চূড়ান্ত দাসত্বের দোড়গোড়ায় বাংলাদেশ,ভারতের হাতে প্রতিরক্ষা তুলে দেয়া হল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের আড়ালে!

0

কাহিনী টা অনেক আগের এখন হয়ে গেলো শুধু চুক্তি স্বাক্ষর

আমাদের সেনাবাহিনীর সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এ কোন নিরাপত্তা চুক্তি ? স্বাধীন বাংলাদেশে ভিনদেশী সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করবে কেন ? স্বাধীন দেশে ভীনদেশী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকলো কোথায় ?

হাসিনাকে ফের ক্ষমতায় রাখার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মোদির বার্তা আসছে!

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ড. এস জয়শঙ্কর এক ঝটিকা সফরে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় আসছেন। ঢাকাই সংবাদমাধ্যমগুলো এই খবর বেরিয়েছে। মার্চ মাসের শেষে বা এপ্রিলের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য নয়াদিল্লী সফরের এজেন্ডা চূড়ান্ত করতেই ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের এই সফর বলে বলা হচ্ছে।

শেখ হাসিনার ভারত সফরের মুল এজেন্ডা হচ্ছে কথিত ভারত-বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পর্যায়ে ‘নিরাপত্তা চুক্তি’ । যার একটি খসড়া ভারত হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও শেখ রেহেনার দেবর জেনারেল তারেক সিদ্দিকীকে দিয়েছে। খসড়াটা দিয়েছিলেন গত বছর সফরে এসে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনমহোর পারিকর । চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশ-ভারত সেনাবাহিনী পর্যায়ে এমন একটি নিরাপত্তা চুক্তি চায় যেখানে ‘জঙ্গিবাদের’ অজুহাতে বাংলাদেশের যেকোন যায়গায়, যেকোন সময় ভারতীয় বাহিনী ঢুকতে পারবে । সেটা বড় কথা নয়, খসড়ায় বলা হয়েছে বাংলাদেশে অভিযান চালানোর সময় যৌথ বাহিনীর কমান্ডো থাকবে ভারতীয় কমান্ডোর অধীনে । এখানেই নাকি আপত্তি । ‘মৃদু আপত্তিটা’ আসে উত্তর পাড়ার একটি অংশ থেকে।

যারা আপত্তি করেছেন তাদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা। ‘ম্যানেজ’ করার জন্য কিছুদিন আগে বড় ধরনের একটি রদবদলও হয়েছে উত্তর পাড়ায় । বাকিটা ‘ম্যানেজ’ হলেই সফর চূড়ান্ত হবে।

‘ম্যানেজ’ করার বিনিময় হাসিনা চাচ্ছেন আবার ক্ষমতা। নির্বাচনের ঢামোঢোল পেটানো শুরু হওয়ার এই পরিস্থিতিতে হাসিনাকে আশ্বস্ত করতে চান দিল্লীর দূত। যেকোন বিনিময়েই ভারত চাচ্ছে ‘নিরাপত্তা চুক্তি’ । হাসিনা চান আগামীতেও ভারতের বাধাহীন সমর্থন।

সর্বশেষ খবরে প্রকাশ উত্তর পাড়া ‘ম্যানেজ’ হয়েছে। ভারতবান্ধব ও আওয়ামীপন্থি দৈনিক যুগান্তর ২৩ ফেব্রুয়ারীর প্রিন্ট ভার্শনে লিখেছে, এ চুক্তির ব্যাপারে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ অনাপত্তি দিয়েছে। সামরিক সহযোগিতা চুক্তির ব্যাপারেও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কোনো আপত্তি নেই।’

উল্লেখ , বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের আমন্ত্রণে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বেইজিং থেকে ঢাকা এসে পৌঁছবেন। বিকাল পাঁচটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করবেন। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন জয়শঙ্কর। ঐ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লী সফরের দিনক্ষণ ও আলোচ্য সূচি নিয়ে আলোচনা করবেন দুই পররাষ্ট্র সচিব। তাছাড়া পানি, বিদ্যুত্ জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, সীমান্ত, বাণিজ্য, যোগাযোগসহ সার্বিক সকল ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।

লেখা

মেজর ডালিম