চট্টগ্রামে ককটেল বানাতে গিয়ে আহত ছাত্রলীগ নেতা !

0

জিসাফো ডেস্কঃ ককটেল বানাতে গিয়ে এক ছাত্রলীগ নেতার হাত ঝলসে  যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে চট্টগ্রামে, ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে গেছেন ওই ছাত্রনেতা।

 

আহত ছাত্রলীগ নেতা সীমান্ত মহাজন (১৮) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড ছাত্রলীগের (একাংশ) উপ অর্থ সম্পাদক। সীমান্ত ওই এলাকার উজ্জ্বল মহাজনের ছেলে ও ফতেয়াবাদ কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

 

ফতেয়াবাদ কলেজের দক্ষিণ-পশ্চিমে নরেশ চন্দ্র মল্লিক প্রকাশ দূর্গাপাড়া এলাকায় শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে ওই দিন রাতেই হাটহাজারী মডেল থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমিন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় ছাত্রলীগ নেতার বসতঘর তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ কাউকে খুঁজে পায়নি।

 

এছাড়া রোববার গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে। তবে সীমান্ত মহাজনের পরিবারের দাবি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ তথা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের পার্শ্ববর্তী লোকজন গণমাধ্যমকর্মী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে।

 

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে সীমান্ত মহাজনের বাবা উজ্জ্বল মহাজন জানান সীমান্তকে বাজার করার জন্য পাঠিয়েছেন তিনি।

 

এছাড়া তিনি হাটহাজারী মডেল থানার এক উপ-পরিদর্শকের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার প্রতিপক্ষ থেকে উৎকোচ (টাকা খেয়ে) নিয়ে অহেতুক তার বাড়িতে এসেছিলেন। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ কমিটির সদস্য গাজী আক্কাসের সঙ্গে সরেজমিনে দেখা করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

 

তিনি জানান, নগরীর মেহেদীবাগ মেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আহত ওই ছাত্রলীগ নেতা। তবে গাজী আক্কাস দাবি করেন, ককটেল নয়; বাজি বিস্ফোরণে তার হাতের দুটি আঙুল ঝলসে গেছে। এ সময় তিনি তার মোবাইল ফোন থেকে সীমান্ত মহাজনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

 

পরে মোবাইলফোনে আহত ছাত্রলীগ নেতা সীমান্ত মহাজন বলেন, দুর্গাপূজার সময় ঘরে রাখা নষ্ট বাজি হঠাৎ আমার হাতে ফোটে গেলে আমি হাতে একটু ব্যাথা পেয়েছি।

 

তবে হাটহাজারীতে কর্মরত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, ছাত্রলীগ নেতা সীমান্ত মহাজন ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটলে তার হাত ঝলসে যায়। তিনি নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।