পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল কর্মীর এতিম শিশুদের পাশে কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক(ঢা:বি:)শহিদুল ইসলাম বাবুল সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ

0

জিসাফো ডেস্ক : ২০১৩ সালের অবরোধের সময় পুলিশের গুলিতে রাজপথেই যুদ্ধরত অবস্থায় নিহত হয় ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক মোঃ ইন্তাজুল ইসলাম । স্বামীর মৃত্যুতে অনেকটা বাধ্য হয়েই আরেকটা বিয়ে করে নতুন সংসারে চলে যায় শহীদ ইন্তাজুল ইসলামের স্ত্রী।

পিতার আকস্মিক মৃত্যু এবং মায়ের দ্বিতীয় বিবাহে চরম অসহায় অবস্থায় পতিত হয় শহীদ ইন্তাজুল ইসলামের দুই শিশু কন্যা সুমাইয়া ও ফারজানার জীবন, একটি ভাঙ্গা ঘরে তাদের দাদীর সাথে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তাদের দাদা গাজীউর রহমান সহ নিকট আত্মীয় পুরুষরা পুলিশের গুলিতে নিহত মরহুম ইন্তাজুল হত্যা মামলা সহ আরও অনেক মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হয়েছে । মিথ্যা মামলায় অদ্যাবধি নিয়মিত কোর্টে হাজিরা দিতে দিতে ও মামলার খরচ যোগাতে গিয়ে ওদের চাষের শেষ জমিটুকু ও বেচা শেষ ।

এমতাবস্থায় শহীদ ইন্তাজুলের পরিবারের এই অসহায় অবস্থার কথা জানতে পারেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক(ঢাকা বিভাগ)জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি তৎক্ষণাৎ নিজে ছুটে যান ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়নে শহীদ ইন্তাজুলের বাড়ীতে।

সেখানে গিয়ে শহীদ ইন্তাজুলের দুই এতিম অসহায় শিশু কন্যা সুমাইয়া ও ফারজানা এবং শহীদ ইন্তাজুলের বাবা ও মায়ের সাথে দেখা করেন এবং তাঁদের সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল।

রাজপথে যুদ্ধরত অবস্থায় নিহত জাতীয়তাবাদী সেনা শহীদ ইন্তাজুল ইসলামের এতিম সন্তান দুইটি’র ভরন-পোষণের দায়িত্ব  অনুভব করতে পেরে জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি জাতীয়তাবাদী সমমনা দেশে অবস্থানরত এবং প্রবাসী সকল নেতা-কর্মী ও সংগঠন সমুহের প্রতি শহীদ ইন্তাজুলের এতিম সন্তান সুমাইয়া ও ফারজানার পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানান।

তার আহবানে সাড়া দিয়ে অনেকেই এই শিশুদের জন্য অকৃপণ সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

 

তার আহবানে সাড়া দিয়ে অনেকেই এই শিশুদের জন্য অকৃপণ সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দলীয় সকলের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অর্থ সহযোগিতা গতকাল ঝিনাইদহের মহেশপুরে শহীদ ইন্তাজুলের দুই এতিম অসহায় শিশু কন্যা সুমাইয়া ও ফারজানার কাছে, তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক(ঢাকা বিভাগ)জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল, এসময় তার সাথে আরও ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওমর ফারুক সাফিন, শেখ মোঃ শামীম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, হুমায়ন কবির, ছাত্রনেতা কে এম নাজমুল হক, শাহিনুর রহমান স্বপন।অত:পর নেতৃবৃন্দ শহীদ ইন্তাজুল ইসলামের কবর জিয়ারত করে মহান আল্লাহর নিকট মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেন।

জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল এর কৃতজ্ঞতা :

রাজপথে যুদ্ধরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে নিহত জাতীয়তাবাদী সেনা শহীদ ইন্তাজুল ইসলামের এতিম দুই শিশু কন্যা সুমাইয়া ও ফারজানার জন্য অকৃপণ সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া দেশে অবস্থানরত এবং প্রবাসী সকল জাতীয়তাবাদী নেতা-কর্মী ও সংগঠন সমূহের প্রতি তাদের এই শর্তহীন সহযোগিতার জন্য আমি মুগ্ধ,কৃতজ্ঞ ও অভিভূত। বিশেষ করে আমাদের প্রবাসী ভাই, বন্ধু Shohel Soheb, Ash Kabir Alauddin Ctg, Hadiuzzaman Khan Raju, MD S Faisal, আমাদের ফরিদপুরের বড় ভাই Kabir Siddiqui ,প্রিয় ছোট ভাই Easin M Robin, Rezaul Rimon, Safiquzzaman Mahfuz, তাছাড়া প্রবাসী অনলাইন ফোরাম, জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার্স ফোরাম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের এই সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কথা কোনোদিন ভুলবো না।তাছাড়া প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও আজ ঢাকা থেকে যারা এই মহৎ লক্ষ নিয়ে ঝিনাইদহ এসেছিলেন তাদের প্রতি রইল কৃতজ্ঞতা।

শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক(ঢাকা বিভাগ),

জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।