টাঙ্গাইল হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ দের বাচাতে মরিয়া পুলিশ প্রশাসন, পালটে দিল এজাহারের বর্ণনা

0

জাবিন সাজ্জাদঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর ঘটনায় অভিযুক্তদের বাঁচানোর অপতৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ টাঙ্গাইলের ছেলেকে দিয়ে মায়ের শ্লীলতাহানীতে যে বাধ্য করা হয়েছিল, তা উঠে এসেছে, সেই মায়ের কণ্ঠেই। পুলিশ অভিযুক্তদের বাঁচাতেই পরিকল্পিতভাবে ঘটনাকে ভিন্নভাবে প্রবাহিতের চেষ্টা করছে।এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনির গুলিতে যে চারজন নিহত হয়েছে তার দায় ও এলাকাবাসীর দিকে চাপানো হচ্ছে। মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ছবিতে দেখা যায়, ঘটনার পরপরই প্রতিবাদ জানাতে, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জড়ো হয়েছিলেন মূল হোতা রফিকুলের ইসলাম রোমার বাড়িতে।

images

কিন্তু তাদের ভয়ভীতি দেখান রফিকুল ও তার ভগ্নিপতি হাফিজ উদ্দিন। ওই সময় ঘটনার বিবরণও এলাকাবাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু পুলিশের এজহারে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও মামলার বিবরণেও রয়েছে ব্যাপক পার্থক্য। তবে এ ব্যাপারে মুখ খুলছে না পুলিশ। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে, কালিহাতী থানায় নিয়ে যায় স্থানীয়রা। কিন্তু এ বিষয়ে মামলা হলেও অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করে পুলিশ। যে কারণে মামলার বিবরণ আর ভুক্তভোগীর বক্তব্যে পার্থক্য অনেক। ছেলেকে দিয়ে যৌন নির্যাতন করা হলেও এজাহারে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এসব ঘটনার কথা। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী, তাই পুলিশ তাদের বাঁচাতে কাজ করছে…তাই ঘটনার দিনই রাস্তায় নামে সাধারণ মানুষ। তাছাড়া অভিযুক্তদের আটকের পরও রিমান্ডে না নেয়ায় ক্ষোভ বাড়ে তাদের। যার ফলাফল শুক্রবারের সংঘর্ষ। তবে পুলিশের গুলিতে চারজনের মৃত্যু হলেও মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, স্থানীয় দুপক্ষের গোলাগুলিতে মারা গেছেন তারা। এমন বর্বরতার ছবিও তোলা হয়। এলাকাবাসীর দাবী অভিযুক্ত হাফিজউদ্দিনের কাছে পুলিশি বর্বরতার ছবি আছে সেই ছবি উদ্ধার করা হলে স্পষ্ট হবে পুরো ঘটনাটি। কিন্তু এ ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চুপ পুলিশ।