টংগী-গাজিপুর এর রাজপথ কাপানো এক নির্ভীক যোদ্ধা-জসিমউদ্দীন ভাট

0

হাজী মোহাম্মদ জসিম ভাট ১৯৬৮ সনে গাজিপুর জেলার টংগী থানার আরিচপুর গ্রামের মরহুম আ:লতিফ ভাট মাতা মরহুমা সামোনা খাতুন এর সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।তিনি গাজিপুর জেলাতেই শিক্ষা জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি ১৯৮৭ সালে ছাত্র দলের মাধ্যমে জাতিয়তাবাদী দলে সম্পৃক্ত হন।

received_933504296718314

তিনি আরিচপুর গ্রামে সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি ছিলেন।তৎকালিন টংগী পৌরসভা ৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ছিল সেখানে পরবর্তিতে টংগী থানা যুবদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।পরবর্তিতে কাউন্সিল হওয়ার পরে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।একই বছর গাজিপুর জেলা যুবদলের কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে মনোনীত হন।পরবর্তিতে তিনি টংগী থানা যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন এবং তিনি গাজিপুর জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।

received_933504980051579

এরপর টংগী থানা কাউন্সিল হলে তিনি টংগী থানা যুবদলের সিননিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।তার পরবর্তিতে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর ঘটনায় তৎকালীন সভাপতি ও টংগী পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মফিজউদ্দিন আহম্মেদ মৃত্যুবরন করার পর তিনি টংগী থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করেন।এ সময় কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়,গাজিপুর জেলা যুবদলের কোন কমিটি ছিল না বিধায় তৎকালীন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি জননেতা মির্জা আব্বাস ও জননেতা গয়েশ্বর রায়ের বিশেষ ক্ষমতাবলে জসিম ভাটকে টংগী থানা যুবদলের আহবায়ক করা হয়।

এরপর থেকে বিগত দিনে গাজিপুর জেলা যুবদল এবং টংগী থানা যুবদলের কোন কাউন্সিল বা কমিটি হয়নি বিধায় হাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ভাট টংগী থানা যুবদলের সভাপতি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি সভাপতি থাকা অবস্থায় টংগী থানা যুবদলকে শক্তিশালী করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নেতা কর্মীদের নিয়ে গঠন মূলক কর্মকান্ড মনোনিবেশ করেন।তিনি টংগী পৌরসভা যে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত তার মধ্যে ৮টি তে কর্মঠ মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মী নিয়ে কমিটি কঠন করতে পেরেছিলেন।তিনিই অগোছাল যুবদলকে ঢেলে সাজাতে নতুন কমিটি সংগ্রহ অভিযানে নেমেছিলেন এবং এতে তিনি সফল ভাবেই তা করতে পেরে ছিলেন।

আন্দোলনে জসিম ভাটঃ

৯০এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন কারানির্যাতিত, সেই একই বছর তার নামে দুটি মামলা দেয়া হয় এবং টংগী বাসষ্টেন্ডে তাকে পুলিশ শারিরিক নির্যাতন করেন।পরবর্তীকালে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ১৮টি মমিথ্যা মামলার দায়ভার তাকে বহন করতে হয়।এর পর্যন্ত এর থেকে তিনি ১৩বার কারাবরণ করেন।থানায় ৪বার পুলিশ রিমান্ডের শিকার হোন।৪বার ডিটেনশন খাটেন, এক একটি ডিটেনশনের মেয়াদ ছিল ৬মাস।

received_933504930051584

পৈতৃকভূমি, ভিটা বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। স্থানীয় আওমীলীগ কর্তৃক তার বাড়িতে হামলা হয়।যে বাড়িতে জসিম ভাটের জন্ম শৈশব কাল কেটেছে যেখানে সে বাড়ি ভেঙে ফেলে।তার বাড়ির উপর দিয়ে জোর করে রাস্তা তৈরি করে।এ সব কিছুর জন্য অপরাধ একটাই তিনি বিএনপি করেন,তার বাবার অপরাধ কেন সে তার সন্তানকে বিএনপি করাতে বাধা দেননি।

এখানেই শেষ নয়,

যত মামলা হয়ে ছিল জসিম ভাটের নামে কিন্তু পুলিশ যখন তার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় তখন তার ঘড়ের আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে।দুক্ষজনক হলেও বলতে হচ্ছে তল্লাশি করতে গিয়ে তার স্ত্রী সন্তানকেও প্রহার করে পুলিশ, প্রহারে তার স্ত্রীর হাত ভেঙে যায়।এতে তার স্ত্রী সন্তান দীর্ঘ সাত দিন হাসপাতাল ছিলেন।

জসিম ভাট সব সময় কৃতজ্ঞ দলের নেতা-কর্মীদের কাছে সে কারাবন্দী অবস্থায় অসুস্থ স্ত্রী সন্তানের খোজ খবর রেখেছেন সবাই।শহিদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের ১৯দফা কর্ম সূচী ও তার সততাই উজ্জিবিত করেছে জসিম ভাটকে।তাই তিনি এতো ত্যাগ স্বীকার করেও দলের সাথে রয়ে গেছে।নানান প্রলোভন,মিথ্যা মামলা-হামলায় ও বিরোধীদের সাথে আতাত করেনি এই ত্যাগী নির্যাতিত মানুষটি।

যতই মিথ্যা মামলা হামলা হোক না কেন সৎ নির্ভীক এই মানুষটার মুখে একটি ই কথা- এই বাকশালী সরকার,জালেম সরকার,এজিদের হাত থেকে এই দেশের মানুষকে মুক্ত করতে দেশনেত্রী, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে দলের প্রতি শ্রদ্ধারেখে তারুন্যের অহকার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোয্য সন্তান তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আর্দশ বাস্তবায়নের লক্ষে আমি সদা প্রস্তুত আগুনের কুন্ডলীতে ঝাপ দিতে।

received_933503843385026

গাজিপুর মহানগর যুবদলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কথা হাজী জসিম ভাট দুঃশসময়ের কান্ডারি আমরা তাকেই মহানগর যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখত চাই ।

তথ্য ও আলোকচিত্র সংগ্রহঃ আল্ফাজ উদ্দীন

প্রবাসী লেখক।