নিউইয়র্কে বিক্ষোভের মুখে শেখ হাসিনা

0
কে.এম সাদ্দামঃ বিক্ষোভের মুখে জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৪: ২০ টায় নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমান বন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় বিমানবন্দরে জড়ো হওয়া বিএনপি সমর্থক শত শত নেতাকর্মী শেখ হাসিনার সরকারকে অবৈধ উল্লেখ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সরকার বিরোধী নানা শ্লোগান সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন হাতে মাথায় কালো কাপড় বেঁধে দুপুর থেকেই বিমান বন্দর এলাকায় অবস্থান নেয় বিএনপির নেতা কর্মীরা। বাংলাদেশে গুম-খুন, মামলা-হয়রানী বন্ধ, রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রতি সংহতি ও অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, শরাফত বাবু, জসিম ভূইয়া, আব্বাস উদ্দিন দুলাল, রকিব উদ্দিন দুলাল, ওমর ফারুক, সৈয়দ জোবায়ের আলী, মোশাররফ সবুজ, আতিকুল হক আহাদ, মাওলানা আতিকুল্লাহ, সাইদুর রহমান, সেলিম রেজা, আল মামুন, পরান চৌধুরী, কামরুল হাসান প্রমুখ। বিক্ষোভের আয়োজক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টন বলেন, আমাদের এই বিক্ষোভ শেখ হাসিনার চরম আমানবিক, অনৈতিক ও স্বৈরাচারী আচরনের বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে শেখ হাসিনা। এই অবৈধ সরকার প্রধানের জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এই নেতা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গোটা বিশ্ব আজ আস্থাশীল। বাংলাদেশে গনতন্ত্র পূনপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং আবারো বিশ্বসভায় তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে। জসিম ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিনত করে গুম-খুনের মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে যা আজ বিশ্ববাসীর কাছে পরিস্কার। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিষর্জন দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন শেখ হাসিনা। লুটপাট আর স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের এই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে অব্যাহত থাকবে। শরাফত বাবু বলেন, গুম-খুন করে এই সরকার বেশি দিন টিকে থাকতে পারবেনা। অচিরেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।