গাজীপুরের পবিত্র ভূমি টংগীতে চলছে দেহ ব্যবসা

0

জিসাফো ডেস্কঃ বাংলাদেশে চলছে আওমীলিগ সরকারের দুঃশাসন।কেড়ে নেয়া হয়েছে মানুষের বাকস্বাধীনতা।দেশের শাসন ভার এমন এক সরকারের হাতে যারা নিজেরাই অবৈধ তাই তারা অন্য কারও অন্যায়ের শাসন করতে পারছে না।বিশেষ করে তাদের দলিয় লোকজন ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অন্যায়।

মুখে মুখে আর ব্যানার-ফেস্টুনে দেখা যায় দেশ এখন বিশ্বের সেরা মেগাসিটি সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেছে।প্রকৃত অর্থ হচ্ছে দেশ এখন তলা বিহীন ঝুড়িতে পরিনত হতে যাচ্ছে।সরকারের প্রতিটা ক্ষেত্রে দূর্নিতি চেপে বসে আছে।অপরিকল্পিত ফ্লাইওভার নির্মান করে দেশের উন্নয়ন কিংবা ঢাকার যানজট কতটা মুক্ত করতে পেরেছে তা ঢাকাতে গেলেই উপলব্ধি করা যায়।

উন্নতি হয়েছে দেশের প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু রিন ১৩০০টাকা।আগে যানজট ছিল মহাখালী এখন হয় সাত রাস্তা থেকে(যানজট পূর্বের মতই)।এবার মূল প্রসঙ্গে আসি।বাংলাদেশ পূর্বে ছিল মমুসলিম রাষ্ট্র, বর্তমান ধর্মহীন। যার কারনে প্রায় সব জেলাতে গড়ে উঠেছে আবাসিক হোটেল।লাইসেন্স ধারী পতিতা পল্লী।আবার কোন কোন এলাকাতে বড় বড় আওমী নেতাদের নিজ বাড়িতেই চলছে যৌন কাজ-কর্ম।বনানীর আবাসিক হোটেল গুলো চলে গেছে গাজিপুরের টংগীতে।নতুন পতিতা পল্লী গড়ে উঠেছে ন্যাশনাল পার্কে।প্রকাশ্য বিক্রি হচ্ছে সেক্সের নানান টেবলেট,ক্যাপসুল

12346741_956956231039787_1010982573_n

হ্যা গাজিপুরের টংগী বাজারে বসছে যৌন ট্যাবলেট বিক্রির অস্থায়ী দোকান।টংগীতে পূবে আবাসিক হোটেল ছিল হাতে গোনা। সেখানে বর্তমানে কম করে হলেও ২৫-৩০টি আবাসিক হোটেল। প্রত্যেকটা হোটেলেই চলে দেহ ব্যবসা।বিশ্ব ইজতিমা গেইট সংলগ্ন আশরাফ-সেতু কমপ্লেক্স এর অপজিটে টংগী আবাসিক হোটেলের নিচে প্রকাশ্য নারিদের দিয়ে ডেকে আনা হচ্ছে খদ্দের।যা লজ্জা ও ভীতিকর পরিস্থিতি।সন্তানের সাথে মা,বাবার সাথে মেয়ে ঐ পথে হাটা লজ্জা জনক অথচ ঐ পথে স্কুলে সন্তানদের আনা নেয়া করাতে হয়।ভবিষ্যৎতের কথা ভেবে ভীত হতে হয় নিজের সন্তান সন্ততিদের কথা ভেবে।

12351130_956956224373121_1617201772_n

টংগী বাজার বাসষ্টেন্ড সংলগ্ন হোটেল অনামিকা,চ্যানেল ছাড়াও গড়ে উঠেছে আরও নতুন নতুন আবাসিক হোটেল।টংগী বাজার হাজী মাকেট সংলগ্ন এক বাসায়ও অবৈধ ব্যবসা চলে। টংগীর রেলস্টেশন সংলগ্ন জাহিদ আহসান রাসেল এর বাড়ির যাতায়াত এর রাস্তাতেই রয়েছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল।যেগুলো প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে চালিয়ে যাচ্ছে দেহ ব্যবসা।তদন্ত করে জানা যায় টংগী স্থানীয় আওমী রাজনীতিবীদদের আপনজন ও তাদের দলীয় নেতা কর্মীরা এর সাথে জড়িত থাকায় কোন কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সাহস দেখান না পুলিশ প্রশাসক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এসআই জানান মাঝে মধ্যে হোটেলে রেট দিয়ে অপরাধীদের ধরে আনলেও উপর মহলের ফোনে ছেড়ে দিতে বাধ্য হোন তারা।আবার অন্য এক পুলিশ সদস্য জানান যে পুলিশ এসব আবাসিক হোটেল গুলো থেক প্রতি মাসে মাসোহারা পেয়ে থাকে।

এতো গেলো শুধু টংগী এলাকার কথা।

12358037_956956254373118_1850407456_n

এছাড়াও রয়েছে গাজিপুরের চৌরাস্তা,চান্দিনা,মাষ্টার বাড়ি বাংলাদেশের ন্যাশনাল পার্ক ও এর আশ-পাশে গড়ে উঠা রিসোর্ট গুলোতে চলছে রম-রমা দেহ ব্যবসা।শুনে অবাক হবেন গাজিপুরে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় পার্কে এখন বিভিন্ন দেশের নারি পাওয়া যায়। এদের মধ্যে থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারের নারি পতিতা উল্ল্যেখ যোগ্য।এসব দেশের নারিরা নিদৃষ্ট খদ্দেরদের জন্য বরাদ্ধ থাকে।বিত্তশালী ও আওমী নেতাদের উপটৌকনের পাশাপাশি এদের দেয়া হয় ভোগ করার জন্য।গাজিপুরের কোনাবাড়ি এলাকাতে রয়েছে আবাসিক হোটেল।এলাকার লোকজনের মাধ্যমে সহযোগী হিসেবে কোনাবাড়ি হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ রবিউল ইসলামের নাম উঠে আসে।কোনাবাড়ী ড্রীমল্যান্ড হোটেল, রেডি প্লাস,গোল্ডেন সান এর কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার পর তারা জানায় পুলিশ তাদের পকেটে থাকে।প্রতিদিনই হোটেলে ১৫-২০টা মেয়ে থাকে।এছাড়াও চাইলে বাইরে থেকে ফোন করে আনা যাবে সে ক্ষত্রে রেট বেশি।তারা জানায় থানায় একেক হোটেল থেকে প্রতি মাসে ৫০০০০ হাজার করে টাকা দিতে হয়।এ ব্যাপারে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ও পুলিশ সুপার আব্দুল বাতেনের সাথে কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে যান।তবে বিষয়টা দেখবে বলে জানায়।

12386761_956956214373122_908946006_n

এবার গাজিপুরের কালিয়াকৈরে আসি।এখানে রাঙ্গামিটি রিসোর্টে পিকনিক ও অনুষ্ঠানের নামে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ।এখানে নারি ব্যবসার পাশাপাশি চলে মাদকের ব্যবসা।স্থানীয়রা ক্ষোভ দেখালেও কানে নেন না রিসোর্টের মালিক।তারা বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করলেও বন্ধ হয়নি অবৈধ কার্যকলাপ।12386673_956956237706453_1062587526_n

এক কথা পুরো গাজিপুর মহানগর এখন পতিতাদের আস্তানা।গাজিিপুরের চৌরাস্তা,কোনাবাড়ী,মাষ্টার বাড়ী,ভোগড়া,টংগীর বাসষ্টেন্ডে দাড়িয়ে সাধারন মানুষদের দৃর্ষ্টি আকৃষ্ট করে।তাছাড়া স্কুল-কলেজগামী তরুণদের বিপথের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।তাদের অতিষ্ঠে শহরে একা দাড়ানো যায় না।গাজিপুর মহানগর বৃহ্ৎ এলাকা নিয়ে গঠিত।বিশাল জনগোষ্ঠী ও শিল্পনগরী হওয়াতে এখানে ভাসমান লোকের সংখ্যা বেশি।গার্মেন্টস শিল্পে ও অন্যান্য মেইল-কারখানার শ্রমিকরাই এদের খপ্পরে বেশি পরে।প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে পতিতা বেচা-কেনার হাট।তাদের সহযোগীতায় পুলিশসহ রয়েছে স্থানীয় আওমী নেতা কর্মী।ঐসব পতিতাদের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানিয়েছেন গাজিপুর মহানগরবাসী।