ছাত্রদলের জবানবন্দী- মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল

0

মরা হাতিদের টানার দায় ছাত্রদল নিবে কেন। গভীর দেখার মাঝে যেমন সামগ্রিকতা থাকে না তেমনি সামগ্রিক দেখার মাঝেও গভীরতা নেই । কেবল তাকিয়ে থাকা যেমন দেখা নয়, আবার দৃষ্টির ভিন্নতায় একই বস্তু বহুরুপ ধারন করে। আতশী কাচ দিয়ে দেখলে বিন্দুকে সিন্ধু মনে হয়, আর শত্রুর কোন সৌন্দর্যয় চোখে পরে না। এ কমিটির দৃষ্টিভঙ্গি , আচারনগত বৈশিষ্ট্য ও ব্যাক্তি পছন্দের ধরন এক কথায় – “ হৃদয়বিদারক”।

তারা ইচ্ছা করে ভুলে গিয়েছিল-“ Chair make a man perfect but chair is not to make a man parfect”. তাদেরকে কোন ভাবেই বোঝান যায়নি – “হালি ধরে ডিম বিক্রি হলেও , হালি দরে তো আর আলু পটল বিক্রি হয় না” ক্ষমা চেয়েই বলছি-“ মূর্খতা কোন অপরাধ ন্যায়, কিন্তু মূর্খতার সঙ্গে যদি দুষ্টবুদ্ধি যোগ হয় তবে তা অত্যন্ত ভায়াবহ”। বদনাদের বদান্যতায় দুষ্ট বুদ্ধিগুলো সংযোজিত হলেও তার দায়ভার শীর্ষ নেতৃতের উপর বর্তায়। ছোট একটি গল্প বলি। কোন এক সম্ভ্রান্ত বাড়িতে বাঁধা অবস্থায় একটি বিদেশী আলফাসিয়ান কুকুর বাড়িতে শোভা বর্ধন করছিল। এক আগূন্তক মেহমান গেইট আব্দি পৌছে আর এগুচ্ছে না ! এই দেখে বাড়ীর দাড়োয়ান মেহমানকে জিগাসিল- ভাই সাহেবের নাম? আগুন্তুক নুক টান করে বলে- শের শিং। বাবার নাম ? শামসের শিং। বাড়ি ? শেরপুর। তো বাড়ির ভিতরে না ধুকে বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন কেন? কুকুর দেখলে ভয় পাই।

জেলাতে যে সমস্ত ছাত্র নেতারা যাহারা পুরুষ সিংহ বলে আত্তপ্রচারিত হয়েছিল , কে জানত তারা কুকুর দেখলে ভয় পায়। আসলে অনেক প্রকারের প্রাণী সিংহের পোশাক গায়ে জাড়িয়ে নেতাদের কাছে নিজেকে জাহির করার জন্য নানা মিথ্যা রং করা গল্প বলে অন্য কে খারাপ করে নিজেকে নেতার কাছে সিংহ বলে দাবী করে তাই বলে তাদের কেউ সিংহ বলে না। আম্র বৃক্ষে যেমন কাঁঠাল হয় না, তেমনি গরুর শিং দুয়ে দুয়ে ক্ষয় করা যেতে পারে, কিন্তু তা থেকে দুধ বেরোবে না। আর পচা ডিম তা দিয়েও মুরগীর ছানা ফোটানো সম্ভব যায় না। মরা হাতিদের টানার দায় ছাত্রদল নিবে কেন। কাকা বৃন্দাবনে গিয়ে যেটুকু নাম করেছে কাকীমা কু- কাম করে তার চেয়ে বেশী নাম করেছেন। গত ১৬ বছরে ছাত্রদলের সেই ২ নেতা আজীবন কাকীমা হয়ে রইবেন। কারণ জেলা ছাত্রদলের এখন সভাপতি –সাধারন সম্পাদক হয়ে দাদুরা জেলা ছাত্রদল কে শুধু শেষ করে দেই নাই নিঃশেষ করে দিয়েছে। প্রকৃতি ওদের বিচার করবে।

মহাত্মাজী বলেছিলেন-“ কিছু লোককে আনেকদিন , আর অনেক লোক কে কিছুদিন ভুল বুঝিয়ে রাখা যায়, কিন্তু সব মানুষকে চিরদিন ভুল বুঝিয়ে রাখা যায় না। প্রেম হৃদয়কে , ন্যায় আত্মাকে আর জ্ঞান বুদ্ধির স্থির রেখে। প্রেম, ন্যায় ও জ্ঞান এই ত্ররীর অনুপস্থিত হেতু ছাত্রদল আজ স্থবির। এত আনুরোধ –উপরোধ এর পর কমিটি হয় নি ১৬ বছর। পরিচয় পায়নি অনেক কর্মী। পদ- পদায়ন কোন দয়ার দান ন্যায়, এ কর্মীদের অধিকার। দায়ভার কেন্দ্রীয় ও জেলার ছাত্রদল নেতাদের নিতেই হবে। পাশাপাশি বদনারাও ক্ষমা পাবেন না । কেউ বানের জলে ভাইসে আসে নাই। আসলে বালির তৈরি করা আসনের সৌন্দর্য ততক্ষণ পর্যন্তই শোভা পায় যতক্ষণ পর্যন্ত এতে উপবেশন করা না হয়। পার্বতারোহীর একটি পা পিছলে পরলেও তাকে খাদে পরে জীবন সংকটে পরতে হয়। আরেকটি কথা কাল কে জেলা ছাত্রদল নিয়ে লেখার পর অনেকের কাছে থেকে ফোন পেয়ছি অনেক থ্রেট পেয়েছি।

অনেকে বিষয়টি কে নিয়ে যাচ্ছে আমজাদ হোসেন চাচার ও মাসুদ অরুণ চাচার বীরুধে। আসলে আমার লেখটি তাদের বিপক্ষে না আমি তরুন্দের পক্ষে কথা গুলো বলছি। কেউ কেউ আবার তাহার শক্তিশালী আওয়মী লীগ নেতা শ্বশুর এর ভয় দেখাই , কেউ আবার পুলিশ শ্যালক এর বভয় দেখাই, কেউ আবার যুবলীগ নেতার ভয় দেখাই দল ক্ষমতাতে নাই তাই যদি এই সমস্ত লোকের কথা এই ধরনের হয় তাহলে বলার কিছু নাই। তবে একটি কথা খুব স্পষ্ট ভাবে আপনাদের মনে করিয়ে দেই আপনারা নিজদের মেহেরপুর গাংনিতে বাঘ সিংহ ভাবতে পারেন কিন্তু ক্ষমতার নেত্রহীন দাম্ভিকতা তাদের ভুলিয়ে দেয় যে – I am nobody without Amzad Hossen- Masud Orun. চলবে………………

প্রিন্স আহামেদ ইমরান।

সহ – সম্পাদক – সহযোগী সংগঠন ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি

সাংগঠনিক সম্পাদক – তারেক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- আমার লেখা পড়ে আবার আমাকে কেউ ছাত্রনেতা ভেবেন না।চোখের সামনে ছাত্রদলের এই অবস্থা দেখে একজন জাতীয়তাবাদী হিসেবে চুপ থাকতে পারলাম না তাই এই ক্ষুদ্র প্রতিবাদ।