নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রের ঝনঝনানী চলছে,নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ করার আহ্বান:বিএনপি’র

0

জিসাফো ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে (নাসিক)ভোটের আগেই যেন নির্বাচনের জানাজা না হয় সেজন্য আবারও সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

রাজধানীর নয়া পল্টনে শুক্রবার সকালে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘আগামী ২২ ডিসেম্বর নাসিক নির্বাচন। ভোটগ্রহণের আগেই যেন নির্বাচনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত না হয় সেদিকে নির্বাচন কমিশনকে লক্ষ্য রাখতে হবে। নির্বাচন যাতে প্রতিযোগিতামূলক, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, অবাধ এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভয়-ভীতিহীনভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সেটি যেন নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে পারে।’

নাসিক নির্বাচন নিরপেক্ষ করার জন্য কমিশন উদ্যোগী হবে,  সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে নারায়ণগঞ্জের দলবাজ প্রশাসনকে সরিয়ে দিয়ে নিরপেক্ষ প্রশাসন বসানোর দাবি জানান তারা।

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রের ঝনঝনানী চলছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, কমিশনকে অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈধ অস্ত্র জমা নিয়ে নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। নির্বাচনী তফশিল ঘোষণার শুরু থেকেই গডফাদারদের দাপট প্রদর্শনের ভঙ্গি ক্রমেই বিস্তারলাভ করছে। তাই আমি আবারও আমার দলের পক্ষ থেকে নাসিক নির্বাচনে নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ করার আহ্বানজানাচ্ছি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সারা দেশে জমি দখল, মানুষের প্রাণনাশের হুমকি, শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষমতাসীনদের হাতে খুন হচ্ছেন। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ-যুবলীগ জড়িত থাকায় তারা কোনো বিচার পাচ্ছেন না।

সারাদেশে আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হাতে মুক্তিযোদ্ধারাও নির্যাতিত হচ্ছে অভিযোগ করে রিজভী আরও বলেন,  ‘বর্তমানে দেশের সাধারণ জনগণ, স্কুল-কলেজের মেয়েদের অভিভাবক, সমাজের বিশিষ্টজন থেকে শুরু করে মুক্তিযোদ্ধারাও নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন শাসকদলের সন্ত্রাসীদের হাতে। জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন ছাড়াও ক্ষমতাসীনদের হাতে নির্মমভাবে খুন হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধারা। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ-যুবলীগ জড়িত থাকায় কোনো বিচার পাননা ভুক্তভোগীরা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই এসমস্ত নারকীয় ঘটনা ঘটছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সহ-দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন আইনবিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।