জিয়া এবং জিগাংসা

0

বাংলাদেশ এবং জিয়া একটি অবিচ্ছেদ্য নাম।নামই শুধু নয় একটা অলংকার বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের। দেশ জন্মের উষালগ্নে যখন সব দিক নিস্তব্ধ-বেসামাল-উন্মাদ-বিহ্বল-কিংকর্তব্যবিমূঢ়তায় শেয়ার সাত কোটি মানুষ যখন অনিশ্চতায় নিমজ্জত তখন ইথারে মেঘের ডানায় ভোর করে ভেসে এসেছিলো এক অমোঘ বাণী -স্বাধীনতার সংগ্রামে অস্ত্র সহ শত্রুকে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান।স্বাধীনতার ঘোষণা – বাংলার আকাশ বাতাস মাটি কে প্ৰকমম্পিত করেছিল সেই আহ্বান – মেজর জিয়ার সেই আদেশ- উপদেশ এবং ঘোষণা।

কালের বিবর্তনে , রাজনৈতিক মেরুকরণে, নব উপলব্ধির আগমনে, স্বার্থ সিদ্ধি চরিতার্থ করার অপপ্রয়াসে আর যাই করা যাবে বা করা হচ্ছে কিনা সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হচ্ছে কেউই পারবে না বাংলাদেশের জন্ম-বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা-বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস থেকেজিয়ার নাম মুছে ফেলতে।

জিয়া জাগরুক থাকবে এই বাংলার পথে , প্রান্তরে, কৃষকের হৃদয়ে, মসজিদ মন্দির, গির্জায়, শ্রমিকের স্লোগানে, সশস্ত্ৰ সেনানীর বর্দীতে, কুচকাওয়াজে।

জিয়ার পদক কে কাকে দেয় পদক – জিয়া বাংলার সকল পদকের বড় পদক শ্রেষ্ঠ সিপাহীসালার – জিয়ার ললাটে কেই লাগায় মেডেল কে দিবে তাঁকে পদবী – জিয়া মানেই পদক সকল পদকের সেরা পদক। কেঁড়ে নিয়ে করোনা নিজেকে নিজে ছোট ! জিয়া নামটি আমার জাতির সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বীরের – যে জীবন বাজী রেখে সেদিন এনেছিল আশার আলোক দীপ। নিতে পারবে না সেই সোনালী অতীতের স্মৃতি। জিয়া হৃদয়ে জাগরুক সর্ব কালের সবচে’ মহান বাঙালি সেনানী। পদক কেড়ে নেওয়া জিয়া পদকের জন্য সেইদিন উৎসর্গ করতে উদ্দত হয়নি জীবন। সেদিন জিয়া মহা সমুদ্রে হাল ভাঙা জাতির সোপানের দিক নির্দেশক-কান্ডারী।

জিয়া থাকবে। জিয়া ছিল। জিয়া আছে হৃদয়ে হৃদয়ে। জিয়া অম্লান। জিয়া অনির্বান। জিয়া ভীম ভাসমান টর্পেডো মাইন্। জিয়া মুক্তি। জিয়া সেনানী। জিয়া বাংলার জিয়া। জিয়া জিও হাজারো সাল।

লেখক

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১