জবি শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিতে চাইল যুবলীগ নেতা!

0

জিসাফো ডেস্কঃজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিতে ক্যাম্পাস পর্যন্ত ধাওয়া করেছে সূত্রাপুর থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পীর নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী। পরে এ খবর জানতে পেরে তাদেরকে প্রতিহত করে জবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অভি জনসন রোডে সুত্রাপুর থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে এক রিক্সা চালককে থাপ্পড় মারতে দেখেন। এ সময় জবি শিক্ষার্থী অভি যুবলীগের ওই নেতাকে রিক্সা চালককে না মারতে অনুরোধ করেন। এ সময় বাপ্পী, অভির পরিচয় জানতে চাইলে অভি জগন্নাথের শিক্ষার্থী বলে জানায়। বাপ্পী নিজেকে ওয়ার্ড কমিশনার আরিফের ছোট ভাই পরিচয় দেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে যুবলীগ নেতা বাপ্পী, অভিকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিতে চায়।

খবরটি ছড়িয়ে পড়লে জবির শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে বাপ্পীকে মারতে উদ্যত হলে সে দ্রুত পালিয়ে যায়। কয়েক মিনিট পর বাপ্পী লাঠিসোটাসহ সূত্রাপুর যুবলীগের ২০-২৫ জনকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় জবির শিক্ষার্থীরা ফের তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জবি শিক্ষার্থীরা সূত্রাপুর থানার বাসিন্দা ফয়জুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির মোটর সাইকেল ভাংচুর করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৪৩নং ওয়ার্ড কমিশনার আরিফ হোসেন ছোটন বলেন, ‘বাপ্পী আমার রাজনৈতিক ছোট ভাই, তার সাথে জগন্নাথের কিছু ছেলের কথা কাটাকাটি হয়েছে। পরে এ বিষয়টি আমরা আলোচনা করে ক্যাম্পাসে মীমাংসা করতে যাই। ফিরে আসার পথে আমাদের কয়েক জনের সাথে হাতাহাতি হয় শিক্ষার্থীদের। এতে আমাদের মহল্লার ফয়জুল্লাহর মটরসাইকেল ভাংচুর করে জগন্নাথের ছেলেরা। পরে অবশ্য আমরা বিষয়টি সমাধান করেছি।’

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি দেখেছি। দুই পক্ষকে ডেকে আমরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করব।’

এ বিষয়ে জানতে বাপ্পীকে ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

কোতায়ালি থানা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার বদরুল হাসান বলেন, ‘বহিরাগত কিছু লোকের সঙ্গে জবি শিক্ষার্থীদের হালকা একটু ঝামেলা হয়েছিল। আমরা গিয়ে দু’পক্ষকে শান্ত করে ফিরিয়ে দিয়েছি। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’