টংগীতে দেখা দিয়েছে গ্যাসের তীব্র সংকট

0

জিসাফো ডেস্কঃ টংগীতে দেখা দিয়েছে গ্যাসের তীব্র সংকট।ভোর ৬টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।দুপুরে থাকলেও সামান্য যা রান্না করতে যথেষ্ঠ নয়।

এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি আবাসিক গ্রাহকদের। অনেক এলাকায় চুলা জ্বলছে টিমটিম করে। অনেক এলাকায় চুলা জ্বলছে না বললেই চলে। বিশেষ করে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সংকট তীব্র। গ্যাস-সংকটের কারণে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে অনেক সিএনজি স্টেশন।

প্রসঙ্গত,টংগী ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা গ্যাসের সংকটে অতিষ্ট।টংগী মধ্য আরিচপুরের নাবিলা হাউজের  গৃহিণী অনামিকা মাহবুব সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গ্যাসের চুলা ব্যবহার করতে পারেন না। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শীতের মধ্যে শুনেছি, শীতে গ্যাস সংকট হয় কিন্তু গরম কালেও গভীর রাতে পরদিনের রান্না করে রাখতে হয়। এটা অসহনীয়।টংগী মধুমিতার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন আলাদা সিলিন্ডার কিনেছেন বলে জানালেন।মাছিমপুর সুদেব ঘোষকে রান্নার জন্য কেরোসিন চুলার ব্যবস্থা করতে হয়েছে।পশ্চিম আরিচপুরের ভাড়াটিয়ারা অন্যত্র বাসা নিচ্ছে,বাড়িওয়ালাদের রুমও ভাড়া দিতে পারছে না।

‘অভিযোগ তো আসছেই, লিখে রাখা সম্ভব না। কোন কোন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে না, তা বলা বরং সহজ।রাজধানীর গ্যাস-সংকট নিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জরুরি নিয়ন্ত্রণকক্ষে কর্তব্যরত এক কর্মীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এমন জবাবই দেন। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, শীতকালে গ্যাসের কিছু সমস্যা থাকে,তবে গরম কালেও।এবার প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহও অনেক কম বলে সমস্যা প্রকট হচ্ছে।
এছাড়াও এলাকাবাসী সিটির বিভিন্ন সুযোগ  সুবিধাই পাচ্ছে না বলে জানা যায়।অল্প বৃষ্টিতে রাস্তা ঘাট তলিয়ে যায় নিচু বাড়িতে পানি উঠে।ড্রেন সংকটসহ রাস্তা ঘাটের  বেহাল দশা।গাজিপুর বাসীর কথা এই অবৈধ সরকার আমাদের শাস্তি দিচ্ছে,আমাদের অপরাধ আমরা অধ্যাপক এম.এ মান্নানকে মেয়র বানিয়েছি কেন।