চট্টগ্রাম ও কুষ্টিয়ায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫

0

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ পৃথক ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন ও কুষ্টিয়ায় দুইজন নিহত হয়েছে।

মিরসরাইয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন জন নিহত হয়েছে। শনিবার ভোররাতে নিজামপুরে মহাসড়কে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন‌্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নিহতরা ডাকাত দলের সদস্য। নিজামপুর মহাসড়কে ব‌্যারিকেড দিয়ে ডাকাতির চেষ্টার সময় এই বন্দুকযুদ্ধ হয়। বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের দুই সদস‌্যও আহত হন বলে জানান তিনি।

লেফটেন‌্যান্ট কর্নেল মিফতাহ বলেন, ফেনী থেকে র‌্যাবের একটি টহল দল মাইক্রোবাসে করে চট্টগ্রাম ফিরছিল। রাত ৩টার দিকে মিরসরাইয়ে তাদের সাধারণ যাত্রী ভেবে আটকেছিল ডাকাতরা।

ডাকাতরা সড়কে ব‌্যারিকেড দিয়ে মাইক্রোবাস থামিয়ে গুলি চালিয়ে টায়ার পাংচার করে দেয়। তখন র‌্যাব সদস‌্যরাও গুলি চালায়। কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর ডাকাত দল পালিয়ে গেলে তিন জনকে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ‌্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় র‌্যাব। সেখানে কর্তব‌্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থলে থেকে তিনটি পিস্তল, দুটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয় বলে র‌্যাব কর্মকর্তা মিফতাহ জানান।

এদিকে কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর উপজেলার গোবিন্দগুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি বোমাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দিন বলেন, মিরপুর-ভেড়ামারা জিকে সড়কের গোবিন্দগুনিয়া গ্রামে একদল ডাকাত গাছের গুড়ি ফেলে যানবাহনে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়।

তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সদস্যরা গুলি বর্ষণ করে। আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ ২ ডাকাত সদস্যের লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি বোমাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।