খুলনায় ৮১ শতাংশ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: ইসি, তার পরেও সেনাবাহিনী নয় কেন ?

0

খুলনা সিটি নির্বাচনে ৮১ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোট হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলছেন শঙ্কার কিছু নেই।
সিটি করপোরেশনের আওতা বাড়ায় এবার ভোট কেন্দ্র যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যাও। সিটি নির্বাচনে এবার মোট ভোটকেন্দ্র ২৮৯টি। এর মধ্যে ২৩৪টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিতর্কিত পুলিশ সদস্যদের এখনো অপসারণ করা হয়নি। এখনো অবাধ, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি না। তারপরও আমরা আশা করবো নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে সঠিক ব্যবস্থা নিবেন।
তবে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ইতোপূর্বে এই রকমের যতো নির্বাচন হয়েছে সেখানে কোনো জোর করে ভোট নেয়ার ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটেনি। ভোটরে পরিবেশ ঠিক আছে।
স্থানীয় প্রশাসন বলছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র বেশি হলেও আতঙ্কের কিছু নেই। এসব কেন্দ্রের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যপারে কেএমপি কমিশনার হুমায়ন কবির বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ আসলে না আমরা গুরুত্বপূর্ণ আর সাধারণ ক্যাটাগরি করি। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশী থাকে, সেখানে আমাদের মনোযোগ বেশী থাকে যেন সেখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা না যায়।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সবসময় টহল দিবে। কোনো কেন্দ্রকেই আমরা ছোট করে দেখছি না।
আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ জন।
এছাড়া ৩১ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের দশটি পদে ৩৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
মেয়র পদে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক (নৌকা), বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক (হাত পাখা), সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) ও জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল)। উৎস–আরটিভি