কোন পথে বাংলাদেশ !

0

১৯৮৭ সালে কাশ্মীরে বাংলাদেশের আওয়ামী মার্কা একটা ইলেকশন হয়েছিল সম্পুর্ণ ইন্ডিয়ার নিয়ন্ত্রনে। ইন্ডিয়া সরকার সেই ইলেকশনের মাধ্যমে দালালদের ক্ষমতায় বসায়। কাশ্মীরের জনগণ সেটা মেনে নিতে পারেনি। তারা এরপর ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছে। সেই থেকে জুলুম-নির্যাতন, নিপিড়ন চলছে কাশ্মীরে।
এখন সাত লক্ষ ইন্ডিয়ান আর্মি কাশ্মীরে নিয়োজিত আছে, প্রতিনিয়ত হত্যা ধর্ষন করে যাচ্ছে কাশ্মীরিদের। দেখার কেউ নেই। কাশ্মীরের মোট জনসংখ্যার ৯০ ভাগ মুসলমান হলেও সরকারী প্রশাসন, আর্মি সব হিন্দুরা চালায়।
কাশ্মীরের ইতিহাস এখানে এজন্য টানলাম যে, এখন বাংলাদেশেও ঠিক কাশ্মীরকেই যেন ফলো করছে। ২০১৩ সালের ৫ই জানুয়ারীর তামাশার ইলেকশন এর পর ইন্ডিয়ার পক্ষের লোকরাই জোর করে ক্ষমতা দখলে আছে।
এবং মজার ব্যাপার হল, কাশ্মীরের মতই প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে হিন্দুরা এখন ব্যাপকহারে নিয়োগপ্রাপ্ত হচ্ছে। এখন বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসনে সচিব পর্যায়ের নতুন নিয়োগ/প্রমোশন প্রাপ্ত ৬০% কর্মকর্তা হিন্দু, পুলিশের অধিকাংশ এ এস পি আর ওসি হিন্দু (পুলিশ প্রশাসনে ও ৬০-৭০ ভাগ হিন্দু এখন, পত্রিকায় আসা পুলিশ সদস্যদের নাম দেখলেই বুঝবেন, সব পাল, দাস, বসু, চন্দ্র তে ভরা), বিচারক পদে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত যারা আছে তারও ৬০-৭০ ভাগ হিন্দু। পুরো বাংলাদেশে এক হিন্দু শাসন কায়েম হয়েছে। আপনি মুসলিম হলে আওয়ামীলীগ করলেও প্রমোশন পাবেন না, প্রমোশন পাবে হিন্দুরা। নতুন যত সরকারী চাকুরীর সার্কুলার হচ্ছে, সব নিয়োগ হিন্দুদের দেয়া হচ্ছে। কারণ তাদের উপর সরকার ভরসা পায়।
শুধু আর্মিতে এখনও কিছু ব্যাতিক্রম থাকতে পারে। তবে এখন আর্মিতেও হিন্দুদের নিয়োগ দেয়া শুরু হবে, তাই অদূর ভবিষ্যতে হিন্দু কর্মকর্তারাই আর্মি জেনারেল হবেন।
চতুর্দিক থেকে বাংলাদেশকে বেঁধে ফেলা হচ্ছে। যাতে আর কোন উপায় না থাকে। কাশ্মীর তো পাকিস্তানের সাথে বর্ডার থাকায় পাকিস্তান থেকে কিছু হেল্প পায়, বাংলাদেশ তাও পাবে না।
ধীরে ধীরে ইন্ডিয়ান কন্ট্রোল কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চিরকাল একটি গোষ্ঠীর ক্ষমতায় থাকার পুরো ব্যবস্থা কায়েম হচ্ছে। স্বাধীনতার বিনিময়ে উন্নয়নের মূলা ঝুলানো হয়েছে।
যাই হোক, সময়ই সব বলে দেবে বাংলাদেশের ইতিহাস বদলে যায় নাকি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়? আমার কেন জানি মনে হয় , ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে। অতীত থেকেই ইতিহাস পুনরাবৃত্ত হতে হতে অভ্যস্ত বাংলাদেশ, নতুন ইতিহাস জন্ম নেয়ার কথা নয়।
এটা ঠিক , কাশ্মীরে যেমন মুসলিম ভারতের দালাল এবং “র” এজেন্ট আছে , ঠিক তেমনি বাংলাদেশে ভারতের দালাল এবং “র” এজেন্ট আছে ।।
পবিত্র কুরআনের রেফারেন্স অনুযায়ী , ইহুদী ও মুশরিকরা পরিকল্পনা করছে , মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহ পরিকল্পনা করছে ।
নিশ্চয়ই , সর্বশক্তিমান ও মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহ হলেন মহান পরিকল্পনাকারী ।।
তাই , আমি মনে করি , নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর ভবিষ্যত বাণী অনুযায়ী ধীরে ধীরে আমরা মুসলিমরা সবাই গাজওয়া-ই- হিন্দ এর দিকেই যাচ্ছি এবং ঐক্য হচ্ছি ।।
মুশরিকদের সাথে সেই যুদ্ধ হবে অসীম যুদ্ধ । আর এই যুদ্ধে জয়ী হবে মুসলমানরাই ।।
ইনশাআল্লাহ্‌

‘ইপশিতা হাসনাইন

 অন-লাইন লেখিকা’