নির্বাচন কমিশন, সরকার ও প্রশাসন এ তিন ডাকাত মিলে জনগণের ভোট চুরি করেছে

0

জিসাফো ডেস্কঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ  বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন, সরকার ও প্রশাসন এ তিন ডাকাত মিলে জনগণের ভোট চুরি করেছে। এ নির্বাচন তারা যেভাবে করেছে তাতে ভবিষ্যতে জনগণ ভোটের আগ্রাহ দেখাবে না। ইউপি নির্বাচনের কর্মকর্তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী ও ইসির স্বাক্ষর করা কাগজ দেখিয়েছে নৌকা মার্কার প্রার্থীদের বিজয়ী করতে। এবং বলছে আমরা এখন কী করতে পারি। তাদের স্বাক্ষরকে তো সম্মান করতেই হয়। সম্মান না করলে তো চৌদ্দগোষ্ঠী শেষ করে দেবে। তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের দায়িত্ব তারা একেবারেই পালন করছে না। এখন সংবাদ পাওয়া সহজ। কিন্তু জনগণ সত্য সংবাদ পাচ্ছে না। সরকার ও তথ্যমন্ত্রীর চাপে মিথ্যা সংবাদ দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার তথাকথিত উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছে। প্রতিটা মেগা প্রকল্পেই লুটপাট হচ্ছে।তিনি বলেন, সরকার পতনে ৩/৪ মাস আন্দোলনের দরকার নেই। সরকার পতনে ৭ দিনের বেশি সময় লাগবে না।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন হান্নান শাহ।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় বিশেষ অবদানের জন্য দেশের বিশিষ্ট ১৫ জন নাগরিককে বিশেষ সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘এ আন্দোলন জনগণ ও মিডিয়াকে সঙ্গে নিয়ে করতে হবে। এ আন্দোলনের কর্মসূচি ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) বা যারা পারবে তাদের নিয়ে কর্মসূচির পরিকল্পনা করতে হবে। যখন যোগ্য নেতৃত্ব আসবে তখনই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন ঘটবে।সরকার দেশের স্বার্থ বিদেশের কাছে বিলিয়ে দিচ্ছে এমন অভিযোগ করে হান্নান শাহ বলেন, ‘দেশ সার্বভৌমত্ব হারাচ্ছে। মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। কেউ বললেই তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। তাকে যেতে হয় কারাগারে; না হয় গুম-খুনের শিকার হতে হয়। সাংবাদিক শফিক রেহমান, শওকত মাহমুদ ও মাহমুদুর রহমানের কী দোষ ছিল? সরকারের দৃষ্টিতে তাদের একটাই দোষ তারা সত্য কথা বলেন। আমি তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি। কারণ তাদের কোনো দোষ ছিল না।’বিএনপির সঙ্গে ইসরাইলের সর্ম্পক আছে সরকারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত না হওয়ায় মুখে যা আসে তাই বলে। শেখ হাসিনা মিডিয়া ছাড়া যে সব কথা বলে তা টেপ করে জনগণকে শোনাতে পারলে জনগণ বুঝতো শেখ হাসিনা কী চিজ।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব  সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।