তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রায়ের প্রতিবাদে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

0
বাংলাদেশের জনগণের ঘাড়ে চেপে বসা ভোটবিহীন অবৈধ সরকারের প্রতিহিংসা চরিতার্থকারী, বিচারক নামধারী কিছু পাদলেহী নপুংশকের দেওয়া রায়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যত কর্ণধার তারেক রহমানকে অন্যায় দন্ডে দন্ডিত করার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে অস্ট্রেলিয়া বিএনপি । গত ২১শে জুলাই সিডনির লাকেম্বায় এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রায়ের প্রতিবাদ এবং অবৈধ সরকারের পদলেহী বিচারকদের প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানানো হয়। সমাবেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া বিএনপি নেতারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, তারেক রহমানের দিকে আঙ্গুল তোলার ধৃষ্টতা দেখালে অবৈধ সরকারকে সারা বিশ্বের সামনে আরো অপমানজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন করা হবে । সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী জনগণের আগামীতে সকল আন্দোলনে বিএনপি অস্ট্রেলিয়া সম্ভবপর সকল আর্থিক ও বৈষয়িক সহযোগিতা করবে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সম্মানিত আহবায়ক জনাব হুমায়ের চৌধুরি রানা, যুগ্ন-আহবায়ক ব্যরিস্টার নাসিরুল্লাহ, জনাব আশরাফুল ইসলাম, জনাব নাফিস আহমেদ এবং জনাব তৌহিদুল ইসলাম। এছাড়াও সমাবেশে যোগ দেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জনাব ফারুক খান। সমাবেশের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দপ্তর সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন। শুরুতেই প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জনাব ফারুক খান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ করতে আওয়ামী বাকশালীরা একদল দালাল বিচারপতিকে লেলিয়ে দিয়েছে। এইসব বিচারপতিদের সত্য মিথ্যা বিচারের কোন যোগ্যতাই নেই। এদের কোন রায় বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। যুগ্ন-আহবায়ক ব্যরিস্টার নাসিরুল্লাহ বলেন, অস্ট্রেলিয়া বিএনপি এই রায় প্রত্যাখ্যান করছে এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যেকোন প্রকার প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত আছে। এই অবৈধ সরকার বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে দেশপ্রেমিক জনগণের ভোটাধিকার বঞ্চিত করার ও বিরোধীদলকে নিষ্পেশন করার কারখানা বানিয়েছে। তিনি এইসকল বিচারপতিদের প্রতিরোধ করার আহবান জানান। যুগ্ন-আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের আজকের বিপদজনক পরিস্থিতির জন্য আওয়ামীলীগ যেমন দায়ী, একটি নির্বাচনবিহীন অবৈধ সরকারকে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অবিরত মদদ দেওয়ার জন্য ভারত সমান ভাবে দায়ী। আওয়ামীলীগের ভারতের জোড়ে এখনো টিকে আছে। তাই সকল বাংলাদেশী মাটির সন্তানের উচিত ভারতের বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে সোচ্চার হওয়া এবং তাদের মুখোশ খুলে দেওয়া। ভারতকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দেওয়ার সকল চেষ্টা আগামীতে করা হবে। যুগ্ন-আহবায়ক নাফিস আহমেদ বক্তৃতায় বলেন, তারেক রহমানের মিথ্যা রায় বাংলাদেশের মাটিতে আইএস এর জঙ্গী হামলা আড়াল করার জন্য অবৈধ আওয়ামী মিথ্যাবাদীদের একটি চালমাত্র। যার সাথে আমরা ইতিমধ্যে পরিচিত। এসব করে আওয়ামীলীগ নিজেদের বিপদ ডেকে আনা ছাড়া আর কিছুই করছে না।
যুগ্ন-আহবায়ক জনাব আশরাফুল ইসলাম বলেন, অস্ট্রেলিয়া বিএনপি বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশের বিএনপিকে একত্রিত হওয়ার আহবান জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশের ফাসিবাদী আওয়ামী দখলদার সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সদস্য সচিব জনাব রাশেদুল হক। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রকে ঘুষ প্রদান ব্যতীত কোন কাজ হয় না। ব্যাংক খাতের হাজার কোটি টাকা গায়েব, রিজার্ভ ব্যাংক লুট ইত্যাদি ছাড়াও এই জাতীয় ডাকাত সরকারের আমলে ঘটা শেয়ার বাজার কেলেংকারী, হলমার্ক, ডেস্টিনি, পদ্মা সেতু সহ সকল ডাকাতির মূলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন, অথচ মিথ্যা মামলার সাজা পায় বাংলাদেশের ভবিষ্যত কান্ডারী তারেক রহমান। এই পরিবারের হাত থেকে বাংলাদেশকে বাচাতেই হবে, তার জন্য সকল বাংলাদেশীদের একযোগে কাজ করতে হবে। সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতা করেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার আহবায়ক জনাব হুমায়ের চৌধুরি রানা। তিনি বলেন, তারেক রহমানের প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিহিংসার কারণ তার নিজের পূত্র একজন ব্যর্থ রাজনীতিক এবং তারেক রহমানের জনপ্রিয়তার ধারের কাছেও তিনি যেতে পারেনি। এই কারণে গৃহপালিত বিচারকদের দিয়ে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে খাটো করার ব্যর্থ চেষ্টা করে চলেছে। তাতে কোন লাভ হবে না।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, যুগ্ন-সদস্য সচিব জনাব এডভোকেট আবু সাঈদ শিবলু গাজী, যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রদল অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমান তুহিন, ছাত্রদল অস্ট্রেলিয়ার সেক্রেটারি ইসতিয়াক আহমেদ আদনান, নজরুল ইসলাম রাসেল, সিডনি মহানগর বিএনপি নেতা গোলাম মোস্থাফা, মোঃ খালেদ হোসাইন, নজরুল ইসলাম নাফিস, আখতারুজ্জামান রাশেদ, বসির আহমেদ, মোঃ মঈনুল ইসলাম নোমান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম, মোঃ আলি, লুতফর রহমান, মোঃ মাসুদ সরকার, মোঃ আব্দুল হোসাইন, মোঃ রাশেদ, সোহাগ, হাসেম, মোঃ মানিক, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ শাহজাহান, মোঃ মঈনুল ইসলাম, মোঃ ইমদাদুল হক চৌধুরী, বশির, আশরাফুল চৌধুরী, শরিফ, নাঈম আহমেদ, মাহফুজ সহ সকল নেতাকর্মীবৃন্দ।