গাজীপুরে নব্য এরশাদ সিকদারের আবির্ভাব

0

জিসাফো ডেস্কঃ গাজীপুর মহানগর ৪৯ নং ওয়ার্ডে একজন মাদক সেবী,মাদক ব্যবসায়ী কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচন করতে চাইছেন।তিনি ৪৯ নং ওয়ার্ডে একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাসান গ্রুপের, একটি কথা সবার মনে রাখতে হবে,তা হচ্ছে কোন মাদকসেবী,মাদক ব্যাবসায়ী,সন্ত্রাসী কখনই দলীয় হতে পারে না।সে দলের নাম করে টিকে থাকতে চায়,পকেট আর একাউন্টের এমাউন্ট বাড়ানোই তার কাজ।

বিল্লাল হোসেনের নামে টংগী থানায় প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টি মামলা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না কারন সে সরকারী দলের কর্মী।গাজীপুর পুলিশ প্রশাসনের কাছে  প্রশ্ন একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী ৩৫ মামলার আসামী কি করে প্রকাশ্য ঘোরে বেড়ায়?কেনো কাদের প্রয়োজনে গ্রেফতার হচ্ছে না এই বিল্লাল,হাসান গ্রুপ?


৪৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় সন্ত্রাসী হাসান গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড এই বিল্লাল।জোর করে মেয়েদের বিয়ে করে এই বিল্লাল হোসেন বর্তমানে তার পাঁচটি স্ত্রী।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান,সাবেক এম,পি আহসান উল্লাহ্ মাষ্টারের আত্মীয়ের পৃষ্টপোষকতার কারনেই এরা এতো বেপরোয়া।

সে এলাকার বাড়ী বাড়ী বলেছে, তাকে ভোট না দিলে এলাকায় লাশ দেখতে হবে।সে অনেকের হাত,পায়ের রগ কেটে দিয়েছে,মানুষ তার ভয়ে কিছু বলার সাহস পায় না। এমন ব্যক্তি যদি কাউন্সিলর হোন তাহলে এলাকার ঘড়ে ঘড়ে জন্ম নিবে একজন মাদক সেবী।

গাজীপুর আওয়ামী লীগ নেতারা যে সন্ত্রাস আর মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেন তার প্রমান আরও পাওয়া যায় টংগী বাজার হাজী মাজার এলাকায়,এখানে বস্তীতে বিপুল সংখ্যক ব্যক্তি মাদক ব্যবসায় জড়িত।বিভিন্ন নেতাদের ব্যানার ফেস্টুনে মাদক সেবীসহ মাদক ব্যবসায়ীদের ছবি।গাজীপুর কে মাদক,সন্ত্রাস মুক্ত করতে প্রশাসনের এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।