নির্বাচনের পরিবেশ থাকলে বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় প্রস্তুত

1

জিসাফো ডেস্কঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার এবং নির্বাচনের পরিবেশ থাকলে বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় প্রস্তুত। ৩০০ সংসদীয় আসনে বিএনপির ৯০০ প্রার্থী আছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থী বাছাই করছে, বিএনপি এ প্রক্রিয়া শুরু করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের কাজের সঙ্গে বিএনপির কাজের তুলনা করার প্রয়োজন নেই। বিএনপি একটা নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দল। বিএনপি নির্বাচনে বিশ্বাস করে। যদি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার থাকে এবং নির্বাচনের পরিবেশ প্রস্তুত থাকে, তাহলে বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় প্রস্তুত।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র আরও বেশি সংকুচিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যতই বুঝতে পারছে তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, ততই তারা গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত করছে। একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করছে। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বোঝা যাবে, জনগণ আওয়ামী লীগকে কোন জায়গায় রেখেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের মজুরি দিন দিন কমছে। কর্মক্ষেত্র নিরাপদ হচ্ছে না। যে কারণে বিভিন্ন সেক্টরে শ্রমিকেরা জীবন দিচ্ছেন।

এর আগে শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খানসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতারা।

  • Kamal Chowdury

    -২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি যে নির্বাচন আমাদের দেশে হয়েছে, তাতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না,জনগণকেও অংশ নিতে হয়নি। ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আসলে জোয়ান হোয়ের পরিহাসেরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ৫ জানুয়ারি যে ধরনের নির্বাচন হয়েছে, তা ‘জনগণের কাছ’ থেকে ‘গণতন্ত্রকে’ রক্ষা করেছে। তখন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে বা জনগণ তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে কী অঘটন ঘটিয়ে ফেলত,কে জানে!সামনের নির্বাচনে জনগণ ভোটের সুযোগ পেলে যে কোনো ‘অঘটন’ ঘটাবে না, তা কি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে? জনগণ অংশ নিক এমন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিয়ে সম্ভবত আমাদের বুদ্ধিজীবী মহলে একটি ভয় রয়েছে। তাই দুনিয়াজুড়ে গণতন্ত্রের বাজে দশা নিয়ে যখন এত আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক ও উত্তরণের পথ খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে, তখন আমরা চুপ আছি। জনগণকে বাদ দিয়ে বা জনগণের কাছ থেকে ‘গণতন্ত্রকে’ বাঁচানোর পথকেই হয়তো দস্তুর মানছি।