দল পুনর্গঠন ও জোট মেরামতে নিজ সিদ্ধান্তে অটল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

0

জিসাফো ডেস্কঃ সরকার বিরোধী আন্দোলন নয়, দল ও সংগঠনকে পোক্ত করাই এখন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পিছিয়ে থাকবেন না সরকার বিরোধী জনমত তৈরিতেও। দেশের সুশীলদের নিয়ে যুক্ত থাকবেন সেই কাজে। আর খুব শিগগিরই সম্পূর্ণ নিজ সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি ও শরীক দলগুলোকে মেরামতের জন্য জোট নেতাদের সঙ্গেও বসবেন বৈঠকে।

কেন নিজ সিদ্ধান্তের ওপরই গুরুত্ব দিবেন খালেদা? এমন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন দেশের নানা শেণির সুশীল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, বিএনপি সাংগঠনিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে, এটা পানির মত পরিস্কার। আর দলটির এই দুর্বলতার জন্য বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতাই দায়ি। এছাড়াও বিএনপি ও শরীক নেতাদের মধ্যে রয়েছে যথেষ্ট সুষ্ঠু যোগাযোগের দূরত্ব। আর নানা সময়ে সরকার দলীয়দের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগও উঠেছে বিএনপিসহ শরীক নেতাদের বিরুদ্ধে। তাই একক সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব দিয়ে রাজনীতির মাঠে এগোতে চান বিএনপি চেয়ারপাসন।

বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের নেতারাও এমটিই ভাবছেন। কেন্দ্রীয় মাঠ পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছে, বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার একমাত্র কারণ হচ্ছে শীর্ষ নেতাদের ব্যর্থতা। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগেও দলের হয়ে কখনো মাঠে পাওয়া যায়নি এমন সুযোগ সন্ধানীরা বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে না আসায় সুযোগ সন্ধানীদের আশায় ‘গুড়ে বালি পড়ে’। তাই তারা আবার উধাও হয়ে গেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন সহ উপর মহলের সুযোগ্য নেতারাও বিষয়টি এখন বুঝতে পেরেছেন বলে জানান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মাঠ পর্যায়ের নেতারা।

বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে বলছেন, খুব শিগগিরই দলের সিনিয়র নেতাদের এবং সুশীলদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দলপুনর্গঠনের সর্বশেষ তথ্য জানতে চাওয়া হবে নেতাদের কাছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সম্প্রতি বলেছেন, এই মূহুর্তে দল পুনর্গঠনকেই গুরুত্ব দিবেন বিএনপি চেয়ারপারসন। আর তৃণমূল পর্যায়েও কাজ চলছে। আর কিছুদিনের মধ্যেই দলের জাতীয় কাউন্সিল করা হবে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডনে যাবার আগেই ছাত্রদলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কমিটি তালিকা তার কাছে দেওয়া হয়েছে।