টেকনাফে শিশুকে ধর্ষণের পর গাছে ঝুলিয়ে হত্যা!

0

টেকনাফে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে শিশুর পিতা বাড়ির পাশের পাহাড়ি এলাকায় গাছে ঝুলন্ত মেয়ের লাশ উদ্ধার করেন।

খবর পেয়ে বিকালে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশ শিশুর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছেন।

নিহত শিশু টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী গ্রামের দিনমজুর শফিউল্লাহর মেয়ে সাদিয়া সুলতানা উম্মি (৮)। সে স্থানীয় নুরানী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

নিহত শিশুর চাচা রফিক উল্লাহ জানান, পার্শ্ববর্তী ইউসুফ নামে এক ব্যক্তি ও তার ভাই একসঙ্গে দিনমজুরির কাজ করেন। ইউসুফের কাছে তার ভাইয়ের কিছু টাকা জমা ছিল।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে ভাই মেয়েকে ইউসুফের কাছে দিনমজুরির বকেয়া টাকার জন্য পাঠায়।

অনেকক্ষণ পরও ফিরে না আসায় ইউসুফের বাড়িতে গিয়ে দেখে মেয়েটি সেখানে যায়নি। এরপর বিভিন্ন স্থানের খোঁজাখুঁজি করেও শনিবার মেয়েকে পাওয়া যায়নি।

রোববার সকাল থেকে ফের খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে পাহাড়ের ভেতর গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মেয়ের লাশ পাওয়া যায়।

নিহত শিশুটির চাচা আরও জানান, মেয়েকে ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন তারা। তবে এ ঘটনায় জড়িত কারা জড়িত থাকতে পারে সে ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেননি।

বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশ জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউসুফ নামে এক ব্যক্তিতে পুলিশ ফাঁড়িতে আনা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার সোনা আলী জানান, নিহত শিশুর পিতা শফিউল্লাহ দিনমজুরির কাজ করতো আর পাহাড়ি এলাকার কাছাকাছি বসবাস করতো। শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

টেকনাফ থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া শিশুর লাশ উদ্ধারের সংবাদ নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্তে জানা যাবে। উৎস যুগান্তর