদের প্রতিষ্ঠাতার সাথে বেঈমানীর মাধ্যমে।গুম,খুন,নারী ধর্ষন ও গণতন্ত্রবিরোধী এই দলটির ইতিহাস ই ব্যাংক লুট,জনগনের সম্পদ লুঠ, নির্যাতন আর হত্যার ইটে নির্মিত কলংকিত এক ইতিহাস। বিরোধী মতাদর্শ গুলোকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের পর শেখ মুজিব গড়ে বাকশাল এবং তারই ধারাবাহিকতায় শেখ মুজিব কন্য শেখ হাসিনা বাংলাদেশে কায়েম করেছে ডিজিটাল বাকশাল।দেশের প্রতিটি ইঞ্চির মানুষ আজ আওয়ামী দুর্বিত্তায়নে অতিষ্ঠ। রডের বদলে বাশ, অনিয়ন্ত্রিত দ্রব্যমুল্য,ঘুষ,শেয়ার বাজার লুট, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও তেলের সীমাহীন মূল্যবৃদ্ধি তে আজ এদেশের জনগনের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। পদ্মাসেতু সহ প্রতিটি রাস্তা নির্মানে এদের ব্যয় বিশ্বের সকল দেশের তুলনায় বেশী হলেও গুনগত মান নিকৃষ্টতম।দেশের জনগনের টাকা হরিলুটের মাধ্যমে আওয়ামীগের নেতা কর্মীরা আংগুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।
দুদকে আজ বিপাকে পড়েছে শেখ পরিবার ও তাদের দুর্নীতি নিয়ে। আজ দেশের বিচার বিভাগ ও তাদের করাল থাবায় আক্রান্ত। দেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম প্রধান বিচারপতি কে বলপূর্বক এই আওয়ামী সরকার ই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে।খুনের স্পষ্ট ভিডিও থাকা সত্ত্বেও খুনিদের বিচার হয়না হাসিনা শাষিত আমলে। ৫৭ জন সেনা সদস্যকে হত্যা করা হয় এই শেখ হাসিনার আমলে।
বিরোধীদলের নেতা কর্মী খুন, গুম ও শুরু হয়েছে এই আমলে,যদিও শেখ মুজিবের আমলেই সিরাজ সিকদার সহ প্রায় ৩০ হাজার লোক কে খুনের মাধ্যমে বাকশাল কায়েম করার চেষ্টায় উন্মত্ত হয়ে উঠেছিল ততকালীন রক্ষী বাহীনি।আওয়ামীলীগ ও তাদের কুকর্ম,দুর্নিতী,সন্ত্রাস,নারী ধর্ষণ, লুঠ তরাজ, খুন গুমের ইতিহাস লেলিন স্টালিন বা হিটলার কে ও হার মানাবে।
আমরা সুস্পষ্ট ভাবে বলে দিতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জনাব তারেক রহমান কে নিয়ে নোংরামি বন্ধ করুন। মিথ্যা,ভীত্তিহীন মনগড়া গল্পকথা বানাবেন না।আপনাদের পাচাটা দালাল মিডিয়াদের দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম,ব্লগ, ইউটিউব ও বেওয়ারিশ ওয়েবসাইট গুলোতে এসব ভাঁওতাবাজি বন্ধ করুন। মিডিয়াকে চাপ দিয়ে বানোয়াট কাহিনী বের করা থেকে বিরত থাকুন।আপনাদের এহেন কুকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে চাই, সামাজিক মাধ্যম কে মেধাভিত্তিক রাজনীতির চর্চা করার অবস্থাকে নষ্ট করবেন না,এর আগেও আপ্নারা করেছেন কিন্তু সফল হননাই।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সেনা দের কাছে তথ্য ও যুক্তিতে হেরে গালিবাজির আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি আপনাদের পোষ্য অনলাইন মিডিয়া গুলোর। এখন এসব বাড়াবাড়ি করবেন না।শুধু উত্তর পাবেন ভাবলে ভুল করবেন,দাঁতভাঙা জবাব পাবেন।তাই আপনাদের সুস্পষ্ট ভাবে বলে দিতে চাই, বেগম জিয়া ও জনাব তারেক রহমান কে নিয়ে নূন্যতম নোংরামির পরিনাম হবে ভয়াবহ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,
বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ ।
দেশনায়ক তারেক রহমান জিন্দাবাদ ।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অমরহোক ।
জিয়া সাইবার ফোর্স ।।